Posts

কান্দি জেমোতে শান্তনু সিংহ বিশ্বাস এর প্রসাদ

Image
শান্তনুর প্রাসাদের মতো বাড়ি কান্দিতে, উঁকিঝুঁকি বাসিন্দাদের   কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা বর্তমানে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের প্রাসাদের মতো বাড়ি নিয়ে এখন জোর চর্চা চলছে মুর্শিদাবাদের কান্দিতে। শান্তনু বর্তমানে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হেফাজতে।            শান্তনু আদতে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি পুরসভা আট নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। যার বোন গৌরী সিংহ বিশ্বাস তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার সহকারী পুরপ্রধান। বুধবার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শান্তনুর বোন সেখানে নেই। একটি তালা বাড়ির ফটকে ঝুলছিল। আর আছে স্থানীয় বাসিন্দাদের উঁকিঝুঁকি। কান্দির পুরপ্রধান তৃণমূলের জয়দেব ঘটক বলেন, "গৌরীদি আপাতত ব্যক্তিগত কাজে কান্দির বাইরে আছেন।"(এবিপি সূত্রে )

অসমের রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রশ্ন নেই : দেবব্রত

Image
ৰাইজৰ সেৱাত, ৰাজ্যৰ ৰাজনীতিত মই সদায় আছোঁ আৰু থাকিম। শেহতীয়াকৈ একাংশ লোকে মোৰ নগাঁও লোকসভা সমষ্টিৰ পৰা প্ৰতিদ্বন্দ্বিতা কৰা আৰু বিজেপি দলত যোগদান কৰা সন্দৰ্ভত যি উৰাবাতৰি বিয়পাইছে, সেয়া সম্পূৰ্ণৰূপে ভিত্তিহীন আৰু এক গভীৰ ষড়যন্ত্ৰৰ অংশ। মই ৰাইজক স্পষ্ট কৰি দিব বিচাৰোঁ যে মই মোৰ দল কংগ্ৰেছৰ লগতেই আছোঁ আৰু দল ত্যাগ কৰাৰ বা উপ-নিৰ্বাচন খেলাৰ কোনো প্ৰশ্নই নুঠে। মোক অসমৰ ৰাজনীতিৰ পৰা আঁতৰাই পঠোৱাৰ এইয়া এক বিফল প্ৰচেষ্টাহে মাথোঁ। বিৰোধী দলপতি হিচাপে মই সদায় ৰাইজৰ স্বাৰ্থত, অসমৰ হকে মাত মাতি আহিছোঁ। বৰ্তমান গণতন্ত্ৰৰ প্ৰতি যি ভাবুকি আহি পৰিছে, নিৰ্বাচনী আয়োগৰ যি হতাশজনক ভূমিকা আমি দেখিছোঁ, সেয়া সঁচাকৈয়ে উদ্বেগজনক। নিৰ্বাচন শেষ হোৱাৰ লগে লগেই যেনেদৰে অত্যাৱশ্যকীয় সামগ্ৰীৰ ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি হৈছে, সাধাৰণ ৰাইজৰ পানীত হাঁহ নচৰা অৱস্থা হৈছে। আমাৰ ৰাজ্যৰ মুখ্যমন্ত্ৰীক একাংশই 'চাণক্য' বুলি আখ্যা দিয়ে, কিন্তু চাণক্য নীতিত শিক্ষিত লোকক সন্মান কৰা আৰু ৰাজহুৱা ধনৰ অপচয় নকৰাৰ কথা কোৱা হৈছে— যিটো বৰ্তমানৰ চৰকাৰৰ কাৰ্যকালত আমি দেখা পোৱা নাই। ভুৱা ডিগ্ৰী আৰু মিছা প্ৰতিশ্ৰুতিৰ...

অসমের পেনশনার সাংবাদিক সন্থা রেজিস্ট্রি ভুক্ত হল

সন্মানীয় প্ৰতিজন সদস্যলৈ পুৱাৰ অভিবাদনসহ   জনাওঁ যে এতিয়াৰে পৰা আমাৰ ' অসম পেন্সনাৰ সাংবাদিক সংস্থা' এটা চৰকাৰী পঞ্জীয়নভুক্ত সংগঠন হিচাপে চিহ্নিত আৰু স্বীকৃত হ'ল। কালিৰ দিনটোত সকলো আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন কৰাৰ প্ৰায় তিনি ঘন্টাৰ পিচতে  পঞ্জীয়নৰ প্ৰমাণপত্ৰ লাভ কৰিলো। আমাৰ পঞ্জীয়ন নম্বৰ হ'ল_ RS/KAM(M)/263/RFS-Regn. of SOC/202601955 of 2026-2027. ২০২৯ চনত এই পঞ্জীয়ন নবীকৰণ কৰাব লাগিব। এই পঞ্জীয়নে আমাক এটা ঠিকনা দিলে। ই সম্ভব হ'ল আমাৰ সহকাৰী সম্পাদক শ্ৰদ্ধাৰ ধীৰেন ডেকাৰ বদান্যতাৰ বাবেহে। তেখেতৰ প্ৰতি মই কৃতজ্ঞ। ২) এতিয়া আহিব বেংকত হিচাপ খোলাৰ কথা। অহা সোমবাৰৰ ভিতৰত এই সন্দৰ্ভত সকলো জনাব পাৰিম। ৩) সাংবাদিক পেন্সনাৰ সকলৰ  যি ৰাষ্ট্ৰীয় সংগঠন আছে আমি তাৰো সদস্যপদ বিচাৰিম। তাৰ বাবে আবেদন জনোৱাৰ যাৱতীয় কাম আৰম্ভ কৰিছো। ৪) সমান্তৰালভাবে ৰাজ্য চৰকাৰৰ সংশ্লিষ্ট বিভাগ আৰু পদাধিকাৰ সকলৰ প্ৰতিও আমাৰ পেন্সনৰ ধনৰ পৰিমাণ বৃদ্ধি আবেদন জনাম। আপোনালোক আটাইকে অচিৰেই লগ পোৱাৰ কথা চিন্তা কৰিছো। আমাৰ মাননীয় সভাপতি মহোদয়েও সভা এখন আহ্বানৰ কথা কৈছে।  সময়ত জনাম।  ভালে আছোঁ ভাল...

বিশ্বের আধ্যাত্মিক জীবনে মা কামাখ্যা উপবাসে থাকেন , ঋতুমতী হন স্বর্গীয় অনুভূতি , কেন্দ্র করে মেলা

Image
অমল গুপ্ত ,২১ মে ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ ওয়েস্ট বেঙ্গল :  অসমের নীলাচল পাহাড়ে  তলদেশে   গুয়াহাটি  মহানগরে  বহু বছর   থেকে মা কামাখ্যা আশীর্বাদ নিয়ে  জীবনের শেষ বেলায় পৌঁছিয়ে গেছি। গুয়াহাটি উপকন্ঠে রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ছোট্ট  কটেজ বানিয়েছি। সেই কুঠির থেকে নীলাচল পাহাড় কাছেই।   অসমের রানী এলিফেন্ট করিডর হিসাবে স্বীকৃতি প্রাপ্ত ,বহু বুনো হাতি আছে। কাছেই গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন     দিপার বিল পরিযায়ী পাখিদের   মেলা বসে শীত কালে।বিশাল জলাশয়  ইরানের রামসার সাইট হিসাবে  অনুমোদন প্রাপ্ত। কয়েক হাজার বর্ণময়  পাখিদের  বিচিত্র সমাহার , জৈব বৈচিত্র্যের    উর্বর ক্ষেত্র ,  নানা প্রজাতির পাখি কীটপতঙ্গ মাছ,  সাপ, প্রজাপতি ,ব্যাং , এর প্রধান আকর্ষণ । মিষ্টি জল , এই রাজ্যে বড় অভাব। পাশেই রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল ,   শিলং পাহাড় অপরদিকে অসমের বনাঞ্চল  মাঝের প্রায়" নো ম্যান ল্যান্ড" ফাঁকা জায়গায...

