Posts

কান্দি বাসী রেল পাবে না।চৌরিগাছা - কান্দি বাস সেবা বাধা কোথায়? শুধুই মিথ্যা আশ্বাস?

Image
কান্দি বাসী হতাশ  :- শ্রী সঞ্জয় কুমার মিশ্র, সদস্য কান্দি রেলওয়ে সংযুক্তি করণ কমিটি       প্রাক্তন প্রধান মন্ত্রী মাননীয় অটল বিহারী বাজপেয়ী জি বলেছিলেন যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত নাহলে সভ্যতা এগোয় না। তাই সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে বড় উদ্যোগ নিল রেল মন্ত্রক। রাজ্যসভায় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণ, আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা গুরুত্বপূর্ণ রেল প্রকল্প এবার নতুন করে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। রেল দপ্তর সম্প্রতি ১৭ টি রেল প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে যার মধ্যে কিছু নূতন লাইন ও আছে । দীর্ঘদিন ধরে আশায় বুক বেঁধে থাকা কান্দি বাসী এই তালিকায় চৌরিগাছা সাঁইথিয়া ভায়া কান্দি এই ৫৬.৫ কিঃমিঃ রেলপথের নাম দেখতে না পেয়ে স্বভাবতই হতাশ । তবে কান্দি রেলওয়ে সংযুক্তি করণ কমিটির সদস্য রা এই তালিকা দেখে মোটেও হতাশ নয় বরং আন্দোলন আরোও জোরদার করার জন্য স্থানীয় বিধায়ক ও সাংসদ দের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে রেল দপ্তর কে পত্রাঘাত করেই চলেছে কারন কান্দির নব নির্বাচিত বিধায়িকা মহাশয়া নির্বা...

রাণী ঘরভাঙ্গা দিপার বিল হাতি করিডর সহ ভারতে ১৫০ টি হাতি করিডোর সংরক্ষণের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

Image
অমল গুপ্ত ,২২ আগস্ট,কলকাতা গুয়াহাটি ,: ভারতের বিভিন্ন জঙ্গলে   ২২ হাজারের বেশী  হাতি আছে।হাতিদের দৈনন্দিন খাদ্য সন্ধানে ,প্রতিদিন ১০ -১৫  কিলোমিটার ঘোরা ফেরা করতে হয়। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে সুপ্রিম কোর্ট   দেশের হাতিদের করিডর সংরক্ষণ নির্দেশ দিয়েছে। দেশের সবুজ জঙ্গল উজাড় হয়ে যাচ্ছে।হাতিদের যাতায়াতের করিডর ধ্বংশ করা হচ্ছে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্প্রতি এই নির্দেশ দিয়েছেন।অসম দক্ষিণ ভারতে মানুষ হাতি সংঘর্ষে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে। হাতিদের ইলেকট্রিক তারে জড়িয়ে  বিষ  খাইয়ে হত্যা করা হয়। একটি হাতি প্রতিদিন ৮-১০ কুইন্টাল সবুজ পাতা খাই। নির্দিষ্ট রাস্তায় যাতায়াত বাধা পেলে ভাঙ্গ চুর করে। লবণ ,দেশী মদ ,কাঁঠাল  কলা গাছ খাওয়ার লোভে বুনো হাতিরা যেকোন কাজ করতে   তৈরি থাকে। কলা গাছ  জড়িয়ে উপড়ে ফেলে দাঁত দিয়ে চিরে ভেতরের অংশ থোর খাই। দেশী মদ ভালবাসে,লবণ খোয়ার লোভ সংবরণ করতে পারেনা।রান্না ঘর ভেঙে ফেলে।  মৌমাছির গুণ গুণ শব্দ কে ভীষণ ভয় পায়। উত্তর পূর্ব রেলওয়ে এক অফিসার লাউ...

