Posts

তদন্ত দুর্বল , রায় ও দুর্বল( অসমীয়া কপি)

দুৰ্বল তদন্ত-দুৰ্বল ৰায় ন্যায় বঞ্চিত ভুক্তভোগী চন্দ্ৰ কুমাৰ শইকীয়া ,গুয়াহাটি  ভাৰতীয় ন্যায় ব্যৱস্থা পৃথিৱীৰ ভিতৰতে শক্তিশালী আৰু সৰ্বোত্তম৷ ভাৰতীয় ন্যায় ব্যৱস্থাৰ প্ৰতি বিশ্বৰ সকলো দেশেই সন্মান প্ৰদৰ্শন কৰে৷ কিন্তু কেতিয়াবা কিছুমান ৰায়দানে সাধাৰণ মানুহৰ ন্যায় ব্যৱস্থাৰ প্ৰতি আস্থা হেৰাই যায়৷ স্বয়ং সৰ্বোচ্চ ন্যায়ালয়ত যেতিয়া হত্যা ধৰ্ষণৰ ভুক্তভোগীৰ পৰিয়ালে ন্যায় নাপায় তেতিয়া বাৰু দুৰ্বল মানুহে কাক আশা কৰিব ? সেয়া এক উত্তৰবিহীন প্ৰশ্ন৷ যোৱা ২০১৭ চনত অসমৰ হোজাই জিলাৰ এখল বিদ্যালয়ৰ প্ৰধান শিক্ষক অৰ্ণমাই বৰাৰ জঘন্য ধৰ্ষণ আৰু হত্যাৰ গোচৰত অভিযুক্তক দোষমুক্ত কৰি উচ্চতম ন্যায়ালয়ে পুনৰবাৰ অসম আৰক্ষীৰ দুৰ্বল অপৰাধ তদন্তৰ ওপৰত চৰ্চা লাভ কৰে। নিম্ন আদালতত দোষী সাব্যস্ত হোৱাৰ পিছত মূল অভিযুক্তক দোষমুক্ত কৰাৰ গৌহাটী উচ্চ ন্যায়ালয়ে দিয়া ৰায়ক সমৰ্থন কৰি উচ্চতম ন্যায়ালয়ে স্পষ্ট কৰি দিয়ে যে বিচাৰ বিভাগে যুক্তিসংগত সন্দেহৰ বাহিৰত গোচৰটো প্ৰতিষ্ঠা কৰাত ব্যৰ্থ হৈছে। আচলতে লেহেমীয়া তদন্তই দশক দশক ধৰি দ্ৰুত ন্যায় প্ৰদানৰ পথত এক ডাঙৰ বাধা হৈ আহিছে। আমি যিমানেই জঘন্য অপৰাধৰ পিছত আদৰ্শ ন্যায়ৰ ব...

আই প্যাক বিরুদ্ধে অধীর চৌধুরী অভিযোগ

Image
আইপ্যাকের বিরুদ্ধে অভিযোগ অধীরের   ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে শাসকদল তৃণমূল এবং তাঁদের ভোট কুশলি সংস্থা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুললেন কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য অধীর চৌধুরী। শনিবার দুপুরে অধীর দাবি করেছেন, "মুর্শিদাবাদ জেলা জুড়ে তৃণমূল বুঝতে পারছে, যে তাদের ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে চলেছে এই নির্বাচনে। তাই নির্বাচনের পরিপরই আইপ্যক খোকাবাবুর নির্দেশে মুর্শিদাবাদে যেখানে যেখানে কংগ্রেসের জেতার সম্ভাবনা আছে, সেই সব প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা শুরু করেছে এবং তাঁদেরকে নানা রকমের অফার দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।"       যা শুনে বহরমপুর মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, "অধীর চৌধুরী হেরে গিয়ে আইপ্যাকের নাম করে তৃণমূলে যোগদান করার রাস্তা খুঁজছেন না তো? উনি আদতে কংগ্রেস নয়, মোদী কংগ্রেস করেন। তার একাধিক উদাহরণ রয়েছে। উনি টাকা নিয়ে কংগ্রেস অযোগ্যদের টিকিট দিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।"     অধীরের অভিযোগ, " আইপ্যাকের লোকেরা অন্য পরিচয় দিয়ে যোগাযোগ করিয়ে তাদের বাড়িতে এসে তাঁদের ফোনে খোকাবাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করাচ্ছে খো...

