Posts

অরুণ চন্দ্রের ১২৮ তম জন্ম দিবস উদযাপন

Image
*জননায়ক অরুণকুমার চন্দের ১২৮ তম জন্মদিবস পালন শিলচরে*  শিলচর প্রতিমূর্তি সংরক্ষণ ও স্মৃতিরক্ষা কমিটির উদ্যোগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জননায়ক অরুণকুমার চন্দের ১২৮ তম জন্মদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় শিলচরে পালন করা হয়। সদরঘাটে অরুণকুমার পার্কে স্থাপিত অরুণকুমার চন্দের  প্রতিমূর্তির পাদদেশে সকাল সাড়ে আটটায় শহরের বিশিষ্টজনেরা জমায়েত হয়ে এই দেশবরেণ্য নেতার প্রতি পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।         প্রতিমূর্তি সংরক্ষণ ও স্মৃতিরক্ষা কমিটির সম্পাদক প্রবীর রায়চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যে অরুণকুমার চন্দের জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে সমবেত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অধিক সংখ্যায় জনসমাগম হওয়ায় তিনি সন্তোষ ব্যক্ত করেন। ড০ পরিতোষ দত্ত বলেন, অরুণকুমার চন্দ এই অঞ্চলের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও  শ্রমিক আন্দোলনে যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে গেছেন তা অতুলনীয়। বরাকবঙ্গের কাছাড় জেলা সমিতির সভাপতি সঞ্জীব দেব লস্কর স্বাধীনতা আন্দোলনে অরুণ কুমার চন্দের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তার প্রয়াত পিতা স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীন্দ্রমোহন ...

মাদক ,গাঁজা অসম বাংলার যুব সমাজ কে ধংস করেছে ,বাংলদেশে ও

অমল গুপ্ত ,গুয়াহাটি ,কলকাতা: বাংলাদেশের   প্রধান মন্ত্রী তারেক রহমান বুজতে পেরেছেন মাদক গাঁজা বাংলদেশে যুব সমাজ কে ধ্বংশ এর পথে ঠেলে দিয়েছেন। অসম ,বাংলার যুবসমাজ মাদক ছাড়া চলতে পারেনা। সুদূর মায়ানমার থেকে উত্তরপূর্ব  প্রত্যন্ত অঞ্চল  কলকাতা, শিলং  শিলচর আগরতলা , গুয়াহাটি,পর্য্যন্ত মাদক সামগ্রী তে ছড়িয়ে পড়েছে।  এই বৃহত্তর অঞ্চলের প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান   বিশ্ববিদ্যালয়  চেন সিস্টেম এ জড়িত মাদক কারবারিরা ,সঙ্গে বৃহৎ সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী কোনো বাধা নিষেধ নেই,সব সরকার রাজস্ব বৃদ্ধির তাগিদে মদের ব্যবসা বাড়িয়ে যাচ্ছে। ব্যতিক্রম বিহার নীতিশ কুমার মদের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বিহারে পিছনের দরজা দিয়ে ব্যাপক মদ গাঁজা ঢুকছে।বিপদের কথা বৃহৎ সংখ্যক মাদক ইনজেকশন নিয়ে নেশা গ্রস্থ।বাংলাদেশের যুবসমাজ ভারত বাংলদেশে সীমান্ত অঞ্চলে নানা চোরা করবার সহ মাদক কারবারে  বিশাল বাজার।   আগরতলা গুয়াহাটি ,মায়ানমার ,ডিমাপুর , যোরহাট ,শিলচর গুয়াহাটি  শিলং ,কলকাতা সর্বত্র একই ছবি।মাদক কারবারে।কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। যুবসমাজের মূল্যবোধ,...

ছয় বছর পর্যন্ত সমস্ত শিশুদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে উত্তরপ্রদেশে ,বাংলা , অসম কি পারেনা?