তারাপীঠ পর কলকাতা হোটেলে আগুন মৃত্যু , মৃত্যু তদন্ত কমিটি, দুদিন বাদ আবার আগুন l

অমল গুপ্ত ,১৯ আগস্ট ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ : রবিবার শ্রাবণের শেষ সন্ধ্যা তারাপীঠ হোটেলে আগুন ,তিনদিন বাদ কলকাতা মির্জা স্ট্রীট হোটেলে আগুন বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা করতে আসা দু জন সহ ৯ জনের  প্রাণ গেল।। দু জায়গা  তারাপীঠ হোটেল "বিদেশিনী" পর  কলকাতার "শিখা ইন" পুলিশ "মদ্যপ" অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করেছে। হোটেলে এলার্ম বাজেনি ,নামার অপরিসর রাস্তা  ।একই বাড়িতে  পাঁচটি হোটেল। বেরোবার একটি মাত্র রাস্তা , অগ্নি নির্বাপক ভাল কোনো ব্যবস্থা নেই। একই ফ্লোর  চার পাঁচটি  হোটেল। ফায়ার সেফটি নেই। কলকাতার হাজার হাজার বে আইনি হোটেল। অধিকাংশ অগ্নি নির্বাপক ব্যাবস্থা নেই। কলকাতায় হাজার হাজার বেআইনি হোটেল  দালাল চক্র ,কমিশন রাজ ,পুলিশ রাজ  সক্রিয়   কলকাতা তারাপীঠ একই দুর্নীতি। এবার তদন্ত হবে।পুলিশ ছুটে আসবে। আবার দুদিন বাদ আগুন লাগব।অভিযুক্ত সব ছাড়া পেয়ে যাবে। কলকাতা বহুবার দেখছে। দমকলের সদর দপ্তর  পাশেই হোটেল , হাজার অনিয়ম ,কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।প্রধান অভিযুক্ত সবাই  ছাড়া পাওয়া যাবে। আগের দমকল মন্ত্রী  চুরি করে জেলে...

অবহেলিত উপেক্ষিত কান্দি মহকুম,া চিকিৎসা স্বাস্থ্য উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই

শূন্য ঝুলি পূর্ণ হবে কবে ? শ্রী সঞ্জয় কুমার মিশ্র, জেল রোড,  কান্দি        মুর্শিদাবাদ জেলার সুপ্রাচীন একটি মহকুমা শহর যার নাম কান্দি , যে নামটা অনেকের কাছেই অপরিচিত অজানা একটি নাম। কথাতেই আছে কান্দির বাসিন্দাদের নাকি কি কাঁদতে কাঁদতে জন্ম যায় সবার নজরের বাইরে।          সুপ্রাচীন এই জনপদ যা দেড় শতাধিক বৎসরের একটি পৌরসভা ও মহকুমা শহর,যে শহর জগদ্বিখ্যাত লালাবাবুর জন্মভিটে ,সাহিত্যিক ও বিজ্ঞানী আচার্য রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী মহাশয়ের জন্মস্থান, যে শহরে পা রেখেছেন পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়, যে মাটি সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ মহাশয়ের, শোনা যায় কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মহাশয়ের সেই বিখ্যাত গান ধন ধানে পুষ্পে ভরা সম্ভবত এই এলাকাতে সৃষ্টি,কিন্তু কোনো তথ্য প্রমাণ আমাদের হাতে নেই। এই রকম একটি জনপদ সেটা বরাবরের জন্য সকলের নজরের বাইরে থেকে গেছে । সরকার আসে সরকার যায় কিন্তু সেই ব্রিটিশ আমল থেকে আজ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এত বছর পর্যন্ত এই এলাকা অবহেলিত এবং উপেক্ষিত। এই কান্দি এলাকায় পাওয়ার থেকে না পাওয়ার তালিকা দীর্ঘ। কিছুই নাই, তার ...

জাতিঙ্গা পাখিদের আত্মহত্যা ,সংরক্ষণের উদ্যোগ

Image
জাটিঙ্গা: ‘পাখির আত্মহত্যা’ থেকে পাখি সংরক্ষণের এক অনন্য অভিযাত্রা অনুপ কুমার বিশ্বাস হাফলঙ  অসমের ডিমা হাসাও জেলার ছোট্ট পাহাড়ি গ্রাম জাটিঙ্গা একসময় বিশ্বের কাছে পরিচিত ছিল এক রহস্যময় ও বেদনাদায়ক ঘটনার জন্য। প্রতি বছর বর্ষা শেষে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি, কুয়াশাচ্ছন্ন অন্ধকার রাতে অসংখ্য পরিযায়ী ও স্থানীয় পাখি গ্রামের আলোয় এসে পড়ত। বহু বছর ধরে এই ঘটনাকে ভুলভাবে "পাখির আত্মহত্যা" বলা হলেও গবেষণা প্রমাণ করেছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং নির্দিষ্ট আবহাওয়া, কুয়াশা, প্রবল বাতাস এবং কৃত্রিম আলোর কারণে বিভ্রান্ত হয়ে পড়া পাখিদের একটি স্বাভাবিক আচরণ। কিন্তু মানুষের অজ্ঞতা সেই বিভ্রান্ত পাখিদের জন্য হয়ে উঠেছিল মৃত্যুর ফাঁদ। ১৯৯২ সালের একটি সংবাদ প্রতিবেদন সেই নিষ্ঠুর বাস্তবতারই দলিল। প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল "Killed, Roasted and Gobbled Up"। শিরোনামই যেন জানিয়ে দিচ্ছিল, কী নির্মম পরিণতির মুখোমুখি হতে হতো সেই নিরীহ পাখিদের। তখন মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই চার শতাধিক পাখি মারা গিয়েছিল। গ্রামবাসীরা বাঁশের লাঠি হাতে অন্ধকারে অপেক্ষা কর...

