Posts

ব্যক্তি আক্রমণে অসমের কলুষিত রাজনীতি

Image
ব্যক্তি আক্রমণে কলুষিত অসমের রাজনীতি  প্রদীপ দত্ত রায়  অসমের সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্রমে যেন কলুষিত হয়ে পড়ছে। এবারের নির্বাচনে ব্যক্তি কেন্দ্রিক আক্রমণ গণতান্ত্রিক মর্যাদাকে কতটা হানি পৌঁছিয়েছে সেটা ভেবে দেখা প্রয়োজন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা গেছে দলের চেয়ে যেন ব্যক্তি বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা এ যাবৎ কাল লক্ষ্য করে এসেছি দলীয় নীতি-আদর্শের বিরুদ্ধে লড়াই হয় ভোটের ময়দানে। কিন্তু কোনও প্রার্থীর নামে কুৎসা রটনা করা, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এ ধরনের ঘটনা আগে লক্ষ্য করা যায়নি, যা এবার লক্ষ্য করা গেল। তাছাড়া দলীয় নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে দল বদলে অন্য দলে ভিড়ে মনোনয়ন লাভ করার ঘটনাও নজিরবিহীন হয়ে রইল অসমে। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ব্যক্তিগত আক্রমণের ঘটনার লক্ষ্য করা গেলেও বরাক উপত্যকায় এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। বরাকের রাজনীতিতে সৌজন্যবোধ অনেকটাই এখনো টিকে রয়েছে। এক প্রার্থী অপরপ্রার্থীর কাজকর্মের সমালোচনা করেছেন এমন কিছু বয়ান বাজী ভোটের প্রচারে স্থান করে নিলেও তা শালীনতার মাত্রা ছাড়িয়ে যায়নি। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ছোট ছোট একান্ত ব্যক্তিগত খাদ্যরুচি...

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলায় আগুন ঝড়া ভাষণ দিচ্ছেন

Image
১৭ এপ্রিল, গুয়াহাটি -রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অমল গুপ্ত:   অসমের মুখ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে আগুন ঝড়া ভাষণ দিচ্ছেন।কুচবিহারে বলেন" মমতা সরকার বাংলাদেশের মুসলিমদের জামাই আদর করে এই রাজ্যে নিয়ে আসছে।" হিন্দুদের সংখ্যা ৬০ শতাংশের তলে চলে যাবে। ,২০ বছর পর এই রাজ্যে হিন্দু শূন্য হয়ে পড়বে।,   বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর লাগাতার আক্রমণ চলছে। অসম সরকার বাংলাদেশীদের তারাচ্ছে  আর মমতা সরকার জামাই আদর করে ওপারের   বাংলা দেশী দের নিজের  রাজ্যে  পশ্চিমবঙ্গে আমন্ত্রণ করে আনছেন।আগামী ২০ বছরে পশ্চিম বঙ্গ হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন বিজেপি  রাজ্যে মাছ মাংস খাওয়া নিষিদ্ জবাবে হিমন্ত জবাবে বলেন তার রাজ্যে যত খুশি মাছ মাংস খেতে  পারে  কেউ আপত্তি করবে না। আপনারা আমাকে আমন্ত্রণ করে আনুন আর মাছ মাংসের ভোজ করুন সবাই মিলে খাবো।অসমের মুখ্যমন্ত্রী বাংলা হিন্দী ভাষাতে জ্বালাময়ী ভাষণ পশ্চিমবঙ্গ বাসীর নজর কেড়েছে।বিজেপি অসম  রাজ্যিক ৫০ জনের দল পশ্চিমবঙ...

