Posts

অসমে বসন্ত বিহু উৎসবে যুব প্রজন্ম হার্টথ্রব জুবিন গর্গ কে স্মরণ

Image
  গুয়াহাটি -রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে অমল গুপ্ত  : এবারে  বিহু উৎসবে অসমে ছিলাম।অসমের গুয়াহাটি উপকন্ঠে রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে    বিহু উৎসবে অংশগ্রহণের সুযোগ হল। রাণী    জয়ন্তী পুর     এবং রাণী চকে বিহু উৎসবে  জুবিন  কে   শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। জুবিন এর হৃদয় স্পর্শ  করা , "মায়াবিনী" গানটি পরিবেশন  করা হয়। গুয়াহাটি দিশ পুর প্রেসক্লাবে  মর্মিতা মিত্র  বিখ্যাত গানটি পরিবেশন করেন। আবেগিক   গান  পরে  এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।এই প্রতিবেদক  দিস পুর  প্রেস ক্লাবের  প্রাক্তন সভাপতি তাঁকে সম্বর্ধনা জানানো হয়। রাণী জয়ন্তীপুর  বিহু সম্মিলনে  সাংবাদিক অমল গুপ্ত ,বিশিষ্ট নাগরিক উজ্জ্বল ডেকা প্রমুখ কে সম্বর্ধনা  জানানো হয়।   জয়ন্তি পুর  যুব সংঘ এবং  জয়ন্তী পুর অগ্রণী মহিলা সমাজ যৌথ উদ্যোগে   ১৪ এপ্রিল রাণী তে বিহু উৎসবে অনুষ্ঠিত হয়।  দুই সংস্থার স...

অসমে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে এলেন

Image
অমল গুপ্ত 15এপ্রিল, গুয়াহাটি - রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে:অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  গতকাল পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনে প্রচার অভিযানে গিয়েছেন।কলকাতা বিমানবন্দরে মিঠুন চক্রবর্তী  সঙ্গে দেখা হয়েছিল। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টমন্ত্রী অমিত শাহ   সঙ্গে দেখা হয়।একসঙ্গে দুজনে বাংলায় প্রচার চালাবেন । এই প্রতিবেদক ,40বছর পর কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে  ভোট   দেবে। বিগত 40 বছর অসমের গুয়াহাটি শহরে পত্নী  সান্তনা গুপ্ত সঙ্গে  নিয়ে দুজনে একসঙ্গে দিস পূর  কেন্দ্রে ভোট দিয়েছিল। পত্নী মারা যান।এই প্রথম নিজের জন্মভুমি কান্দি তে ভোট দেবে।   এই প্রতিবেদকের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল।  তাই প্রতিববেদক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে  কান্দিতে জেল রোডে নিজের জন্মভুমি  তে আমন্ত্রণ  জানাচ্ছে, সাক্ষাৎ করতে চাই। প্রসঙ্গত অমল গুপ্ত অসমের accrediated জার্নালিস্ট  সঙ্গে অসমের কার্ড আছে।  পত্নী সন্তনা গুপ্ত গুয়াহাটি দিস পুর কিশলয় বিদ্যাপীঠের শিক্ষিকা ছিল বছর তিনেক আগে মারা গেছে।  বহুদিন  কান্দ...

বাবা সায়েব ভীমরাও আম্বেদকরের জন্মদিনে শ্রদ্ধা

গতকাল বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের জন্মদিনে  ইতিহাস, তথ্য ও  তর্ক গ্রুপের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়েছে  এই লেখাটি। _______________________________ আম্বেদকর, জাতপাতের  বিনাশ এবং  আধুনিকতা সম্পর্কিত কিছু বিতর্ক __________________ বাবাসাহেব আম্বেদকরের ‘ জাতপাতের বিনাশ’  ( Annihilation of Caste) নামে ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত বইটি যে আদতে একটি অপ্রদত্ত  বক্তৃতা ছিল  সেটা বইয়ের মুখবন্ধে স্পষ্ট করেই বলা আছে। হিন্দুধর্মের সংস্কার সাধনে  উদ্যোগী বর্ণহিন্দুদের  সংস্থা জাতপাত তোড়ক মণ্ডল ( যা ছিল দয়ানন্দ সরস্বতী প্রতিষ্ঠিত আর্যসমাজের র‍্যাডিকাল অংশ ) লাহোরে তাদের অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে আম্বেদকরকে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য ডেকেছিল। গোল বাধে আম্বেদকরের প্রস্তাবিত বক্তৃতার বয়ান নিয়ে । আম্বেদকরের বক্তব্যের কিছু কাটছাঁট দাবি করেন মণ্ডলের পরিচালকরা যেটা করতে বাবাসাহেব সঙ্গত কারণেই রাজি হন নি। ফলে সেখানে সভাপতিত্ব করা বা বক্তৃতা দেওয়া কোনোটাই করা হয়ে ওঠে নি বাবাসাহেবের। অচিরেই এই না দেওয়া বক্তৃতাটাই বই হয়ে বেরোয় এবং বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করে। আমরা এখানে এই বইটির বক্তব্য...

