Posts

অসমের কিঞ্চিৎ গোষ্ঠী মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুর শহরে

Image
..... নয়া ঠাহর, সংবাদাতা, বহরমপুর    *"কিঞ্চিত"  ( আন্তঃরাষ্ট্রীয় সাহিত্য সামাজিক সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী) র অন্তর্গত  ' মুর্শিদাবাদ শাখা ( পশ্চিম বঙ্গ)" গঠন*। "*স্থান: বহরমপুর ব্যারাক স্কোয়ারে মাঠের চৌতারা মঞ্চ*", "*দিনাঙ্ক: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং ( শুক্রবার)*",   অদ্যকার সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ঠ কবি,লেখক, জ্যেষ্ঠ নাগরিক ,অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ,  শিক্ষাবিদ মাননীয় শ্ৰী অরবিন্দ সরকার মহাশয়। বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত কবি, সাহিত্যিক, সমাজসেবক ,কন্ঠ শিল্পী থেকে শুরু করে  বুদ্ধিজীবী গুণীজনের সমাবেশে সভার কাজকর্ম সুন্দর ও সুচারুভাবে সম্পন্ন হয়।  উল্লেখনীয়, বিশিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যে অজ উপস্থিত ছিলেন ..... আকাশবাণী ও দূরদর্শনের উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিল্পী  "মাননীয় জয় কুমার ধারা" .... ,  সিনেমা- চলচিত্রের অভিনেতা ও কবি- " সৈয়দ শীষ মহম্মদ মহাশয়, .... সাহিত্যিক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের ভাই সৈয়দ নোমান ও  ভাইপো সৈয়দ হুমায়ুন রানা , ...... কান্দি শহরের প্রখ্যাত কবি ও বাচিক শিল্পী ...

বাংলাদেশ - পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তে ব্যাপক হারে গাঁজা , পোস্ত চাষ ,বিজেপি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না

Image
অমল গুপ্ত ,,২৮ সেপ্টেম্বর গুয়াহাটি ,কলকাতা    প্রধানমন্ত্রী নেশা মুক্ত দেশ গড়ার আশ্বাস   বাস্তবায়িত হচ্ছে না তৃণমূল  সমর্থক   দুষ্কৃতি  চোর ডাকাত আজও বহাল তবিয়তে  রাজ্যে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।কোচবিহার  ,উত্তরবঙ্গ , বাংলাদেশ সীমান্তের ৫৫০ কিলোমিটার জুড়ে নেশা যুক্ত গাঁজা পোস্ত বা পপি চাষ হচ্ছে ব্যাপক ভাবে  বিজেপি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।ব্যাপক হারে গাঁজা চাষের খবর  বেরিয়েছে ২৮ সেপ্টেম্বর আনন্দবাজারের  মুর্শিদাবাদ অন্যাজেলার পাতায়। এই   বে আইনি  গাঁজা  চাষের পিছনে উত্তর প্রদেশ ,রাজস্থান  লবী আছে। একটি গাছ বড় হলে সাত আর্ট হাজার  টাকা দাম পাওয়া যায়। গাঁজার সঙ্গে মারাত্বক নেশা পোস্ত বা পপি গাছে গোপনে চাষ হচ্ছে বলে অভিযোগ  উড়িয়ে দেওয়া  যায় না।উত্তর পূর্বের মনিপুর পাহাড়ে ব্যাপক হাতে  পপি চাষ হচ্ছে কোটি কোটি টাকার মাদকের  ব্যবসা।মণিপুরে প্রাক্তন মুখ্য মন্ত্রী দেবেন্দ্র সিং উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