হিন্দু হৃদয় সম্রাট হিমন্ত আমাদের ভগবান : বিধায়ক অসীম সরকার

Image
অমল গুপ্ত ,২৬ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ  ,পশ্চিমবঙ্গ:  অসমের মুখ্যমন্ত্রী  হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আজ ২৬ এপ্রিল  এবিপি আনন্দ টিভি চ্যানেলে বসে দাবি করলেন  অসমে বিজেপি ১০০ টি আসন দখল করবে। পশ্চিমবঙ্গে ডাবল সেঞ্চুরি করবে।তৃণমূল নেতা অভিষেক  বন্দোপাধ্যায়  একই চ্যানেলে বসে আজ দাবি করেন পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ২০০ টির বেশি আসন পাবে।মুখ্যমন্ত্রী  মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন তৃণমূল আবার সরকার গড়বে। আবার আজই  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ দাবি করেন তৃণমূল সরকার  যাচ্ছে।  অসম থেকে এসে অসমের  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  বঙ্গে লাগাতার প্রচার চালাচ্ছে। গতকাল  হরিণঘাটা কেন্দ্রে  জনপ্রিয় কবিয়াল  বিধায়ক অসীম সরকার  হিমন্ত কে নিয়ে গান বেঁধেছেন  মঞ্চে গাইলেন "হিন্দু হৃদয় সম্রাট হিমন্ত তুমি আমাদের ঈশ্বর তুমি ভগবান।" সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত মহিলা ভক্তরা গান গাইলেন। এর মধ্যে জনসভায় , মামামা  মামা রব উঠলো।আসনে নতুন প্রজন্মের কাছে হিমন্ত খুব জনপ্রিয়।"মাম মামা" বলে পরিচি...

" পশ্চিম বঙ্গে বিজেপি ঝড় নয় বিজেপি সুনামি হবে "

Image
অমল গুপ্ত ,২৫ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ ;  পশ্চিমবঙ্গে  ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে।আগের সব রেকর্ড  ভেঙে গেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা লাগাতার প্রচার চালাচ্ছেন।,২৫ এপ্রিল তিনি সাংবাদিকদের জানান  পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি পক্ষে ঝড় নয় সুনামি শুরু হয়েছে। রাজ্যে বিজেপি ডাবল সেঞ্চুরি করবে। উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য  নাথ বলেন উত্তর প্রদেশে ২৫ কোটি জনসংখ্যার রাজ্যে সেখানে  রাস্তায় কেউ নামাজ  পড়ে না। আর নামাজ পড়ার সময় চিৎকার করেনা। নীরবে প্রার্থনা করে।।  অসম বাংলা অধিকাংশ  জায়গায় নামাজ পড়তে  মাইক ব্যবহার করা হয়। যোগী আদিত্য নাথ আজ নবদ্বীপ  মহাপ্রভু ধর্ম স্থানে  বিশাল জনসভায় ভাষণ দেন।   অভিনেত্রী হেমা মালিনী ,অভিনেত্রী কঙ্কনা  রোড শয়ে বলেন বাংলা মহিলা  রাতে বেড়োতে পারে না। নিরাপত্তা নেই।হেমা মালিনী ও একই কথা বলেন। বিশিষ্ট অভিনেতা মিঠুন  চক্রবর্তী  ওপ্রচার চালাচ্ছেন। প্যানিহাটি তে প্রধান মন্ত্রী অভয়ার মায়ের  পক্ষে প্রচার করেন। বিজেপি প্রার্থ...

ভাষা শহীদদের অধিকার রক্ষার আন্দোলন পাশে আছে "নয়া ঠাহর"

Image
নয়া ঠাহর ,শিলচর সংবাদদাতা সামাজিক- রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত ভেদাভেদ ভুলে উনিশের মিছিলে সহযোগী হন সবাই - আওয়াজ উঠুক ভাষা শহিদদের স্বীকৃতির দাবিতে - বিডিএফ। আসন্ন উনিশে মের মিছিল নিয়ে সম্প্রতি শিলচরে একটি সভা আয়োজিত হয়েছে। এতে উদ্যোক্তরা দুই তিনটি মিছিলের পরিবর্তে উনিশে মের দিন সমস্ত সংগঠন মিলে একটি মিছিল করার প্রস্তাব রেখেছেন। একটি সংগঠন এতে আপত্তি জানিয়েছেন, যেহেতু তাঁরা ইতিমধ্যেই ১৭ মেতে এই রকম একটি কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা ও প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছেন। যাইহোক একটি সংগঠনের এনিয়ে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের বাধ্যবাধকতা থাকতেই পারে। তবে উনিশে মের প্রস্তাবিত মিছিলে সব ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সবার অংশগ্রহণের আহ্বান জানাল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। এক প্রেস বার্তায় বিডিএফ মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন যে উনিশের মিছিল এমনটাই হওয়া উচিত যা সমগ্র দেশে বরাক উপত্যকার সামগ্রিক ঐক্যের ছবিকে প্রতিফলিত করে এবং যাতে এই ঐক্যের বার্তা সবার কাছে পৌঁছায়। তাই সাংগঠনিক- রাজনৈতিক,ব্যক্তিগত সব ভেদাভেদ ভুলে উনিশের মিছিলে সবাইকে সহযোগী হবার আহ্বান জানাচ্ছে বিডিএফ। তিনি আশা প্রকাশ কর...

ভোটে হিন্দুরা জোট বেঁধে ভোট দিয়েছে

Image
ভোটের আগের চিন্তা স্বপন দাস, কলকাতা দেশ ভাগের পর প্রচুরসংখ্যক হিন্দু উদ্বাস্তু অত্যাচারিত হয়ে পশ্চিম বঙ্গে এসেছে।সেতুলনায় কোন মুসলমান ওদিকে যায় নি।যারা গেছিল নেহেরু লিয়াকত চুক্তির পর চলে এসেছে। কিন্তু  হিন্দুরা ফেরত যায় নি। এই মতুয়ারা যোগেন মন্ডলের জন্য থেকে গেছিলো এখন তারাও প্রচুর সংখ্যায় আসছে।মুসলমানরাও অসংরক্ষিত সীমানা দিয়ে ঢুকে পড়ছে।আজ সারা পশ্চিম বঙ্গে তিনটে জেলা মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ। বাংলাদেশে একটাও হিন্দু গরিষ্ঠ জেলা নেই। সুতরাং জনমানসে একটা বিশাল ক্ষোভ জন্ম নিচ্ছে।বিশেষ করে পশ্চিম বঙ্গের আদি হিন্দুদের মধ্যে যাদের জায়গা জমি দখল হয়ে গেছে। অনেকে সেই প্রশ্নের সমাধান খূঁজছে। আগামী দিনে এটাই পশ্চিম বঙ্গের আসল মুদ্দা। কারন বাংলাভাগের উদ্দেশ্যটাই অসফল করার একটা চেষ্টা চলছে। ভোটের জন্য কিছু রাজনৈতিক দলও তার অংশীদার। পশ্চিম বঙ্গের জনগণ এবার দুরদর্শিতার পরিচয় দেয় কিনা সেটাই দেখার বিষয়।এবার হিন্দ রাজ্যে পাবে তো?

অসমের কামাখ্যা মন্দিরে মাথায় কংক্রিটের জঙ্গল পাহাড় ধসে পড়তে পারে

Image
অমল গুপ্ত ,২৪ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ :  কয়েকদিন আগে  গুয়াহাটি  থেকে কান্দি ফেরার সময় একবার নীলাচল পাহাড়ে মাথায় কামখ্যা  মন্দির দর্শন করতে গিয়ে পারলাম না ,এত বেশি যানবাহন  এত বেশী ,  বড় বড় ভবন পাহাড় সবুজ  দখল করে নিয়েছে । নীলা কাশ হারিয়ে গেছে।ভূমিকম্প প্রবণ পাহাড়  পাহাড় ধস নামলে   প্রাণহানির ঘটনা ঘটে যেতে পারে।সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। পাহাড়ের জল দ্রুত সমতলে নেমে আসার  রাস্তা কোথায়। পাহাড়ের ধর্ম স্থানে এর ভিড় কেন ?   পাহাড়ে খোলা জায়গা নেই আকাশ কোথায়।    অম্বুবাচী মেলার সময় ১০,১৫   লাখ প্রাণ মানুষ পাহাড়ে ভিড় জমায়।চারদিন মন্দির বন্ধ থাকে।   ভারতের তীর্থ  চুরা মনী  বলে খ্যাত অসমের কামখ্য ধ্যম দেশ বিদেশের পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বল ভূমিকা আছে। পাহাড়ে যত দূর চোখ যায়  কংক্রিটের জঙ্গল বেড়েই চলছে।