উত্তর পূর্বের সম্প্রীতির অগ্র দূত ছিলেন সুকুমার বাগচী
*উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভাষাগত সম্প্রীতির অগ্রদূত: এক সম্পাদকের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা* - রত্নজ্যোতি দত্ত - গুয়াহাটির প্রবীণ সাংবাদিক অমল গুপ্তের কাছ থেকে হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা পেলাম। তিনি আমাকে প্রয়াত এক ব্যক্তিত্বের ছবি ও নাম পাঠিয়ে একটি শোকগাথা (Obituary) লেখার অনুরোধ জানালেন। আমি তাঁকে বিনীতভাবে জানালাম যে, তাঁর ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে আমি অবগত থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে জানার সৌভাগ্য হয়নি। সাধারণত আমি তাঁদের নিয়েই স্মৃতিচারণ করি, যাঁদের সান্নিধ্যে আসার বা যাঁদের প্রজ্ঞা দ্বারা সরাসরি অনুপ্রাণিত হওয়ার সুযোগ আমার হয়েছে। ইতিপূর্বে আমি ভারতের সবুজ বিপ্লবের জনক এম. এস. স্বামীনাথন, বিশিষ্ট সাংবাদিক প্রীতীশ নন্দী, এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কবীন্দ্র পুরকায়স্থের শোকগাথা লিখেছি। শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি অমলদার স্ত্রী সান্ত্বনা গুপ্ত এবং বরাক উপত্যকার বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক পার্থ সারথি চন্দের প্রতিও। এছাড়া নব্বইয়ের দশকে ‘দ্য হিন্দু’র বিশেষ সংবাদদাতা বরুণ দাশগুপ্তর প্রতি আমার শ্রদ্ধাঞ্জলি লেখার স্মৃতি আজও অমলিন। কেন এই শ্রদ্ধাঞ্জলি? অমলদা যাঁর ছবি পাঠিয়েছেন, তাঁকে ব্যক্তিগতভাব...