বাঙালিদের মাতৃ ভাষায় নাম নথিভুক্ত করার আহবান বিডিএফের

কারো বক্তব্য বা প্ররোচনায় প্রভাবিত না হয়ে জনগননায় রাজ্যের প্রতিজন নাগরিককে নির্ভয়ে নিজের প্রকৃত মাতৃভাষা নথিভুক্ত করার আহ্বান জানাল বিডিএফ। সারা দেশের সাথে আসামেও জনগননার কাজ শুরু হয়েছে। আগামীতে গননাকারীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এমতাবস্থায় রাজ্যের প্রতিজন নাগরিককে নির্ভয়ে নিজের প্রকৃত মাতৃভাষা নথিভুক্ত করার আহ্বান জানাল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট। এক প্রেস বার্তায় বিডিএফ মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন যে রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যে আসন্ন জনগননায় বরাকের বাসিন্দা ও জনজাতিদের নিজস্ব মাতৃভাষা নথিভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্য অবশ্যই সাধুবাদ যোগ্য এবং বিডিএফ এর পক্ষ থেকে তাঁরা এজন্য তাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। জয়দীপ এদিন বলেন যে জনগননা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে দেশের জনগনের আর্থিক, সামাজিক,ভাষিক ও জাতিগত বৈশিষ্ট্যের তথ্যভান্ডার তৈরি করা হয়।জনগননার তথ্য অনুযায়ী সরকারি সমস্ত ভবিষ্যত স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়। তাই জনগননায় নাগরিকরা কি তথ্য নথিভুক্ত করছেন তার উপর আগামীতে তাঁদের জন্য প্রযোজ্য প্রশাসনিক ...

পশ্চিমবঙ্গের পবিত্র তারাপীঠ আজ দুর্নীতি মদ, মাংস আর বে আইনি নির্মাণের ধাম পরিণত

Image
অমল গুপ্ত ,১৭ আগস্ট ,কান্দি জেল রোড মুর্শিদাবাদ : পশ্চিমবঙ্গের পবিত্র তীর্থস্থান  তারাপীঠ আজ  কলকাতার মত  বে আইনি   ভবনের   তীর্থক্ষেত্র। লাগামহীন দুর্নীতি অগ্নি   নেভানোর কোনো ব্যবস্থা নেই। দমকল গাড়ি পৌঁছনোর রাস্তা নেই। কলকাতার মত ড্রেন নেই।    পাঁচ তলা হোটেল  এর পিছনের তালা বন্ধ , ৭ জন আবাসিক পুড়ে মারা গেল। এই চরম  গাফিলতির দায় ভার কেউ নিচ্ছে না। শ্রাবণের শেষ সন্ধ্যা হাজার হাজার  ভক্ত , ভিড় , অধিকাংশ মদ মাংস মাতাল দের ভির। সবাই নিরামিষ মাংস খেতে রামপুরহাট পাশে তারা পীঠ  মন্দিরে পূর্ন্য অর্জন করতে যান। খাসির মাংস আবার নিরামিষ  !   তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন কয়েক হাজার মদ মাংসের দোকান। নিয়ম নীতি মেনে চলা হোটেল নেই। মন্দির দর্শনে ব্যাপক হারে দুর্নীতি টাকা পয়সা না দিলে মন্দির দর্শন করা  যায় না বলে  ভক্ত দের বহু অভিযোগ। হাজার হাজার খাসির মাংসের সঙ্গে আইনি বে আইনি   দূষিত মদ, সঙ্গে দুর্নীতি  তো আছেই। বিষ ইনজেকশন দেওয়া খাসির  মাংস   বিষাক্ত মদ...