Posts

তৃণমূল দল পরাজয়ের একমাসের মধ্যে দুভাগ হয়ে গেল

অমল গুপ্ত ,৪জুন কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ :   আজ ৪জুন তৃণমূল  ভেঙে দুভাগ হয়ে গেল। আজ ৪ জুন  ও  ঋতু ব্রত  বন্দ্যোপাধ্যায় কে বিরোধী দল পতি করে  ৫৮ জন তৃণমমূল বিধায়ক  বিধানসভার স্পিকার কে  চিঠি দেন।  ৫৮ জন উপস্থিত থেকে   এই দাবি জানান। ঋতব্রত বলেন অভিষেক  ব্যানার্জী সঙ্গে ১৮ তম বিধানসভার কোনো সম্পর্ক নেই। পরিষদীয় দলের সঙ্গে অভিষেকের কোনো সম্পর্ক নেই। আজ কার্যত মমতা সঙ্গে অভিষেক  আলাদা হয়ে গেলেন। আজকের নতুন পরিষদীয় দিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে প্রধান উপদেস্টা হিসাবে  মনোনীত করা হল। এদিকে মমতা তৃণমূল দলের সব কমিটি কে ভেঙে দিলেন। অপরদিকে  গ্রেফতার এড়াতে  অভিষেক বাড়িতে ইডি  তাঁর বাড়িতে যান।তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মুজমুন্দার কে আজ গ্রেফতার করা হয়েছে

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিশেষ প্রতিবেদন :::উষ্ণতা বেড়েই চলেছে ,হিমবাহ গলছে তাপ প্রবাহ বাড়ছে , জল কষ্ট সীমা ছড়াচ্ছে

Image
অমল গুপ্ত ,  ৩ জুন ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ:  বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে। সবুজ উধাও  হয়ে যাচ্ছে ।পাহাড় প্রকৃতি জল জঙ্গল ধ্বংশ হচ্ছে.. মানুষ ঠান্ডা পানীয় খোঁজে  ফ্রিজে উপর নির্ভর শীলতা বাড়ছে ।মাটির নীচের জল তুলে প্লাস্টিক বোতলে বিক্রি হচ্ছে।আমাদের নদনদী জল নয় মাটির তলের জল  বোতলবন্দি হচ্ছে। প্রায় তিন কোটি লিটার  জল  তুলে  বাজারে  প্লাস্টিক  বোতলে বিক্রি হচ্ছে।  হিমালয়ের হিমবাহ যে গলছে, সে কথা বহু আলোচিত। 'ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভলপমেন্ট' থেকে ২০২৬ সালে প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, হিমালয়ের ৫৫,৭৮২ বগকিমি এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে ৬৩,৭০০টি ছোট-বড় হিমবাহ, যেখান থেকে জম্ম হয়েছে গঙ্গা, ব্রক্ষ্মপুত্র ও সিন্ধু-সহ এশিয়ার দশটি প্রধান নদীর। ওই নদী অববাহিকায় বাস করেন প্রায় ২০০ কোটি মানুষ। ১৯৯০-২০২০ সালের মধ্য হিমবাহ-আবৃত এলাকা ১২% কমেছে এবং ১৯৭৫ সাল থেকে এই সময় পর্যন্ত হিমবাহগুলির উপরিভাগ থেকে ২৭ মিটার গভীরতা পর্যন্ত বরফ গলে গিয়েছে। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত হিমালয়ের বিস...