Image
অমল গুপ্ত , গুয়াহাটি ,কলকাতা:  মোবাইল এমন এক ক্ষুদ্র যন্ত্র যা দেশের   সমাজের কাছে অভিশাপ স্বরূপ। দেশের ৮ থেকে ৮০ বয়সের হাতে ২৪ ঘণ্টা  অপব্যবহার হচ্ছে। শিশু থেকে যুব প্রজন্ম অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে। মোবাইল আবিষ্কর্তা আসমেরিকার শিকাগো শহরে  বসে মার্টিন কুপার জীবনের  শেষ প্রান্তে বসে আপসোস  করছেন। ছোট্ট যন্ত্রটি আবিস্কার করে কি  ভুল এই না করেছি। ৮ থেকে ৮০ সবাই  যন্ত্রটি অবহেলা করছে। যুবসমাজ ধংস হয়ে যাচ্ছে।তিনি বিশ্ববাসীর কাছে ক্ষমা  চেয়ে বলেছেন।   মার্টিন কুপার দেখিয়েছেন আগে বড় সাইজের মোবাইল নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রায় এক কেজি ওজন,সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। হাতের মুঠোয় ছোট্ট যন্ত্র মোবাইল নির্মাণের পর সহজেই   স্থানান্তর করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাতে হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।যোগাযোগ ব্যাবস্থা দ্রুততর হয়েছে। মোবাইল ব্যবহারের উপর  অস্ট্রেলিয়া সহ বিভিন্ন দেশ নিয়ম করেছে।ভারতে  কিছুই নেই। দেশের শিশু থেকে যুব প্রজন্ম  রসাতলে  যাচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রী অজন্তা নিওগ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ

Image
অমল গুপ্ত ,১৮ ফেব্রুয়ারি,' , গুয়াহাটি , কলকাতা:  অসমের শেষ  অন্তবর্তী  বাজেট পেশ করেন  মহিলা অর্থমন্ত্রী অজন্তা  নেওগ ।  তিনি  অসম কে ২০২৮ সালে ১০ লাখ কোটি টাকার অর্থনীতি গড়ে তোলার আশ্বাস দেন।    এই অর্থবছরে দুলাখ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন।  বৃদ্ধ  ভাতা  বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আগামী এপ্রিল মাসে বিধানসভার নির্বাচনের আগে যুবসমাজ কে  বহু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। অসম সরকার ১লাখ ৭০ হাজার অবৈধ নাগরিক কে  শনাক্ত করেছে। এর আগে ,৩০ হাজার  অবৈধ নাগরিককে বিতরণ করা হয়েছে।অসম চুক্তি  রূপায়ণ মন্ত্রী অতুল বড়া একথা জানান। অসমে আগামী বিহু উৎসবের সময় বিধানসভার নির্বাচন হতে পারে।নির্বাচন কমিশনার গুরাহাটি তে এই কথা বলেছেন।  তিনি ভোট দেয়ার সময় মোবাইল ব্যবহারের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করার কথা বলেছেন। দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের  পবিত্র রমজান মাস ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে   শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান  রমজান মাসে  সাধারণ মানুষ     যাতে ফল মূল ...

বাংলাদেশে ৪৯ জন মন্ত্রী শপথ দিলেন

Image
৪৯ জন মন্ত্রী নিয়ে শপথ নিলেন তারেক, মন্ত্রিসভায় ৩ মহিলা  ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর দেশ ছেড়েছিলেন। প্রায় দেড় যুগ পরে দেশে ফিরে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হলেন জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া পুত্র তারেক রহমান। ২০ বছর পরে ঢাকার মসনদে ফিরল বিএনপি। মঙ্গলবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক। তাঁর ৫০ জনের মন্ত্রিসভায় তিন জন মহিলা সদস্য। তারেক-সহ ২৬ জন পূর্ণমন্ত্রী আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। নতুন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বিদায়ী অন্তবর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানও।      বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম সংসদ ভবনের খোলা মাঠে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যেরা শপথ নিলেন।    স্থানীয় সময় ৪টে নাগাদ তারেকসহ অন্য মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক। মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে ১৭ জনই নতুন মুখ। প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ২৪ জনই নতুন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন আহমদ, ই...

