Posts

বিজেপি বিভাজন মূলক রাজনীতি : দেবব্রত

Image
বিজেপিৰ বিভাজনমূলক ৰাজনীতি আৰু সাম্প্ৰদায়িক মন্তব্যৰ বিৰুদ্ধে এক স্পষ্ট সকীয়নি! 🛑 কালি বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেৱে আমাৰ পৱিত্ৰ সংবিধান, গণতন্ত্ৰ আৰু অসমৰ সমাজ জীৱনক অপমান কৰি যিবোৰ সাম্প্ৰদায়িক মন্তব্য কৰিছে, সেয়া অত্যন্ত গৰিহণাযোগ্য। যিজন ব্যক্তিয়ে সংবিধানৰ শপত লৈ বিধায়ক হৈছে, তেওঁ আচলতে "লুপহ'ল নহয়, মেনহ'ল আছে" বুলি কৈ বাবাসাহেব আম্বেদকাৰকে ধৰি সংবিধান প্ৰণেতাসকলকহে চৰম অপমান কৰিছে। যেতিয়া নিৰ্বাচন আয়োগৰ বিৰুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব আৰু ভোটাৰৰ নাম কৰ্তনৰ অভিযোগ উঠে, তেতিয়া বিজেপিয়ে প্ৰকৃত তদন্তৰ সলনি আয়োগক বচাবলৈহে উঠি-পৰি লাগে কিয়? আমাৰ প্ৰতিবাদ নিৰ্বাচন আয়োগৰ বিৰুদ্ধে, কিন্তু ভোট-জলকীয়া লাগিছে বিজেপিত! ইয়েই প্ৰমাণ কৰে যে নিৰ্বাচন আয়োগ আৰু বিজেপিৰ মাজত কিবা এক বুজাবুজি চলি আছে। মূল্যবৃদ্ধি, নিবনুৱা সমস্যা আৰু দুৰ্নীতিৰ পৰা ৰাইজৰ দৃষ্টি আঁতৰাবলৈ ১৯৪৭ চনৰ দেশ বিভাজনৰ দোহাই দি ৰাস্তাৰ নাম সলনি কৰাৰ কথা কোৱা বিজেপিয়ে পাহৰি গৈছে যে শ্যামা প্ৰসাদ মুখাৰ্জীয়ে দেশ বিভাজনকাৰী ফজলুল হকৰ লগতে মুছলিম লীগৰ সৈতে মিলি চৰকাৰ গঠন কৰিছিল। অসমৰ প্ৰাক্তন মহিলা...

দুর্গা পুজো নিয়ে আজও দাদা গিরি চলছে

Image
 পুজোতে আজও দাদাগিরি চলছে  বিদায় নিয়েও বিদায় নেয় না দখলদারির পুজো দেবদূত ঘোষঠাকুর পুজোয় কতটা 'দিদিগিরি' করেছেন মমতা? গান-থিম লিখেছেন। প্রতিমার চোখ এঁকেছেন। এমনকী একবার প্রতিমা তৈরি হয়েছিল তাঁর নির্দেশেই।...মমতা হেরেছেন নির্বাচনে। তাঁর সরকার চলে গিয়েছে। কিন্তু দুর্গাপুজোয় শাসকের 'দাদাগিরি' রয়েই গিয়েছে। এই প্রথম তাই বাগবাজার সর্বজনীন ঠিক সময়ে মণ্ডপের কাজ শুরু করতেই পারেনি। পুজোর প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্যায়ের বিচার চলছে শহরের অতিথিশালায়। সেরা প্রথম দশের বাছাই শেষ। এর মধ্য থেকেই প্রথম পাঁচ বাছাই হবে। এই সময় হন্তদন্ত হয়ে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকলেন পুরস্কারের মূল স্পনসর। কানে মোবাইল ফোন। ঘন ঘন রুমাল দিয়ে মুখ মুছছেন তিনি। উদ্যোক্তাদের কাছে তাঁর কাতর আবেদন। প্রথম তিনে রাখতেই হবে একটি পুজোকে। না হলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। বন্ধ করে দেবে ওরা। নয়তো চামড়া গুটিয়ে দেবে। শাসক দলের এক প্রথম সারির নেতার পুজো সেটি। বিচারক দলের প্রধানও সমাজের কেউকেটা মানুষ। তিনিও নিজেদের নম্বর তালিকা বদল করবেন না বলে গোঁ ধরে বসে আছেন। একসময় বিচারকরা ফল ঘোষণার আগেই বেরিয়ে ...

