Posts

বেস্ট সেলার লেখক মনি শংকর মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

প্রয়াত হয়েছেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কিংবদন্তি বেস্টসেলার লেখক 'শংকর' মনিশংকর মুখোপাধ্যায়। আজ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলার সংস্কৃতি মহলে,একটি যুগের অবসান। তাঁর জীবনের কাহিনি কম রোমহর্ষক নয়। যেদিন 'চৌরঙ্গী' লেখা শেষ সেদিন তিনি বিয়ে করতে চললেন। প্রথম উপন্যাস  ' কত অজানারে ' লিখে পেয়েছিলেন ২৮৫ টাকা,সেই টাকায় বাড়িতে বিদ্যুৎ আসে। এরপর গঙ্গা ও ইছামতী দিয়ে অনেক জল প্রবাহিত হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁর ছেলে শংকর হয়ে উঠলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথিতযশা লেখক। শুধু লেখক! তিনি লিখলে সবসময় পাঠকদের কাছে সুখপাঠ্য হয়েছে আবার বানিজ্যিক ভাবে তিনি সবসময় বেস্টসেলার। তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস 'চৌরঙ্গী ' ধারাবাহিক ভাবে শুরু হল ১৯৬১ সালে তবে সম্পাদক সাগরময় ঘোষের কড়া শর্ত লেখার সময় চঞ্চলমতি হওয়া চলবে না। অগত্যা শংকরের বিয়ে আটকে গেল। © ধ্রুবতারাদের খোঁজে  ডালহৌসি পাড়ায়‌ একদিন এক বন্ধুর সাথে  হঠাৎ দেখা,জানতে চাইলেন 'দেশ' পত্রিকার লেখাটা সে লিখেছে কিনা! লজ্জা একেবারে লাগেনি তা নয়, কিন্তু স্...

জুবিন গর্গ এর সমাধি স্থলে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Image
অমল গুপ্ত ,গুয়াহাটি ,কলকাতা: অসমের যুবসমাজের হার্ট থ্রব সঙ্গীত শিল্পী জুবিন গর্গ ,গুয়াহাটি উপকন্ঠে সোনার পুরে মনোরম  নৈসর্গিক পাহাড়ি পরিবেশে সমাধি স্থলে দেশ বিদেশের  গুণমুগ্ধ ভক্তরা  অনবরত গিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছেন।সেই গুনমুগ্ধদের লাইনে আজ কংগ্রেস দলের সাধারণ সম্পাদিকা তথা সাংসদ প্রিয়াংকা গান্ধী গিয়ে দাঁড়ালেন। সঙ্গে ছিলেন অসম প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈ, কংগ্রেস বিরোধী  দলপতি দেবব্রত সাইকিয়া প্রমুখ। ঘটনা স্থল থেকে ছবি পাঠিয়েছেন সাংবাদিক প্রদীপ বর্মন।

"চরণ ছুঁয়ে যায় "শ্রী চরণে ঠাঁই পেলেন শঙ্কর , মনি শংকর মুখ পাধ্যায়

Image
হাওড়া থেকে তারার দেশে পাড়ি দিলেন শংকরদা। জন্মের পর থেকেই হাওড়া শহরের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। বরংসাহিত্য পত্রিকার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই 💐🙏 শংকরদা ( জন্ম: ৭ ডিসেম্বর ১৯৩৩) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। তার আসল নাম মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। তার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হল চৌরঙ্গী, সীমাবদ্ধ এবং জন অরণ্য। এই তিনটি বই নিয়ে চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। ২০১৬ সালে তিনি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি.লিট সম্মানে ভূষিত হন। প্রাথমিক জীবন:  শংকরদা ১৯৩৩ সালের ৭ ডিসেম্বর যশোরের বনগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। আইনজীবী বাবা হরিপদ মুখোপাধ্যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগেই চলে যান কলকাতার ওপারে হাওড়ায়। সেখানেই শংকরদার বেড়ে ওঠা, পড়াশোনা ও সাহিত্য সাধনার শুরু। জীবনের শুরুতে কখনো ফেরিওয়ালা, টাইপরাইটার ক্লিনার, কখনো প্রাইভেট টিউশনি, কখনো শিক্ষকতা অথবা জুট ব্রোকারের কনিষ্ঠ কেরানিগিরি করেছেন। এক ইংরেজের অনুপ্রেরণায় শুরু করেন লেখালেখি। সাহিত্য জীবন:  তার প্রথম বই প্রকাশিত হয় ১৯৫৫ সালে।অল্প বয়সে কত অজানারে বইটি লিখে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। বিখ্...

,একুশে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃ ভাষা দিবস ,১৯৬১সালের ১৯ মে বাংলাভাষার দাবিতে অসমে ১১ জন প্রাণ আহুতি

একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন পূর্ব বঙ্গের মানুষদেরই কৃতকর্মের ফল। জিন্নাহ পাকিস্তানকে সাংস্কৃতিক দিক থেকে আলাদা রাখতে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করতে চেয়েছিলেন।  একুশে মার্চ ১৯৪৮ এ পাকিস্তান গঠনের পর তার  প্রথম পূর্ব পাকিস্তান সফরে এর স্বপক্ষে জোরদার বক্তব্যও রেখেছিলেন। উনার দিক থেকে হয়ত উনি ঠিক ছিলেন। পরে অবশ্য পূর্ব বঙ্গের লোকেরা বুঝতে পেরেছিল শুধু ধর্মই দেশ গঠনের একমাত্র ভিত্তি হতে পারে না। এখন সেই কৃতকর্মের ফলকেই তারা ২১শে ফেব্রুয়ারী উদযাপন করে। যদিও বর্তমানে  মুসলিম ভাতৃত্ববোধকে সামনে রেখে পাকিস্তান প্রীতি ও এক অন্যধরনের রাজনীতি সামনে আসছে।   পশ্চিম বঙ্গের কিছু বুদ্ধিজীবি এর আবেগকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য কাজে লাগিয়েছেন। এটা আজ দিনের আলোর মত স্পষ্ট যে হিন্দু বাঙালি ও মুসলমান বাঙালি, সংস্কৃতি  আচার ব্যবহার ও সামাজিক দিক থেকে দুটি সম্পুর্ণ আলাদা সত্তা।  তাই  একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে আমাদের বিশেষ  মাতামাতির কিছু নেই। পৃথিবীতে এবং ভারতেও বিভিন্ন সময়ে ভাষা আন্দোলন হয়েছে। তাই এটি পৃথিবী ব্যাপী সব ভাষাকে সম্মান জানানোর দিন। সবার জন্...

মিড ডে মিলে ছাত্র কমে যাচ্ছে কেন?

Image
অতিরিক্ত মিড-ডে মিলে কম ৩০ লক্ষ পড়ুয়া, প্রশ্ন রাজ্য বাজেটে ১ কোটি ১১ লক্ষ পড়ুয়াকে মিড-ডে মিল দেওয়ার কথা বলেছে সরকার। অথচ, সম্প্রতি অতিরিক্ত ডিম এবং মরসুমি ফল দেওয়া সংক্রান্ত মিড-ডে মিলের বিঞ্জপ্তিতে ৮১ লক্ষ ১৯ হাজার ৪১৫ জন পড়ুয়ার কথা বলেছে শিক্ষা দফতর। এই সংখ্যার ফারাক নিয়েই এ বার প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষকদের একাংশ। তাদের বক্তব্য, বাজেটে ঘোষিত সংখ্যার থেকে বিঞ্জপ্তিতে ৩০ লক্ষ পড়ুয়া কমে গেল কেন? তা হলে কি ওই ৩০ লক্ষ পড়ুয়ার জন্য বরাদ্দ হওয়া টাকা তহবিলেই রয়ে গেল?    প্রসঙ্গত, ওই বিঞ্জপ্তিতে ৩১ মার্চের মধ্যে পড়ুয়াদের ১২ দিন অতিরিক্ত একটি করে ডিম ও একটি করে মরসুমি ফল দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

শিলং টাইমস সম্পাদকের কলমে অসম বাংলা ভোট রাজনীতি

Image
রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পথে পশ্চিমবঙ্গ। বিজেপির এই রাজ্য জেতার বাসনা উদগ্ৰ, কারণ ২০১১ থেকে এই বাংলা তৃণমূল কংগ্রেসের দুগ, টানা তিন বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ও-দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস জোর গলায় বলে আসছেন যে, তাঁরা বিজেপিকে রাজ্যে এতটুকু জমি দিতে নারাজ। গেরুয়া শিবির ও তাদের বিভাজনমূলক মুসলিম-বিরোধী রাজনীতি যে তাঁর কত অপছন্দ, তার নিয়ে কখনও রাখঢাক করেননি মমতা। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিশেষ নিবিড় সংশোধন করে হাতিয়ার করে তৃণমূলের ভোটার বলে পরিচিত মুসলিম ভোটারদের ভোটার তালিকা থেকে ছেঁকে বাদ দেওয়া নিশ্চিত করছে।    ভোট অসমেও। অসমের বর্তমান বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের 'মিঁয়া' আখ্যা দিয়ে একটি ভয়ের পরিমণ্ডল নির্মাণ করছেন। সেখানে এই বিভ্রম ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, তালিকা থেকে নাম না-বাদ দিলে এই 'মিয়া'রা অসম দখল করে নেবে। জাতীয় নাগরিকপঞ্জি প্রণয়নের পরেও নানা কারণে যাঁদের বৈধ নথি নেই, এখন শয়ে শয়ে মানুষ মাথার উপর ছাদ ও নাগরিকত্ব হারিয়েছেন এবং শরণার্থী শিবিরে দিন কাটাচ্ছেন।    স্বভাবতই,...

অরুণ চন্দ্রের ১২৮ তম জন্ম দিবস উদযাপন

Image
*জননায়ক অরুণকুমার চন্দের ১২৮ তম জন্মদিবস পালন শিলচরে*  শিলচর প্রতিমূর্তি সংরক্ষণ ও স্মৃতিরক্ষা কমিটির উদ্যোগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার জননায়ক অরুণকুমার চন্দের ১২৮ তম জন্মদিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় শিলচরে পালন করা হয়। সদরঘাটে অরুণকুমার পার্কে স্থাপিত অরুণকুমার চন্দের  প্রতিমূর্তির পাদদেশে সকাল সাড়ে আটটায় শহরের বিশিষ্টজনেরা জমায়েত হয়ে এই দেশবরেণ্য নেতার প্রতি পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।         প্রতিমূর্তি সংরক্ষণ ও স্মৃতিরক্ষা কমিটির সম্পাদক প্রবীর রায়চৌধুরী স্বাগত বক্তব্যে অরুণকুমার চন্দের জন্মদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে সমবেত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর অধিক সংখ্যায় জনসমাগম হওয়ায় তিনি সন্তোষ ব্যক্ত করেন। ড০ পরিতোষ দত্ত বলেন, অরুণকুমার চন্দ এই অঞ্চলের শিক্ষা-সংস্কৃতি ও  শ্রমিক আন্দোলনে যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে গেছেন তা অতুলনীয়। বরাকবঙ্গের কাছাড় জেলা সমিতির সভাপতি সঞ্জীব দেব লস্কর স্বাধীনতা আন্দোলনে অরুণ কুমার চন্দের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তার প্রয়াত পিতা স্বাধীনতা সংগ্রামী যতীন্দ্রমোহন ...