সাংবাদিক যিনি মানুষের জন্যে করে গেছেন

চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা আনন্দ  তোমাকে আজ আর ছোঁয় না  এত শব্দ,  এত উচ্ছ্বাস,  এত জীবন  তোমাকে ছাড়াই বহমান  দুপুর ২.৩৮মিনিট।  ২৬শে ডিসেম্বর ২০২৫. অগ্নিদেব আলিঙ্গন করে কোলে তুলে নিলেন।  রাজপুর-সোনারপুর মহাশ্মশানে শেষ হয়ে গেল এক বর্ণময়, নীতিনিষ্ঠ, দৃঢ়চেতা, সৃজনশীল, পরপোকারী জীবন।  তারপর কেটে গেল মাসাধিক সময়। আমি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কিছু লিখতে পারিনি।  এই আকস্মিক আঘাত সামলানোর শক্তি সঞ্চয় করে নিজের অনুভূতি প্রকাশে সমর্থ হতে এই সময়টা জরুরী ছিল।  কারণ জীবনের এমন এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে এই মানুষটিকে পেয়েছিলাম এবং এমন এক গভীর আন্তরিক ও সৃজনশীল সম্পর্কের মধ্যে একসাথে পথ হেঁটেছি দীর্ঘ সময় যে এই চিরকালীন বিচ্ছেদ স্বভাবতই আমার কাছে একটা চরম ধাক্কা ছিল।  আমি প্রদীপদার কথা বলছি। সেই প্রদীপদা যিনি নীরবে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার form fill up এ সাহায্য করতেন। সাধারণ, অতি সাধারণ মানুষের সাথে সহজ সরল বন্ধুর মত মিশতেন, পাশে থাকতেন।  সমাজের সর্ব স্তরের মানুষ বিশেষত নারীদের প্রতি ছিল শ্রদ্ধা ও সম্মান।...

জলপাইগুড়ি জেলার জল্পেশ মেলা প্রাচীন সংস্কৃতি অঙ্গ

Image
*জল্পেশ মেলা*  :- সঞ্জয় কুমার মিশ্র       গত ১৫ ই ফেব্রুয়ারী রবিবার শিবরাত্রির দিন থেকে রাজ্যের অন্যতম প্রাচীন মেলা জল্পেশ শৈব তীর্থ মন্দিরে শুরু হয়েছে। এই মেলা ও এই মন্দির এখন উত্তরবঙ্গে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয়। কলকাতা ছাড়া অসম, ভুটান থেকেও অনেক ব্যবসায়ী মেলায় এসেছেন তাঁদের পসরা নিয়ে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর তাদের স্টল সাজিয়েছেন। মেলায় স্থায়ী সাংস্কৃতিক মঞ্চে বসেছে লোকসঙ্গীতের আসরও।      এই ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যমণ্ডিত মন্দিরটি জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়িতে অবস্থিত। এর পাশেই রয়েছে জর্দা নদী। কারও কারও মতে, দশম শতকে মন্দিরটি গড়ে ওঠে। তবে ইতিহাসবিদরা বলেন, সপ্তদশ শতাব্দীতে যখন এই মন্দির নতুন ভাবে সংস্কার করা হয় সেই সময় থেকেই মন্দির চত্বরে মেলা শুরু হয় শিব চতুর্দশীতে। কোচবিহারের রাজা প্রাণনারায়ণ ১৬৩২ থেকে ১৬৬৫ খ্রিস্টাব্দ এবং তার পুত্র মোদনারায়ণ ১৬৬৫ থেকে ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দির সংস্কার করেন। পুরাণ অনুযায়ী, এই মন্দির হাজার বছরের পুরনো। অনেকেই বলেন, দিল্লির মুসলমান স্থপতিরা এই মন্দির তৈরি করেন বলে মন্দিরের চূড়া এখনও গম্বুজাকৃতি। মন্দি...