বিশ্ব হিরো ক্যাপ্টেন স্মিত

Image
গ্লোবাল হিরো ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছার ~সমুজ্জ্বল মুম্বইয়ের ঘাটকোপার। এক চিলতে ব্যালকনি। আকাশে তখন মেঘেদের লুকোচুরি। বাবার হাত শক্ত করে চেপে ধরে বারো বছরের ছেলেটা জিজ্ঞেস করেছিল, "মেঘের দেশে বাতাস কতটা ঠাণ্ডা হয় বাবা?" বাবা ছেলের মাথায় হাত রেখে বলেছিলেন, "স্বপ্ন যদি খাঁটি হয় রে স্মিত, আকাশের কোনো ঝড় তোকে থামাতে পারবে না।" ছেলের জেদ সত্যি হয়েছিল। ম্যানেজমেন্টের নিশ্চিত, নিরাপদ ভবিষ্যৎ ছেড়ে স্মিত বেছে নিয়েছিলেন বোয়িং-এর ককপিট। দীর্ঘ এগারোটি বছর ভারতীয় আকাশে ঝড়ের মুখে ডানা মেলেছেন তিনি। দিল্লির বুক কাঁপানো কুয়াশা, শ্রীনগরের বরফঢাকা রানওয়ে—প্রতিটি মুহূর্ত তাঁকে চিনিয়েছিল জীবনের দাম। জুনিয়রদের তিনি প্রায়ই বলতেন—"ককপিটে বসলে নিজের প্রাণ বলে কিছু থাকে না। তোর পেছনের দরজার ওপারে বসা প্রতিটা মানুষের নিঃশ্বাস তোর নিজের নিঃশ্বাসের চেয়ে দামি। এই চারটে সোনালি স্ট্রাইপ চাকরির অহংকার নয়, ওটা ১৭৪টি পরিবারের পবিত্র আমানত।" সাড়ে ছয় হাজার ঘণ্টার অভিজ্ঞতার সেই খাঁটি মানুষটি যখন ফ্লাইদুবাইয়ের সম্মানিত ক্যাপ্টেন হলেন, মরুশহরে বসেও তিনি ছিলেন সেই ঘাটকোপারের চেনা ছেলেটি।...

ভোট বেলায় লাশ কোথায় ,ভোট আউট না অভিনয় ?

Image
ভোট বেলায় লাশ কোথায়, ভয় আউট না অভিনয়? দেবদূত ঘোষঠাকুর  একটা উপনির্বাচন বলে কথা। আর রাজ্যটা পশ্চিমবঙ্গ।  কিন্তু বৈপরিত্যটা দেখুন।  একটুও 'বডি' পড়ল না! গুলি চলল না! বালতিতে, ঝোপঝাড়ে বোমা মিলল না! বোমা বানাতে গিয়ে হাত-পা উড়ল না কারো! রাজ্যটিকে কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বলে মনে হচ্ছে না। তা হলে কি ভয় আউট  করিয়ে ছাড়ল রাজ্যের নতুন সরকার? নাকি আরও বেশি ভয় মানুষকে ঘরবন্দি করে রেখেছে। তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।    পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ক্ষমতা বদল বা উপনির্বাচন যাই হোক না কেন, রাজনৈতিক উত্তাপ এবং একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার কৌশলগত ট্র্যাডিশন এই এই উপনির্বাচনে কিন্তু দেখা যায়না।  আসল কথাটা হল, যাদের সব থেকে বেশি প্রতিবাদ করার কথা সেই মমতা তৃণমূল লড়াই ছেড়ে দিয়েছে। না হলে নির্বাচনের আট দিন আগে কী ভাবে ওই দলেরই প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গিয়ে বসে থাকেন? নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরে এই প্রতিবেদনে লেখার সময় পর্যন্ত (৩০ সেপ্টেম্বর) একবারের জন্যও মমতা বা অভিষেক প্রচারে যাননি একবারের জন্যও। দেখা যায়নি দলের সাংসদ ...

২০২০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দেশে ১লাখ ৮৪ হাজার শিশু কন্যা ধর্ষনের শিকার:এন সি আর বি