তারাপদ বিশ্বাস চলে গেলেন

Image
পরলোকে আমরা বাঙালীর সমাজ আন্দোলনের দীর্ঘ দিনের সাথী তারাপদ বিশ্বাস নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ আমরা বাঙালী সংঘটনের প্রবীন নেতা তারাপদ বিশ্বাস গত ১৪ই এপ্রিল কলিকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে পরলোক গমন করেন৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বৎসর৷ তিনি স্ত্রী দুই পুত্র ও পুত্রবধূ রেখে গেছেন৷ বেশ কিছুদিন তিনি অসুস্থ ছিলেন৷ গত ৯ই এপ্রিল তাঁকে কলিকাতায় একটি বেসরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ সেখানে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন ১৪ই এপ্রিল অপরাহ্ণ ৫-৪০ মিনিটে৷ তারাপদ বিশ্বাস আমরা বাঙালী আন্দোলনে সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিলেন৷ তিনি একজন বাগ্মী ও তাত্ত্বিক নেতা ছিলেন৷ গোর্খাল্যাণ্ড প্রসঙ্গে ও এন.আর.সি, সিএএ, সাম্প্রতিক এস.আই.আর নিয়ে তাঁর তথ্যনিষ্ঠ ও যুক্তিপূর্ণ আলোচনা কর্মীদের সমৃদ্ধ করেছে৷ তাঁর প্রয়াণে আমরা বাঙালী একজন দক্ষ তাত্ত্বিক নেতাকে হারালো৷ আমরা বাঙালীর প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সচিব বকুলচন্দ্র রায় বলেন---তারাপদ দার  অকস্মাৎ প্রয়াণে সমাজ আন্দোলনের কর্মীরা একজন যোগ্য সাথীকে হারালো৷ বিশেষ করে এইসময় যখনপশ্চিমবঙ্গের এককোটি বাঙালী রাষ্ট্রহীন হবার আতঙ্কে ভুগছে তখন সমাজ আন্দোলনে তারাপদদার মতো মানুষের খুব প্রয়োজন...

কিঞ্চিৎ গ্রন্থ উপহার অভিযান

Image
*FOURTH PHASE: কিঞ্চিৎ গ্ৰন্থ উপহাৰ অভিযান* ( ১ জানুৱাৰীৰ পৰা ৩১ মাৰ্চলৈ, ২০২৬ ইং)  -------------------------------- প্ৰথম, দ্বিতীয় আৰু তৃতীয় অভিযানৰ সফল ৰূপায়ণৰ ফলশ্ৰুতিত অগণন সাহিত্য - সাংস্কৃতিক- আৰু বৌদ্ধিক সমাজৰ পৰা অপুৰণীয় প্ৰশংসা,আশীৰ্বাদ, শুভেচ্ছায় অনুপ্ৰাণিত হৈ আকৌ চতুৰ্থ পৰ্যায়ত '' কিঞ্চিৎ -২০২৫ " গ্ৰন্থৰ সৌজন্য মূলক  সংখ্যা অবশিষ্ট কিছু পুৰোধা ব্যক্তিসকলক  উপহাৰ দিয়াৰ  সিদ্ধান্ত লোৱা হৈছে। এই মহৎ উদেশ্য সৰোগত কৰি আজি  *গোৱালপাৰা মহাবিদ্যালয়ৰ অসমীয়া বিভাগৰ  অৱসৰপ্ৰাপ্ত অধ্যাপক, প্ৰতিষ্ঠিত বিশিষ্ট লেখক, Sailenjit Sarma* ছাৰক কিঞ্চিৎ গোষ্ঠীৰ বৰপেটা ৰোড, আৰণ্যকত থকা স্থায়ী কাৰ্যলয়ত  সন্মানীয় শ্ৰীযুত হিৰণ্য কুমাৰ নাথ ডাঙৰীয়াই  (*আজীৱন কিঞ্চিৎ শুভাকাংক্ষী*) এখন ফুলাম গামোচাৰে শৰ্মা ছাৰক  সম্বৰ্ধনা জ্ঞাপন কৰে।   এই চেগতে... ৰূপান্তৰৰ শিল্পী ৰূপকোঁৱৰ জ্যোতি প্ৰসাদ আগৰৱালা বিশেষ বহুভাষিক গ্ৰন্থ "*কিঞ্চিৎ ২০২৫*"  সংখ্যা এটি মই উপহাৰ দিলোঁ । (  ডা:মানিক লাল ভৌমিক)      প্ৰধান সেৱক ...