অসমের রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে শকুন প্রজনন কেন্দ্র ১৮০ টি শকুন প্রতিপালন করা হচ্ছে

Image
অমল গুপ্ত  ১৪ এপ্রিল ,গুয়াহাটি রাণী সংরক্ষিত  বনাঞ্চল থেকে : শকুন  প্রজনন কেন্দ্র আজ দেখে এলাম ১৮০ টি শকুন প্রতিপালন করা হচ্ছে।   দেশের ভাগারের পচা মাংস খেয়ে,  রাস্তা ঘাটের আবর্জনা খেয়ে সব সাফ করে  সেই বিনাপয়সায়  ঝাড়ুদার আজ দেওয়ালে পিঠ  ঠেকে গেছে। বিশ্বাস করা যাবে না দেশে ৫কোটি শকুন ছিল।   ৯৯ শতাংশ মারা গেছে। দেশে কিছু সংখ্যক বেঁচে আছে। এর একমাত্র কারণ   এক  বিষাক্ত  ঔষধ  গবাদি পশুর রোগে ব্যবহৃত  সেই গবাদি পশুর মৃত্যু হলে আশপাশের শকুন   ঝাপিয়ে পড়ে মৃত গরুর মাংস  খাবার জন্যে। সেই বিষাক্ত মাংস খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মারা  যায় । এক পরিসংখ্যান বলছে     ৯০ সালের পর থেকে দেশে দ্রুত হারে শকুন মারা পড়েছে। ,  ৯৯ শতাংশ মারা পড়েছে।ভয়ানক খবর   সরকার নীরব। ওই ঔষধ এখন।চলছে।  আজ পয়লা বৈশাখ  মনোরম পাহাড় এলাকায় রাণী বেলঘরি এলাকাতে গেটবন্ধ ছিল।অসম সরকারের accrediated জার্নালিস্ট কার্ড দেখলাম খুলে দিল গেট। বেরিয়ে এলেন এক যুবতী ,অবাক হলাম ব...

এস আই আর তালিকায় বাদ ৯১ লাখের মধ্যে ৬৩ শতাংশ বাঙালি হিন্দু

Image
অমল গুপ্ত  ১৪ এপ্রিল , গুয়াহাটি  রানী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে : পশ্চিমবঙ্গে বাঙালি হিন্দুদের দুর্গতি কমবে না। অসমের এন আর সি তালিকা থেকে বাদ গেছে  ৯ লাখ বাঙালি হিন্দু  যাদের পক্ষে লড়াই করার কেউ ছিল না।পশ্চিমবঙ্গে তো  তুষ্টির রাজনীতি চলছে। বাঙালি হিন্দুদের জন্য কোনো অভিভাবক নেই।লড়াই করার নেতা নেই।পশ্চিমবঙ্গের  তৃণমূল সরকার হিন্দুদের স্বার্থে লড়াই করে না। বিজেপি ও সমানভাবে দায়ী পশ্চিমবঙ্গে  যে ভাবে  ভোটার তালিকায় নিবিড়   সংশোধন হল তাতে হাজার ভুল।  ভারতীয় নাগরিক হিন্দু মুসলিম  স্থায়ী নাগরিক  ভারত বর্ষে জন্মগ্রহণ করেছে।উভয় জনগোষ্ঠীকে    বিশ্বাসের মধ্যে   আনা হয়নি ।  সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে কোনো রাজনেতিক দল  তালিকা  মধ্যে হাজার ভূত  দেখছে।। আনন্দবাজার পত্রিকা সূত্রে  এস আই আর তালিকায় এই তথ্য  জানা গেছে।   আফরিন বেগম , দীপ্সিতা  ধর মিনাক্ষী মুখার্জী  কলতান দাশগুপ্ত প্রমুখ এক ঝাঁক বামপন্থী যুবক যুবতী ভোটে দাঁড়িয়ে যে ভাবে বক্তব্য রাখছ...

