আদিবাসী ও হিন্দু সংস্কৃতির মিলন স্থল হরিপুরের ধর্ম রাজ মন্দির গ্রামীণ সম্প্রীতির ধারক বাহক
অমল গুপ্ত ,২ মে ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ: কান্দি শহর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরবর্তী খরগ্রাম থানার অর্ন্তগত মহিশার হরিপুর হিন্দু প্রধান বনেদি গ্রাম হাজার পাঁচেক জনবসতি হিন্দু প্রধান গ্রাম ।বরার ,গোপীনাথ পুর ,রসুলপুর ,মানিকপুর ,কলগ্রাম , গোয়াই , যমুনি প্রভৃতি হিন্দু প্রধান গ্রামকে ঘিরে ধর্মরাজ পূজোর উৎসব চলছে। স্থানীয় ভাষায় হরপুর বা হরিপুর প্রায় ৫০০ বছরের ধর্মরাজ মন্দির নতুন করে পূর্নির্মান করা হয়েছে গত কবিগুরুর জন্মতিথি ২৫ বৈশাখ। গ্রামের অর্থ সামাজিক অবস্থা মন্দ নয়। গ্রামের প্রধান উৎপাদন ধান ছাড়াও দুধ ,ভাগীরথী , আমূল,।,শালিমার ,রেড কাও ইত্যাদি কোম্পানি এই দুধ সংগ্রহ করে।বেশ কিছু রেশম শিল্পীও আছেন সিল্ক কাপড় উৎপাদিত হয়। এই গ্রামে কয়েকজন ডাব্লিইউ বি এস অফিসার আছেন। গ্রামের সমাজসেবী অশোক কুমার কুন্ড , আশীষ মন্ডল ,সুনীল পাল প্রমুখ সমাজসেবীদের অবদানের কথা জানালেন স্থানীয় মানুষ। হরিপুর গ্রামীণ গ্রন্থাগার ধর্মরাজ মন্দির প্রাঙ্গণে শতাধিক খুদেদের বসে আঁকা প্রতিযোগিতা ছিল উৎসাহজনক। গ্রামের পরিকাঠামো সন্তোষজনক। প্রাইমারি স্কুল হাইস্কুল আছে।কলেজ কান্দি নতুবা খর গ্রাম ,যেতে হয়। হাসপাতাল যেতে গেলে দু কিলোমিটার দূরবর্তী খর গ্রাম। কান্দি নির্ভরশীল গ্রামীণ জীবন অভাব আছে দারিদ্রতা আছে মাটির বাড়ি আছে ,অভিযোগ নেই রাজনীতির বাদানুবাদ নেই।ভাল লাগলো সাংবাদিক বন্ধু সঞ্জয় কুমার মিশ্র ,কান্দি বান্ধব সম্পাদক নব কুমার মুখার্জী কে অশেষ ধূন্য বাদ।সুন্দর এক গ্রাম পরিদর্শন করলাম স্মৃতি হয়ে থাকবে।
Comments
Post a Comment