Posts

নয়া ঠাহর পত্রিকার ২৩ তম শারদ সংখ্যা প্রকাশ

Image
নয়া ঠাহর পত্রিকার ২৩ তম শারদীয়া সংখ্যা প্রকাশিত  :- সঞ্জয় কুমার মিশ্র,কান্দি, মুর্শিদাবাদ       গুয়াহাটি, কোলকাতা, কান্দি থেকে একযোগে প্রকাশিত রেজিস্টারড্ অনলাইন দৈনিক নিউজ পোর্টাল নয়া ঠাহর পত্রিকার ২৩ তম শারদীয়া সংখ্যা প্রকাশিত হলো কান্দি রাজবাড়ি সংলগ্ন জীবধর পাড়ায় অবস্থিত সরস্বতী শিশু মন্দির বিদ্যালয়ের সভাগৃহে ।       নয়া ঠাহর পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক তথা আজকের অনুষ্ঠানের সভাপতি মাননীয় অমল কুমার গুপ্ত মহাশয় ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি তথা মুর্শিদাবাদ জেলার বরিষ্ঠ কবি, সাহিত্যিক ও নাট্যকার মাননীয় বীরেশ্বর সরকার মহাশয় প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন । তারপর স্কুলের শিক্ষক -শিক্ষিকা দের দ্বারা সরস্বতী বন্দনা করা হয় । উপস্থিত গুণীজন রা দেশ মাতৃকার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে সমবেতভাবে বন্দেমাতরম সঙ্গীত পরিবেশন করেন ।      উপস্থিত গুণীজন দের কপালে চন্দনের টিপ দিয়ে, উত্তরীয় পরিয়ে এবং একটি গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করা হয় । এর পর নয়া ঠাহর পত্রিকার মুখ্য সম্পাদক মাননীয় অমল কুমার গুপ্ত মহাশয় স্বা...

অসমের এন জি ও কিঞ্চিৎ অসমের সীমা অতিক্রম করে বাংলার মাটিতে পা রাখলো

Image
অমল গুপ্ত  গুয়াহাটি ,কলকাতা:  অসমের কিঞ্চিৎ আজ মহালয়ার দিন কান্দিতে এক অনুষ্ঠান আয়োজন করে।   কিঞ্চিৎ এর মুর্শিদাবাদ  চ্যাপ্টার এর  অরবিন্দ  সরকার   কান্দি  দোয়ালয়াl অঞ্চলে   বিশ্বনাথ ভট্টাচার্য বাড়িতে অনুষ্ঠান হয়।   কলকাতা   টিভি কেন্দ্রের   উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত  শিল্পী জয় কুমার  ধারা   ,সেনা অফিসার পি কে ঘোষ,ক্ষুদে শিল্পী নেহা ঘোষ ,কেয়া মুখার্জী , কঙ্কনা মুখার্জী , প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি হিসাবে সাংবাদিক অমল গুপ্ত কে সম্বর্ধনা জানানো হয়।সাংবাদিক অমল গুপ্ত কিঞ্চিৎ সম্পর্কে বলেন  এই এন জি ও  অসমের বরপেটা  স্থাপন করেছিলেন ডাক্তার  মানিক লাল ভৌমিক।তিনি বাঙালি অসমীয়া  সম্প্রীতির   সেতু হিসাবে কাজ করছেন। রবীন্দ্র নাথ ,ভূপেন হাজারিকা কে নিয়ে বিশাল গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন।
একটু শোনো দুর্গা মাগো কেয়া মুখার্জী(রায়) জেলরোড, কান্দী মুর্শিদাবাদ।  আসছো আবার দুর্গা মাগো কত সাজ ঘরে ঘরে, আমার তো মা ছিটে বেড়ার ঘর আসবে কি মা আমার দোরে? আসো তো ঐ বাবুদের ঘরে কত লোকজন হল্লা কত ,   খাওয়া দাওয়ার বাহার যত জামা কাপড়ও মজার মতো। আমাদের তো একটাই  মা আছে বড়ো ভাতের হাড়ি, পুজোটাতেই নতুন কাপড়   বহু কষ্টেই জোগাড় করি। তোমার পুজো ঠিক জানিনে বাপের ঘরেও দেখিনি তাই, বড়ো পাথর ছোটো পাথর  ছিল কিছু কুলোঙ্গিটাই। যাদের আছে প্রচুর টাকা কতই ভালো থাকে তারা, পুজোর এই চারটি দিনেও  তুমিও তাঁদের দাও যে সাড়া। জানি তুমি শক্তি ময়ী শুনি তুমি রূপের রাণী, পারো না কি হতে তুমি  আমাদেরও মা জননী।  আমি যে মা লক্ষ্মী মূর্মু জানিনে মা লেখা পড়া, চার বাড়ি কাজ করে খায় কেমনে ডাকলে দেবে সাড়া! কৈলাশ থেকে আসো জানি মহাদেব বরকে  ছেড়ে,  এখানে সবার ভাত জোটেনা  পরে থাকে রাস্তার ধারে। বছর  বছর আসো তুমি বাবার ঘরে ধরাধামে, এখানে তো সব অসুর গুলো মদ মাংস গাজা টানে!     সারা বছর  এদের জালায় শান্তি যে নাই ধরাধামে, দেখেও তুমি যাও য...