অমল গুপ্ত :বিবিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে : বিশ্ব পরিবেশ দিবসের ভাবনা , চিন্তা ভাবনা নেই রাজনীতিবিদ দের ,শুধুই লুট আর লুট

Image
 ৫জুন বিশ্ব জুড়ে উদযাপিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। দেশের সুযোগ সন্ধানী অসৎ রাজনীতিবিদ ,  সমাজ বিরোধী দের   ব্যক্তিগত   আকাশ সমান  লোভ     দেশের  জল জঙ্গল পরিবেশ কে গ্রাস করেছে।  পশ্চিমবঙ্গের  ২৬ টি ছোট বড় প্রায় ১১০০  কিলোমিটার টি নদীর বালি চুরি করে নেওয়া হয়েছে। ২৬ টি পাহাড় বেশিভাগ উত্তরবঙ্গ অঞ্চলে সব পাহাড় পাথরর কেটে ধ্বংস করা হয়েছে। পরিবেশ ভারসাম্য রক্ষায় ৩৩ শতাংশ বনভূমি থেকে দরকার বঙ্গে আছে মাত্র ,১৩ শতাংশ। কাগজে কলমে ১৬ শতাংশ।  জল দূষণ এক নম্বর পশ্চিমবঙ্গ ,পবিত্র গঙ্গা  দূষিত ,উপনদী সব দূষিত ,  কলকাতার পথে ঘাটে আবর্জনা  দেশকে টেক্কা দেবে। নর্দমা পয় প্রণালী  থেকে দূষণ ছড়াচ্ছে  টয়লেট  থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। কলকাতার মেরুদণ্ডহীন প্রাণীরা  সব অন্যায় অবিচার মেনে নেয়। শুধু প্রতিবেশী রাজ্য অসম  মেঘালয়ের সঙ্গে তুলনা করা দেখুন  , গত ১৫ বছর তৃণমূল তার আগে  বাম    ফ্রন্ট ৩০ বছর  বাংলার ব্যবসা বাণিজ্য  শিল্প ধ্বংস হয়...
Image
সাড়ে তিন দশক পরে মন্ত্রী পেলেন কান্দিবাসী  সাড়ে তিন দশক পর কান্দি ফের মন্ত্রী পেল। এ বার রাজ্যে পালা বদলের পর কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন বিজেপির গাগী দাস ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন কান্দির বিধায়ক গাগী। মন্ত্রীর শপথ নেওয়ার পর গাগী বলেন, "আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না যে আমি মন্ত্রী হচ্ছি। অনেক ধন্যবাদ জানায় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে, কারণ আমাকে যোগ্য বলে মনে করেছেন।"

৩৫ জন মন্ত্রী শপথ নিলেন

Image
নতুন শপথ: পূর্ণমন্ত্রী: ১৩/ স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী: ৩/ প্রতিমন্ত্রী: ১৯   পূর্ণমন্ত্রী  ১) দীপক বর্মণ   (আলিপুরদুয়ার)  ২) তাপস রায় (কলকাতা)  ৩) শঙ্কর ঘোষ (দার্জিলিং)  ৪) মনোজ ওরিওঁ  (আলিপুরদুয়ার)  ৫) অর্জুন সিংহ  (উত্তর ২৪ পরগনা)  ৬) গৌরীশঙ্কর ঘোষ (মুর্শিদাবাদ) ৭) স্বপন দাসগুপ্ত (কলকাতা) ৮) জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় (বীরভূম)  ৯) কল্যাণ চক্রবর্তী (উত্তর ২৪ পরগনা)  ১০) অজয় পোদ্দার (পশ্চিম বর্ধমান)  ১১) শারদ্বত মুখোপাধ্যায় (উত্তর ২৪ পরগনা)  ১২) দুধকুমার মণ্ডল (বীরভূম)  ১৩) অরূপকুমার দাস (পূর্ব মেদিনীপুর)    স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী  ‌  ১৪) ইন্দ্রনীল খাঁ (দক্ষিণ ২৪ পরগনা)  ১৫) মালতী রাভা রায় (কোচবিহার)  ১৬) রাজেশ মাহাতো (ঝড়গ্ৰাম)    প্রতিমন্ত্রী  ১৭) জোয়েল মুর্মু (মালদহ) ১৮) হরেকৃষ্ণ বেরা (পূর্ব মেদিনীপুর)  ১৯) আনন্দময় বর্মণ (দার্জিলিং)  ২০) অশোক দিন্দা (পূর্ব মেদিনীপুর)  ২১) নদিয়ারচাঁদ বাউরি (পুরুলিয়া) ...