অসমের নওগাঁ লোকসভা উপনির্বাচন

-:নগাওঁ লোকসাভা সমষ্টির উপ নির্বাচন ও কয়েকটি কথা :- ‎       প্রতিবেদক - বিজয় চক্রবর্তী। ‎        হোজাই । ‎ ‎১০ নং  নগাওঁ  লোক সভার উপ নির্বাচনে AIUDF প্রধান, আসামের বিন্নাকান্দি সমষ্টির বর্তমান বিধায়ক মৌলানা বদর উদ্দিন আজমল প্রার্থী পদে অবতীর্ন হওয়ায় কংগ্রেসের শক্তি শালী ভিতে কম্পনের সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি মহল উৎফুল্লিত।নির্বাচনী ময়দানে ১৫ জন প্রার্থী আছেন, কিন্তু মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কংগ্রেস বিজেপি এবং AIUDF এর মধ্যে - ত্রি কোনি লড়াই। ‎      আসাম রাজনীতির চাণক্য মূখ্যমন্ত্রী ড: হিমন্ত বিশ্ব শর্মার উদ্যোগে অকালেই সমষ্টির সীমা পুনর্নির্ধারণ হওয়ার পর হোজাই জিলার তিনটি বিধান সভা সমষ্টি নগাওঁ লোক সভা সমষ্টি থেকে কর্তন হয়। নগাওঁ জিলার তিনটি বিধান সভা সমষ্টি নগাওঁ লোক সভা সমষ্টিতে যুক্ত হয়। এই তিনটি বিধান সভা সমষ্টি কলিয়াবর লোক সভা সমষ্টির অন্তর্গত ছিলো। বৰ্ত্তমান   নগাওঁ  লোক সভা সমষ্টি ৮ টি বিধান সভা সমষ্টি নিয়ে গঠিত। ‎১:- জাগিরোড, মরিগাওঁ, লাহরি ঘাট -মরিগাওঁ জিলার অন্তর্গত। এই তিনটির মধ্যে জাগিরোড ও ...

কান্দি বাঘডাঙ্গা প্রগ্রেস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি সর্বাঙ্গ সুন্দর উপস্থাপনা

Image
অমলপপি0পিপিএলএলএলপি099999,gg Utt gs  অমল গুপ্ত ,কান্দি জেল রোড : কান্দি শহরে বহু এন জি ও আছে।ব্যতিক্রম  বাগ ডাঙ্গা প্রগ্রেস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ,আজ পাঁচ  বছর পূর্ণ হল।।এই সোসাইটি দেশের জ্বলন্ত  সমস্যা পরিবেশ স্বাস্থ্য ,নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সম্পাদক  সদা ব্রত সিনহা জানান গত পাঁচ বছরে মানুষের কাছ থেকে বিপুল  সারা পাওয়া গেছে। কান্দি বিধায়ক তথা প্রতিমন্ত্রী গার্গী ঘোষ দাস এক  শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়ে  সোসাইটি কাজ কর্মের প্রশংসা করেছেন। টটো   চালক আকর শেখ   ,সাংবাদিক অমল গুপ্ত কে সম্বর্ধনা জানানো হয়। কেক কেটে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শ্রমজীবী  হাবু শেখ   এবং হায়দার শেখ নির্মল বাংলা কাজ করেন তাদের দুজন কে সম্বর্ধনা জানানো হয়।। কান্দি পদাতিক ড্যান্স একাডেমি  পক্ষে  শিশু দের নৃত্য প্রদর্শন করা হয়।। নিট পরীক্ষায় সফল ডাক্তার       জাহিদা  খাতুন  , কে সংবর্ধনা জানানো হয়। জাহিদা মুর্শিদাবাদ জেলার গর্ব জাহিদা খাতুন।   আর জি কর মেডিকেল কলেজ ভর্তি হয়েছেন।তি...

শিলচরে নাগরিক সমস্যা , পুর নিগম নির্বাচন

Image
শিলচরের নাগরিক সমস্যা ও পুরনিগম নির্বাচন প্রদীপ দত্তরায়  পুরনিগম ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। এই নির্বাচন দুটো কারণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমতঃ প্রায় ছ'বছর পর শিলচরে পুরভোট হচ্ছে। এবং দ্বিতীয়ত পুরসভা থেকে পুরনিগমে উত্তরিত হবার পর এটাই প্রথম পুরনিগম নির্বাচন । তাই সেই অর্থে এটি ঐতিহাসিকও বটে।  বর্তমানে ৪২ টি ওয়ার্ডের সবকটিতেই প্রার্থীরা জোরদার প্রচার চালাচ্ছেন। বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি শোনা যাচ্ছে।  এটা বলা বাহুল্য যে পুরভোটে স্থানীয় ইস্যুই প্রাধান্য পায়। তাই পুরনিগমের অধীনে বর্ধিত শিলচরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানই প্রচারের আলোয় আসা উচিত। এটি দুর্ভাগ্যের বিষয় যে নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র এবং দুটি ওয়ার্ডে প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহার নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে, যা মূল ইস্যু থেকে নাগরিকদের দৃষ্টি সরিয়ে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে। সে যাইহোক, যারা এবার নির্বাচিত হবেন, তাঁদের উপর জনগনের ব্যাপক প্রত্যাশা থাকবে। এবং এই গুরুদায়িত্ব আগামীতে তাঁরা কতটা দক্ষতার সাথে সামলাতে পারবেন,তার উপরই শহর শিলচরের নাগরিকদের প্রাপ্তির অভিলেখ ও ভাগ্য নির্ধারিত...