পা কে অবহেলা করবেন না

Image
*পা-কে অবহেলা করছেন না তো?* ​ডেনমার্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের এক চাঞ্চল্যকর গবেষণার তথ্য!  মাত্র ২ সপ্তাহ পা সচল না রাখলে শরীরের কতটা ক্ষতি হতে পারে, তা জানতে নিচের লেখাটি অবশ্যই পড়ুন।  আপনার সচল পা-ই আপনার আসল সম্পদ।  ​“মাত্র দুই সপ্তাহ পা সচল না রাখলে, পায়ের শক্তি ১০ বছর কমে যায়!” বয়স্ক ব্যক্তিদের আত্মবিশ্বাস মস্তিষ্কে নয়, বরং তাদের পায়ে থাকে! ​১. বয়স বাড়ার সাথে সাথে নিজের পায়ের পাতা এবং পা-কে সবসময় শক্তিশালী রাখা উচিত। ​২. বয়স বাড়লে সাদা চুল, ঢিলেঢালা চামড়া বা বলিরেখা নিয়ে চিন্তা করবেন না। বরং, নিজের পায়ের যত্ন নিন। ​৩. 'আমেরিকান জার্নাল অফ প্রিভেন্টিভ মেডিসিন'-এর মতে, পায়ের পেশি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দীর্ঘায়ু হওয়ার একটি লক্ষণ। ​৪. দুই সপ্তাহ পা নিষ্ক্রিয় থাকলে এর শক্তি ১০ বছর পর্যন্ত কমে যেতে পারে। ​৫. গবেষণায় দেখা গেছে, যেকোনো বয়সের ব্যক্তি যদি দুই সপ্তাহ সচল না থাকেন, তবে তাদের পায়ের এক-চতুর্থাংশ শক্তি কমে যায়, যা ২০ থেকে ৩০ বছর বয়স কমে যাওয়ার সমান। ​৬. পায়ের পেশি দুর্বল হয়ে গেলে, ফিজিওথেরাপি বা ব্যায়ামের মাধ্যমে সেই শক্তি ফিরে পে...

কান্দি রুদ্রদেবের হোমের মেলা জমজমাট উৎসব

Image
কান্দির রুদ্রদেবের হোম উৎসব  :- শ্রী সঞ্জয় কুমার মিশ্র, কান্দি মুর্শিদাবাদ       কাঁধে বাঁক নিয়ে ভক্তদের চীৎকার "বাবা মহাদেবের চরণে সেবা লাগে ..…..." চৈত্র মাসের শেষ দিকে কান্দি শহরের রাস্তায় এই আওয়াজ আমরা জন্ম থেকে শুনে আসছি । প্রতিবছর ১৯ চৈত্র থেকে শুরু হয় গাজন উৎসব। চলে বাংলা বছরের শেষদিন পর্যন্ত। টানা ১১দিন ধরে চলে এই উৎসব। কয়েক হাজার ভক্ত হাজির হন। রুদ্রদেব মন্দিরের গাজন শহরের সবচেয়ে বড় উৎসব।      মুর্শিদাবাদের প্রসিদ্ধ মন্দির গুলির মধ্যে কান্দি রূপপুরের বাবা রুদ্রদেবের মন্দির বিশেষ ঐতিহ্য বহন করে চলেছে বহু বছর ধরে । ষোড়শ শতকের শুরুতে তিব্বত থেকে আসা বৌদ্ধ তান্ত্রিক কামদেব দুটি মূর্তি এনেছিলেন - একটি ‘বাবা ভোলা’ ও একটি ‘কালা ভোলা’ । কামদেবের আনা দুটি অক্ষোভ্য মূর্তিই তাঁর শিষ্য রুদ্র সিংহ কান্দি গ্রামের পূর্বে একটি গভীর জঙ্গলে স্থাপন করেন । জানা যায়, স্বাধীনতার আগে ওই অঞ্চল স্থানীয় জেমো ও বাগডাঙা জমিদারদের অধীনে চলে যাওয়ার পর পরবর্তীতে তৈরি হয় মন্দির ও প্রতিষ্ঠিত হয় দুটি মূর্তিই । এরপর থেকেই দুটি বাবার মূর্তিকে...