অসমে বসন্ত বিহু উৎসবে যুব প্রজন্ম হার্টথ্রব জুবিন গর্গ কে স্মরণ

Image
  গুয়াহাটি -রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অমল গুপ্ত  : এবারে  বিহু উৎসবে অসমে ছিলাম।অসমের গুয়াহাটি উপকন্ঠে রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে    বিহু উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ হল। রাণী    জয়ন্তী পুর     এবং রাণী চকে বিহু উৎসবে  জুবিন  কে   শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। জুবিন এর হৃদয় স্পর্শ  করা , "মায়াবিনী" গানটি পরিবেশন  করা হয়। গুয়াহাটি দিশ পুর প্রেসক্লাবে  মর্মিতা মিত্র  বিখ্যাত গানটি পরিবেশন করেন। আবেগিক   গান  পরে  এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।এই প্রতিবেদক  দিস পুর  প্রেস ক্লাবের  প্রাক্তন সভাপতি তাঁকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। রাণী জয়ন্তীপুর  বিহু সম্মিলনে  সাংবাদিক অমল গুপ্ত ,বিশিষ্ট নাগরিক উজ্জ্বল ডেকা প্রমুখ কে সম্বর্ধনা  জানানো হয়।   জয়ন্তি পুর  যুব সংঘ এবং  জয়ন্তী পুর অগ্রণী মহিলা সমাজ যৌথ উদ্যোগে   ১৪ এপ্রিল রাণী তে বিহু উৎসবে অনুষ্ঠিত হয়।  দুই সংস্থার স...

অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এলেন

Image
অমল গুপ্ত 15এপ্রিল, গুয়াহাটি - রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে:অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  গতকাল পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে প্রচার অভিযানে গিয়েছেন।কলকাতা বিমানবন্দরে মিঠুন চক্রবর্তী  সঙ্গে দেখা হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ   সঙ্গে দেখা হয়।একসঙ্গে দুজনে বাংলায় প্রচার চালাবেন । এই প্রতিবেদক ,40বছর পর কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে  ভোট   দেবে। বিগত 40 বছর অসমের গুয়াহাটি শহরে পত্নী  সান্তনা গুপ্ত সঙ্গে  নিয়ে দুজনে একসঙ্গে দিস পূর  কেন্দ্রে ভোট দিয়েছিল। পত্নী মারা যান।এই প্রথম নিজের জন্মভুমি কান্দি তে ভোট দেবে।   এই প্রতিবেদকের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল।  তাই প্রতিববেদক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে  কান্দিতে জেল রোডে নিজের জন্মভুমি  তে আমন্ত্রণ  জানাচ্ছে, সাক্ষাৎ করতে চাই। প্রসঙ্গত অমল গুপ্ত অসমের accrediated জার্নালিস্ট  সঙ্গে অসমের কার্ড আছে।  পত্নী সন্তনা গুপ্ত গুয়াহাটি দিস পুর কিশলয় বিদ্যাপীঠের শিক্ষিকা ছিল বছর তিনেক আগে মারা গেছে।  বহুদিন  কান্দ...

বাবা সায়েব ভীমরাও আম্বেদকরের জন্মদিনে শ্রদ্ধা

গতকাল বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের জন্মদিনে  ইতিহাস, তথ্য ও  তর্ক গ্রুপের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছে  এই লেখাটি। _______________________________ আম্বেদকর, জাতপাতের  বিনাশ এবং  আধুনিকতা সম্পর্কিত কিছু বিতর্ক __________________ বাবাসাহেব আম্বেদকরের ‘ জাতপাতের বিনাশ’  ( Annihilation of Caste) নামে ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত বইটি যে আদতে একটি অপ্রদত্ত  বক্তৃতা ছিল  সেটা বইয়ের মুখবন্ধে স্পষ্ট করেই বলা আছে। হিন্দুধর্মের সংস্কার সাধনে  উদ্যোগী বর্ণহিন্দুদের  সংস্থা জাতপাত তোড়ক মণ্ডল ( যা ছিল দয়ানন্দ সরস্বতী প্রতিষ্ঠিত আর্যসমাজের র‍্যাডিকাল অংশ ) লাহোরে তাদের অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে আম্বেদকরকে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য ডেকেছিল। গোল বাধে আম্বেদকরের প্রস্তাবিত বক্তৃতার বয়ান নিয়ে । আম্বেদকরের বক্তব্যের কিছু কাটছাঁট দাবি করেন মণ্ডলের পরিচালকরা যেটা করতে বাবাসাহেব সঙ্গত কারণেই রাজি হন নি। ফলে সেখানে সভাপতিত্ব করা বা বক্তৃতা দেওয়া কোনোটাই করা হয়ে ওঠে নি বাবাসাহেবের। অচিরেই এই না দেওয়া বক্তৃতাটাই বই হয়ে বেরোয় এবং বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। আমরা এখানে এই বইটির বক্তব্য...