অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

অমল গুপ্ত ,কলকাতা:১০ সেপ্টেম্বর অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন। অসময়ে চলে গেলেন আজ গুয়াহাটি মেডিক্যাল ক্যান্সার হাসপাতালে মারা যান। বয়স হয়েছিল মাত্র ৫২ বছর 
 অসমে আমি অমল গুপ্ত  , সাংবাদিক বীরেশ্বর দাস  সাংবাদিক অরূপ চক্রবর্তী   বরাবর একসঙ্গে পাশাপাশি বসে আড্ডা রিপোর্টিং সব একসঙ্গে করতাম।কুন্তল চক্রবর্তী বিয়েতে আমি প্রথম মারুতি চেপে নওগাঁ গিয়েছিলাম। শিলচর থেকে প্রকাশিত সাময়িক প্রসঙ্গ তে শেষ কাজ করে গেছেন। তার সঙ্গে শেষ সাক্ষাৎকার করতে কষ্ট হলেও চারতলা ভবনে উঠেছিলাম। কুন্তল ক্যান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন।পত্নী সোমা আর এক কন্যা কে রেখে গেছেন। শেষের দিকে বর কষ্টের মধ্যে  আর্থিক অনটনে ছিলেন। ডায়ালেসিস করার জন্যে ধারদেনা করে হায়দরাবাদ যেতে  অসুস্থ অবস্থায়  অসম  সরকারের স্বীকৃতি প্রাপ্ত সাংবাদিক হওয়া সত্ত্বেও সরকার থেকে তেমন  সুবিধা পান নি।  বারবার হায়দরাবাদ যাতায়াত খরচ টা দিতে পারতো অসমের স্বাস্থ্য বিভাগ। এত ভাল বস্তু নিষ্ট গুনি সাংবাদিক  অসমে  দ্বিতীয় জন ছিলেন না।বামপন্থী আর্দশ বিশ্বাসী দেশ বিদেশের খবর তার পরিমণ্ডলে  বিচরণ করতো। আমাদের চার বন্ধু সাংবাদিক গোষ্ঠীর সঙ্গে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রফুল্ল মহন্ত , সর্বানন্দ সোনোয়াল ,হিমন্ত বিশ্ব শর্মার ভালো সম্পর্ক ছিল।  অসমের পাহাড় লাইনের রেল বারবার ভূমি ধসের বলি হচ্ছে।আমি কুন্তল  সঙ্গে শিলচরের বাহারউদ্দিন পাহাড় লাইন সরেজমিনে পরিস্থিতি অধ্যয়ন করতে  গিয়েছিলাম। আমাদের প্রতিবেদন  ছিল পাহাড়লাইনের ব্যাপক দুর্নীতি আর  পরিকল্পনা ছাড়া লাইন বসানোর ফলে ভূমি ধস বন্ধ করা  যাবে না। শিলচরেরএক  এন জিও কর্তা বাহারউদ্দীন দিল্লিতে এক প্রতিবেদন  পাঠিয়েছিলেন।   বহু ঘটনার সাক্ষী ছিলেন কুন্তল চক্রবর্তী বরাকের বহু সমস্যা তুলে ধরেছিলেন তিনি।  কুন্তল অসময়ে চলে গেল আজ বাঙালিদের দুর্দশা অন্ত নেই। কুন্তল মত সাংবাদিকের মতামতের গুরুত্ব ছিল। তার অসময়ে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছি না। তার আত্মা  শান্তি কামনা করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে।  উত্তম সাহা ,কুন্তল চক্রবর্তী প্রমুখ সময় প্রবাহ তে কাজ করার সময় বহু স্মৃতি মনে পড়ছে। পশ্চিম বঙ্গে অধিকাংশ সাংবাদিকের দুর্দশা দেখে মর্মাহত।অসম সে তুলনায় ভালো। আমরা মুষ্টিমেয় accrediated জার্নালিস্ট কে সুস্থ রাখার ভালো থাকার ব্যবস্থা যাতে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা করেন তার অনুরোধ রাখলাম।কুন্তল বড় কষ্ট করে আর্থিকভাবে ভুগে চলে গেলেন।আর যেন কাউকে এভাবে চলে যেতে না হয়।। নেপাল সীমান্তে বীরগঞ্জ   রকসৌল,  শিলিগুড়ির কাছে প্যানি ট্যাঙ্কি  অবস্থা  থমথমে।সীমান্ত বন্ধ। বাংলাদেশের পথে কি নেপাল  এগোচ্ছে সেরকম প্রশ্ন উঠেছে। জেল থেকে বন্দী পালাচ্ছে।সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মেয়র বলেন সাহ গ্রেটার উত্তর্ণপূর্বাঞ্চল কে নিয়ে  স্বাধীন দেশ গড়তে চাইছেন।ভারতের প্রধান মন্ত্রী ছবি নিয়ে মিছিল দেখা গেছে।আজই নব গ্রহ স্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তুষার সাহা  সমর দেব সহ বহু সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন বলে সাংবাদিক অরূপ চক্রবর্তী জানান ।মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এক শোক বার্তায় কুন্তল চক্রবর্তী মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর