দুর্গা পুজো বাংলার অর্থনীতি শক্তিশালী ইঞ্জিন
দুর্গাপুজো বাংলার অর্থনীতর শক্তিশালী ইঞ্জিন দেবদূত ঘোষঠাকুর মা দুর্গা সমৃদ্ধির দেবী। একসময় রাজা কিংবা জমিদারদের মধ্যে সমৃদ্ধির লড়াই চলত। কোন রাজা বা জমিদার কত প্রকারের ভোগ দিতে পারেন, কত লোককে খাওয়াতে পারেন, কত দান করতে পারেন তা নিয়ে ছিল বিস্তর প্রতিযোগিতা। রাজার সমৃদ্ধির লড়াইয়ে পকেট ভরত প্রজাদের। তাঁরা দু'হাত তুল রাজাকে আশীর্বাদ করতেন। তাঁর স্তুতিতে আকাশ বিদির্ন হত। রাজার লাভ বলতে এটাই। অর্থাৎ কী না দুইপক্ষের মধ্যে দেওয়ি নেওয়ার সম্পর্ক ছিল। ইংরেজ আমলের 'দেশিয় রাজা' দের পুজোয় (কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় ইংরেজদের বসানো রাজারা ) কিন্তু প্রজাদের জন্য কিছুই করতেন না। তাঁদের বৈভবের 'প্রসাদ' পেতেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্তারা, ব্রিটিশ রাজকর্মচারী আর শহরের বাবুরা। ব্রিটিশ শাসককে তোষামদ করার হাতিয়ার ছিল দুর্গাপুজো। উপহার হিসেবে দামী দামী রত্ন, সোনার উপহার ব্রিটিশ শাসকেরা ইংলন্ডে নিয়ে যেতেন। এ ভাবে দেশের সম্পদ দেশের বাইরে চলে যেত। বস্তুত পক্ষে বারোয়ারি পুজোর প্রথম দিকটাতেও পুজো ছিল মূলত একটি সামাজিক অনুষ্ঠান। মানুষ তখন ব্...