বিদ্যাসাগরে কে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন

Image
বিদ্যাসাগর তাঁর সারা জীবনে প্রচুর মানুষের উপকার করেছিলেন কিন্তু প্রতিদানে উপকৃতরা তাঁর শুধু সমালোচনাই করেছিলেন। ওপরের ছবিটি নিমতলা মহাশ্মশানে তার মরদেহের ছবি, যে  ফটোগ্রাফার রেড ছবিটি তুলেছিলেন, তিনি তার ফটোগ্রাফী ব্যবসার সূচনায় দিল্লিতে একটি দোকান করেন। কিন্তু ব্যবসায় প্রভূত লোকসান হওয়ায় নিতান্ত বাধ্য হয়ে কলকাতায় ফিরে এসে যখন আবার নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছেন, সেসময় ওনার ডাক আসে ওপরের ফটোটি তোলবার জন্য। ফটোটি তোলবার সময় তাঁর মুখটা দেখা যাচ্ছিল না, তাই শবযাত্রীবৃন্দ মৃতদেহকে ঠেলে কিছুটা উপরের দিকে তুলে দেন।   তবে,উনিই বোধহয় একমাত্র যিনি বিদ্যাসাগর সমন্ধে বলেছিলেন,    “তৎকালে ধনাঢ্য লোকের তো কথাই নাই, মধ্যবিত্ত গৃহস্থ পর্যন্ত এই ছবি কিনিয়া গৃহে রাখিয়া দিয়াছিলেন…. দিল্লিতে থাকিয়া যে লোকসান দিয়াছিলাম, কলিকাতায় আসিয়া বিদ্যাসাগর মহাশয়ের কৃপায় তাঁর চতুর্গুণ লাভ করিয়াছি। একটি কথা আপনাদিগকে প্রাণ ভরিয়া বলিতেছি, বিদ্যাসাগর মহাশয় জীবিত থাকিয়া অনেকের অনেক উপকার করিয়াছিলেন, কিন্তু মৃত্যুর পরেও তিনি আমার এই পরম উপকার করিলেন!” সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশন বিজেপি দলের কার্যালয় : দেবব্রত সৈকিয়া

Image
প্ৰধানমন্ত্ৰী নৰেন্দ্ৰ মোদীৰ শাসনত নিৰ্বাচন আয়োগক বিজেপিৰ এক দলীয় কাৰ্যালয়লৈ পৰ্যবসিত কৰা হৈছে। 'Special Intensive Revision' (SIR)-ৰ নামত সমগ্ৰ দেশৰ ১৩ কোটি যোগ্য ভোটাৰৰ নাম তালিকাৰ পৰা কৰ্তন কৰি শাসকীয় দলক কৃত্ৰিমভাৱে নিৰ্বাচন জিকাবলৈ এক সুপৰিকল্পিত 'ভোট চুৰি'ৰ ব্লুপ্ৰিণ্ট ৰচনা কৰা হৈছে। ​আন দুজন নিৰ্বাচন আয়ুক্তৰ ১৪ বাৰকৈ জনোৱা লিখিত আপত্তি আওকাণ কৰি মুখ্য নিৰ্বাচন আয়ুক্ত জ্ঞনেশ কুমাৰে যিদৰে একনায়কত্ববাদী কায়দাৰে নিজৰ ব্যক্তিগত সম্পত্তিৰ দৰে আয়োগ চলাই আছে, সেয়া অসাংবিধানিক আৰু দেশৰ বাবে চৰম অশনি সংকেত। মোৰ দৃঢ় দাবী— ১) গণতন্ত্ৰ লুণ্ঠনৰ মূল কাণ্ডাৰী মুখ্য নিৰ্বাচন আয়ুক্ত জ্ঞনেশ কুমাৰে তৎকালীনভাৱে পদত্যাগ কৰিব লাগে! ২) ১৩ কোটি ভোটাৰৰ নাম কৰ্তনৰ এই SIR প্ৰক্ৰিয়া অনতিপলমে বাতিল কৰিব লাগে। ৩) নিৰ্বাচন আয়োগৰ সকলো কাৰ্যকলাপৰ এক নিৰপেক্ষ সংসদীয় তদন্ত হ'ব লাগে। ​এই অগণতান্ত্ৰিক আৰু ফেচীবাদী কাৰ্যকলাপৰ বিৰুদ্ধে প্ৰতিগৰাকী সচেতন নাগৰিক আৰু যুৱ সমাজ একত্ৰিত হোৱাৰ সময় আহি পৰিছে। ​জয় হিন্দ! জয় আই অসম!