বাংলা নিউজ পোর্টাল নয়া ঠাহর পুজো সংখ্যা প্রকাশ

Image
নয়া ঠাহর ,প্রতিনিধি:কান্দি মুর্শিদাবাদ জেলা ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা লাভ করেনি তিনদিন বাদ স্বাধীনতা এসেছে।এই ঐতিহাসিক জলা মুর্শিদাবাদ   বঙ্কিমচন্দ্র  চট্টোপাধ্যায়ের  বন্দে মাতরম   ভূমিষ্ঠ হয়েছে  , জাতীয় সঙ্গীত রচিত হয়েছে । লিখেছেন  সাংবাদিক জয়শ্রী বসু ,এই মুর্শিদাবাদ জেলা তে    কর্ণ সুবর্ণ  ভারতের রাজধানী   স্থাপন করেছিলেন হিন্দু রাজা   শশাঙ্ক  হিউয়েন  সাং পদচিহ্ন পড়েছিল  তথ্য  দিয়ে লিখেছেন কুণাল কান্তি  সিংহ রায় , জাতীয় পর্যায়ে দিল্লী  কেন্দ্রিক  প্রচ্ছদ শিল্পী অরূপ গুপ্ত  বিগত ,২২ বছর থেকে প্রচ্ছদ    আঁকেছেন এবাও  দুর্দান্ত প্রচ্ছদ এঁকেছেন। এবার নয়া ঠাহর দ্বিভাষিক ,বাংলা সঙ্গে  অসমীয়া  সংস্করণ প্রকাশ পেলো।অনুপমা ডেকা সম্পাদনা করেছেন।  পুজো সংখ্যা তে অসমীয়া সংস্করণ  এ কলম ধরেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী হাফিজ রশিদ চৌধুরী ,সাংবাদিক অমল গুপ্ত ,  অসমের  এন জি ও কিঞ্চিৎ   ...

আজ পবিত্র মহালয়া "নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশ

Image
অমল গুপ্ত ,১০ অক্টোবর ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ: আজ  দেবী পক্ষ শুরু।এই শুভ দিনে উত্তর পূর্ব ভারতের বাংলা নিউজ পোর্টাল নয়া ঠাহর কান্দি সরস্বতী শিশু মন্দির প্রেক্ষাগৃহে পুজো সংখ্যা উন্মোচন করবেন বিশিষ্ট জনেরা। আজকে কান্দি শহরে অসম ভিত্তিক  এন জি ও কিঞ্চিৎ এর মুর্শিদাবাদ চেপ্টার এর  সভাপতি অনুষ্ঠান সূচনা করবেন অরবিন্দ সরকার।  শিশু মন্দিরে সভাপতি বীরেশ্বর সরকার। কিঞ্চিৎ গোষ্ঠীর অনুষ্ঠান হবে কান্দি ব্লক অফিসের কাছে। ।