বাংলার দিকে তাকিয়ে বিশ্বর বাঙালিরা

Image
বাংলার দিকে তাকিয়ে বিশ্বের বাঙালিরা  হৃত গৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারবে কি বর্তমান সরকার? প্রদীপ দত্ত রায়  এককালে ভারতের শিল্প প্রধান অঞ্চল ছিল বাংলা। এখানকার কলকারখানায় উৎপাদিত সামগ্রী সারা ভারতে বাজারজাত হত। ব্রিটিশ শাসন আমলে দেশের রাজধানী ছিল কলকাতা। তাই এর আশপাশ অঞ্চলে শিল্প গড়ে তুলেছিল ব্রিটিশরা। কলকারখানায় কাজ করার জন্য দেশের নানা প্রান্ত থেকে মানুষ এসে জুটে ছিল কলকাতা সংলগ্ন এলাকায়। কলকাতা রুপ লাভ করেছিল মহানগরীর।  স্বাধীনতার পর একদশক এই অবস্থা থাকলেও তারপর বাংলার প্রতি কেন্দ্রের অনীহা বাড়তে থাকে। কেন্দ্রের নেতৃত্বের সঙ্গে বাংলার নেতৃত্বের বিরোধ ঘটায় বাংলায় মানুষের মধ্যেও এর প্রভাব পড়ে। ফলে কংগ্রেস সরকারের পতন ঘটিয়ে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠিত হয় বাংলায়। কেন্দ্রের অমনোযোগী মনোভাবের কারণে  শিল্পের উপর অশুভ ছায়া পড়তে শুরু করে। কেন্দ্রের উদ্যোগে অন্যান্য রাজ্যে শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলা হয় এবং বাংলার শিল্প পরিকাঠামোকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়। শিল্প সমৃদ্ধ একটি রাজ্য ক্রমেই উৎপাদনশীলতায় পিছিয়ে পড়ে এবং বেকার সমস্যা মাথাচাড়া দ...

কান্দি শহরে লাগাতার লোডশেডিং

 নয়া ঠাহর ,কান্দি জেল রোড  ,১ জুন আজ সোমবার   গার্গী দাস ঘোষ মন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার দিন কান্দিতে রাত ৮ টা থেকে লোডশেডিং শুরু হয়েছে। একঘন্টা বেশি সময় কান্দি শহর অন্ধকারে ডুবে গেছে।মন্ত্রী গার্গী দাস ঘোষ এই অন্ধকার টের পেয়েছেন কি? কয়েকদিন থেকেই কান্দিতে লোডশেডিং বেড়েছে। ডাবল ইঞ্জিন সরকার  মানুষের দুর্ভোগের কথা জানেন কি?রাত ৮টা ৪৫ পর আলো জ্বলেছে।  কান্দিতে হাই ভোল্টেজ লাইন চালু হয়েছে।এই রকম ঘন ঘন লোডশেডিং হওয়ার কথা নয়।  ঘণ্টা খানেক বাদে কারেন্ট এলেও চলে যায়।আবার এসে।  আবার রাত ৯  পর চলে যায়।প্রায় প্রতি  এসি কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।অতিরিক্ত বিদুৎ সরবরাহ করা হয়না। ঘনঘন লোডশেডিং কেনো হচ্ছে। তার জবাব দিতে হবে বিদুৎ বিভাগকে। গ্রাহক পয়সা খরচ করে  বিদ্যুৎ নিতে হচ্ছে। এই রকম ঘনঘন লোড শেডিং হলে নতুন সরকারের বদনাম হবে। আমরা সিনিয়র সিটিজেন প্রচণ্ড গরমে হাঁস ফাঁস করছি। হাতে কোনো বিকল্প নেই। কান্দিতে  ৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত গরম ছিল।এখন কিছু কম ,রাত ৯ ১৯ মিনিটে বিদ্যুৎ এসেছে।কতক্ষণ থাকবে ঈশ্বর জানেন।