Image
অমল গুপ্ত ,১ অক্টোবর ,গুয়াহাটি কলকাতা :  দেশের শিশু কন্যাদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না বিজেপি সরকার। প্রতিদিন প্রতি ২৩ মিনিটে একজন করে ধর্ষনের শিকার হচ্ছে। ২০২০ শাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত  এক লাখ ৮৩ হাজার হাজারের বেশি শিশু কন্যা  ধর্ষনের শিকার হয়েছ ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরো উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান বলছে দেশে   নারীদের বিরুদ্ধে আক্রমনের ঘটনা কমছে না।সব রাজনৈতিক দল সংগঠন  সঙ্গে দেশের  অশিক্ষিত সমাজ এই  অপরাধের জন্যে মূলত দায়ী।  নারীদের নিরাপত্তা পাশাপাশি দেশের বিচার ব্যবস্থা গরীব মানুষদের স্বার্থ পূরণ করতে পারছে না। ধনী গোষ্ঠীর কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে । অধিকাংশ বিচারপতির দিকে আঙ্গুল তোলা যেতে পারে সৎ নিরপেক্ষ ভাবমূর্তি নেই। দেশের ডাক্তারদের প্রতি ও একই অভিযোগ ।গরীব মানুষের সুস্থতা তাদের লক্ষ্য নয়। টাকা কামানো আর রুগীদের  রক্ত   পান  করা।  এই অবক্ষয় সমাজে নারীদের মর্যাদা নেই।সম্মান নেই।প্রতিদিন ধর্ষণ  চলছে চলবে।

শিলচরে দুর্গা পুজোতে নয়া ঠাহর নিয়ে সম্পাদক অমল গুপ্ত উপস্থিত থাকবেন

Image
নয়াঠাহর সংবাদদাতা ১অক্টোবর ,শিলচর: বদরপুর: বাঙালিদের শারদোৎসব সমাগত । সমস্ত বাঙালির আনন্দ উৎসবের সাথে যুক্ত  শারদীয় বই প্রকাশনা শেষমুহুর্ত । উৎসবে পূজা সংখ্যা প্রকাশ ও উন্মোচন হতে চলছে "নয়াঠাহর" বাংলা নিউজ এবং লিটারারি ওয়েব পোর্টাল-এর তরফ থেকে প্রকাশ হচ্ছে বাংলা পুজো সংখ্যা ১৪৩৩ প্রতি বছরের মতই। এই  অনুষ্ঠান এবার আসামের বরাকে পূজা বাষিকী বা শারদীয় সংখ্যা উন্মোচন  হতে চলছে শিলচর।    এবার প্রকাশ হচ্ছে, সাহিত্য চর্চা,গল্প,কবিতা,উপন্যাস,প্ররিবেশ ,সমালোচনা ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন লেখকের প্রবন্ধ ও প্রতিবেদন।        " নয়াঠাহর " পরিবারের মুখ্য পুরোটা বিশিষ্ট প্রবীণ সাংবাদিক আসাম তথা কলকাতার অমল গুপ্ত । যিনি কলকাতা সহ আসামের  বিভিন্ন  সংবাদপত্রের সাথে জড়িত ব্যাক্তি  এবার  'কান্দি-র' অনুষ্ঠান মহালয়ার দিনটিতে  শিলচর  অনুষ্ঠান  স্নিগ্ধা চ্যাটার্জি "উত্তীয়" নামে ম্যাগাজিন  উন্মোচন হবে  । সাথে থাকছেন  নয়াঠাহর  বাংলা নিউজ এবং  লিটারারি আসাম ,কলিকাতার ওয়েব পোর্টাল-এর প্রকাশক ও স্...

দুবাই থেকে ইজরায়েল যাওয়ার পথে ১৮০ জন যাত্রীর প্রাণ বাঁচিয়ে ছেন ভারতীয় পাইলট স্মিত

Image
অমল গুপ্ত ,১ অক্টোবর :গুয়াহাটি ,কলকাতা: গতকাল দুবাই ।বোয়িং ৭৩৭ মাক্স;৮ বিমান চালিয়ে ইজরায়েল যাওয়ার পথে সহকারী  ওমান এর পাইলট হঠাৎ   আক্রমণ করে বসে।ভারতীয় প্রধান পাইলট   স্মিত   মচ্ছর  ঘাবড়ে না গিয়ে যাত্রীদের  সহযোগিতা নিয়ে আক্রমনকারী পাইলট কে কাবু করে    হাত পা বেঁধে ফেলা হয়।পাইলট স্মিত  ছুরির আঘাতে রক্তাক্ত হন।৩৪;হাজার ফুট উপরে থাকার সময় ককপিটে এই হামলার ঘটনা ঘটে।বিমানটি ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় নেমে আসে। ককপিটে দুই পাইলট মারপিট , চেঁচামেচি শুনে এক যাত্রী কপিট দরজা খুলে দেখে পাইলট স্মিত গুরুতর আহত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। এর পরেও ভারতীয় পাইলট উঠে অন্য যাত্রীদের পাশে নিয়ে আক্রমনকারী পাইলট কে বেঁধে ফেলে।বিমানের স্টিয়ারিং হাতে নিয়ে  সৌদী আরবের তাবুক বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করে। প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতা নিয়াহু বলেছেন ভারতীয় পাইলট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। সারা বিশ্ব প্রশংসা করেছে ভারতীয় পাইলটের।  তার বুক কাঁধ  পেটে ছুরি চাল...