পূজো আসছে ,পুজো এল বাঙালির

Image
'আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ ' প্রদীপ দত্তরায়। কাঙ্ক্ষিত ভালো কিছুর জন্য প্রতীক্ষা না তার প্রাপ্তি  - কোনটি মধুরতর? স্যামুয়েল বেকেটের কালজয়ী নাটক ' ওয়েটিং ফর গোডো' শুরু হয় দুই কেন্দ্রীয় চরিত্র ভ্লাদিমির আর এস্ট্রাগনের 'গোডো' নামক এক ব্যাক্তির প্রতীক্ষায় যে তাদের অকিঞ্চিৎকর জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে পারে। দিনের পর দিন যায়,পাতাঝরা বসন্ত শেষ হয় ,নতুন সবুজের ছোঁয়ায় প্রকৃতি আবার পাখা মেলে কিন্তু গোডো আসেনা। প্রতীক্ষা নিয়েই শেষ হয়  নাটক। রবীন্দ্রনাথের ডাকঘরের 'অমল'ও তেমনি রাজার চিঠির অপেক্ষা করে থাকে,সে চিঠি আদৌ আসে কিনা তা গৌন হয়ে উঠে ,প্রতীক্ষাই যেন মধুরতর হয়ে দাঁড়ায়।আসলে প্রতীক্ষা কল্পনায় পাখা মেলে,প্রাপ্তি বাস্তবে প্রোথিত। তাই প্রতীক্ষা সীমাহীন অবাধ,প্রাপ্তি সীমায়িত। কথাগুলো মনে হল অন্য এক প্রসঙ্গে। সামনেই মহালয়া। পিতৃপক্ষের তর্পণ শেষে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। সাংবাৎসরিক শারদোৎসবে আবার মাতবে আপামর বাঙালি। সারা বছরের কর্মব্যস্ততা, প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসেব, দুঃখ, শোক সবকিছুকেই ছাপিয়ে পুজোর এই কয়েক দিন অন্য এক আনন্দঘন ...

শিক্ষক আছেন ,সম্মানী নেই বিশ্ববিদ্যালয়

শিক্ষক আছেন, সম্মানী নেই বিশ্ববিদ্যালয়ে (একদিকে মহালয়ার অনুষ্ঠানে ১২৮ কোটি বরাদ্দ, অন্যদিকে অতিথি শিক্ষকের সাম্মানিক আটকে যাওয়ায় বিপাকে বিশ্ববিদ্যালয়।) দেবদূত ঘোষঠাকুর  (মহালয়ার একদিনের অনুষ্ঠানে বিপুল বরাদ্দ, অথচ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষকদের সাম্মানিক আটকে। কোথাও স্থায়ী শিক্ষক কম, কোথাও নির্দিষ্ট বিষয়ে অতিথি শিক্ষক ছাড়া পঠনপাঠন চালানো কঠিন। আবার একটি বিষয়ে একজন ছাত্রের জন্য চার জন অতিথি শিক্ষক রাখার প্রশ্নেও উঠছে ব্যয়ের যুক্তি। নন–স্যালারি গ্র্যান্টের টাকা থেকেই মেলে শিক্ষকের সাম্মানিক, পরীক্ষা, বিদ্যুৎ এবং প্রশাসনিক খরচ। সেই টাকা না এলে সঞ্চিত অর্থ ভেঙে চলতে হয়। প্রশ্ন, শিক্ষার এই প্রয়োজনীয় খরচ কি সত্যিই এতটাই গৌণ, নাকি কোথাও অগ্রাধিকারের হিসেব বদলে যাচ্ছে সরকারি অর্থের ব্যবহারে?)। একদিকে, শুধু একদিনের অনুষ্ঠানের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ১২৮ কোটি টাকা। অন্যদিকে, বিকাশ ভবন নন–স্যালারি গ্র্যান্টের টাকা না ছাড়ায় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অতিথি অধ্যাপকদের সাম্মানিক আটকে গিয়েছে। রাজ্যের শিক্ষা দপ্তরের সদর বিকাশ ভবন জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’। এই বিষয়ে একটি প্র...