" সেভেন সিস্টার" চিকন নেক , ১২০ কিলোমিটার অঞ্চল কেন্দ্রীয় সরকারকে হস্তান্তর করে দিল বিজেপি

Image
অমল গুপ্ত ,২০ মে,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ ;  বাংলদেশে ভারত বিরোধী জামাত ,জেহাদি  বার বার উত্তর পূর্বের প্রবেশ দ্বার সেভেন সিস্টার  দখলের হুমকি  দিয়ে আসছে। শুভেন্দু   অধিকারী স রকার ক্ষমতায় বসেই  সেভেন সিস্টার  অর্থাৎ শিলিগুড়ি সংলগ্ন অঞ্চল ১২০ কিলোমিটার  কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে  হস্তান্তর করে দেয়। এই অঞ্চল ভারতের নিরাপত্তা  ক্ষেত্রে গুরুত্বপুর্ণ। তৃণমূল সরকার ভারত বাংলদেশে সীমান্ত অঞ্চলে বিএসএফ  কে দায়িত্ব দেইনি।বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী   এই রাজ্যে অবাধে প্রবেশ করছে। তাদের অধিকাংশ তৃণমূল সমর্থক। একহাজার ।কিলোমিটার  বেশি  সীমান্ত খোলা  বিজেপি সরকার বিএসএফ কে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।গতকাল ২৭ মিলিমিটার হস্তান্তর করেছে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কে উত্তর বঙ্গে সফরে গিয়ে সেখানে এইমস ,ক্যান্সার হাসপাতাল  গড়ার কথা বলে ফিরলেন। উত্তর কন্যা মুখ্যমন্ত্রীকে  বিপুল ভাবে সম্বর্ধনা জানানো হয়।প্রতিমাসে মুখ্যমন্ত্রী হবেন। বিজেপি সরকার ডিটেক্ট  ডিলিট ,এবং শরণার্থী ছাড়া বাক...

মুখ্যমন্ত্রী ভাইপো সম্পত্তি ১৭ টি হদিস

Image
১৭টি সম্পত্তির ঠিকানায় নোটিস. ৭ দিনে ভাঙতে হবে বেআইনি নির্মাণ. অনড় তৃণমূল নেতা  অভিষেকের ৪৩ সম্পত্তি, দুয়ারে পুরসভা  কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ৪৩টি সম্পত্তির তথ্য নিয়ে চর্চা শুরু হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারির পরে। কলকাতা পুরসভার কর-রাজস্ব বিভাগ থেকে ওই সম্পত্তিগুলির যে তথ্য জানা গিয়েছে, তাতে মালিক হিসাবে একটি নাম অভিন্ন- 'অভিষেক ব্যানার্জি' পুরসভা সূত্রের খবর, তেমন ১৭টি সম্পত্তির ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগে। নোটিস গিয়েছে কালীঘাট রোডে অমিত ব্যানার্জি এবং লতা ব্যানার্জির নামে থাকা একটি সম্পত্তিতেও।(এবিপি সূত্রে)

১৯ মে ১৯৬১ সাল বরাক উপত্যকা ভাষা দিবস

Image
*১৯ মে ১৯৬১, শিলচর, বরাক উপত্যকা — বাংলা ভাষা দিবস*   অসম সরকার বাংলা বাতিল করে অসমিয়া একমাত্র সরকারি ভাষা করলে প্রতিবাদে রেল-রোকো হয়। পুলিশের গুলিতে ১১ জন শহীদ হন। *১১ জন ভাষা-শহীদ – এক লাইনে:* ১. *কমলা ভট্টাচার্য* – ১৬ বছর, ছাত্রী। প্রথম মহিলা ভাষা-শহীদ।   ২. *শচীন্দ্র পাল* – রেলকর্মী।   ৩. *বীরেন্দ্র সূত্রধর* – টাইপিস্ট।   ৪. *কানাইলাল নিয়োগী* – রেলকর্মী।   ৫. *চণ্ডীচরণ সূত্রধর* – রেলকর্মী।   ৬. *হিতেশ বিশ্বাস* – ছাত্র, ১৮ বছর।   ৭. *সত্যেন্দ্র দেব* – রেলকর্মী।   ৮. *কুমুদরঞ্জন দাস* – রেলকর্মী।   ৯. *সুনীল সরকার* – ছাত্র।   ১০. *তরণী দেবনাথ* – ব্যবসায়ী।   ১১. *সুকোমল পুরকায়স্থ* – রেলকর্মী, ঘটনার পরদিন হাসপাতালে মারা যান। *ফল:* এই আত্মত্যাগের পর অসম সরকার বরাক উপত্যকায় বাংলাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা দিতে বাধ্য হয়। তাই ১৯ মে শুধু অসম নয়, সারা বিশ্বের বাঙালির কাছে ‘বাংলা ভাষা দিবস’। শহীদদের প্রণাম