Posts

কেন্দ্রীয় সরকারের বড় খেলা বিজেপি বাজিমাত

আজকের এই রাজনৈতিক ডামাডোলের এক গভীর ষড়যন্ত্র লক্ষ্য করছি। নেপথ্যে এক বড়ো খেলা হয়ে গেলো হয়তো সাময়িক ভাবে কেন্দ্রের সরকারের এক বড়ো জয়। আপনারা কি ভেবেছেন বিজেপি সাংসদে  নতুন বিল যা পার্লামেন্টে আসতে চলেছে তাতে হয়তো চন্দ্র বাবুর অস্তিত্ব সংকটে পরবেই? প্রায় 700 র অধিক কেন্দ্র সভার সিট বারানোর পরিকল্পনা যা দক্ষিণ ভারতে জনসংখ্যার  নিরিখে না বাড়ানোর ভাবনা। এতো বছরেও যেখানে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নেই বা করতে পারেনি। এমন ভাবে উত্তর, পূর্ব এবং মধ্যভারতে তাদের শক্তি বৃদ্ধি করে কেন্দ্রে টিকে থাকার রাজনীতি। ঠিক আজকের অবস্থান বিজেপির সংখ্যা তত্বে না গিয়ে একটূ ভাবলে বুঝবেন কংগ্রেস এবং বামপন্থীদের অস্তিত্ব কে অস্বীকার করা ভূল হবে এবং বহি:বিশ্বের বিজেপির অবস্থান সঙ্কটের যায়গায়। রাহুল প্রিয়ঙ্কা কে মেন নিচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। যুব জনতার রোষ আছে পরেছে ভারতে। উদাহরণ cockrohch janta party ( CJP) র উত্থান। যা কেন্দ্রের ভীতে এক বড়ো ধাক্কা। এমত অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন এক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। SIR নিয়ে কয়েক লক্ষ ভোটারদের ভোট দান রধ এবং তৃণমূলের পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি মানুষে অনাস্থা...

রাজ্যের বিশিষ্ট সাংবাদিক নব ঠাকুরিয়া মহর্ষি নারদ পুরস্কার পেলেন

Image
 নয়া ঠাহর সংবাদদাতা : দেৱৰ্ষি নাৰদ জয়ন্তীৰ বঁটা  গুৱাহাটী: সাংবাদিকতাত ভুলতকৈও ডাঙৰ বিপদ অৰ্ধসত্যৰ প্ৰকাশ আৰু বিচাৰ। নাৰদ জয়ন্তীত মূল ভাষণ প্ৰদান কৰি এই বিশেষ মন্তব্য দিল্লীৰ দূৰদৰ্শন কেন্দ্ৰৰ জ্যেষ্ঠ পৰামৰ্শদাতা তথা সাংবাদিক প্ৰখৰ শ্ৰীবাস্তৱৰ। ৭ জুন দেওবাৰে বিশ্ব সংবাদ কেন্দ্ৰ অসমৰ উদ্যোগত আয়োজিত নাৰদ জয়ন্তীত প্ৰদান কৰা হয় দেৱৰ্ষি নাৰদ বঁটা তথা সম্বৰ্ধনা অনুষ্ঠান। এইবাৰ দেৱৰ্ষি নাৰদ বঁটা প্ৰদান কৰা হয় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক তথা ঈষাণ দৰ্পণৰ সম্পাদক নৱ ঠাকুৰীয়াক। ৩ যুৱ সাংবাদিক এন কে টিভিৰ জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক লক্ষ্যজ্যোতি গোহাঁই , প্ৰথম খবৰৰ ছীফ ৰিপ'ৰ্টাৰ ৰঞ্জিতা ৰাভা আৰু দৈনিক অসমৰ উপ সম্পাদক মৃদুল হালৈক জনোৱা হয় নাৰদ জয়ন্তীৰ বিশেষ সম্বৰ্ধনা। গুৱাহাটীৰ বৰবাৰীৰ সুদৰ্শনালয়ত আয়োজিত অনুষ্ঠানত সাম্প্ৰতিক সামাজিক–ৰাজনৈতিক পৰিস্থিতি আৰু অতীতত এইক্ষেত্ৰত হোৱা ভুলৰ বিষয়ে তথ্যপূৰ্ণ গুৰুত্বপূৰ্ণ ভাষণ প্ৰদান কৰে প্ৰখৰ শ্ৰীবাস্তৱে। সম্প্ৰতি শতবৰ্ষ পালন কৰি থকা ৰাষ্ট্রপতি সংগঠন আৰ এছ এছ প্ৰসংগত তাৎপৰ্যপূৰ্ণ মন্তব্য কৰে শ্ৰীবাস্তৱে। ‘সাম্প্ৰতিক পৰিৱৰ্তিত ৰাজনৈতিক প্ৰেক্ষাপটত ...

শিলাদিত্য দেব ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার বাঙালিদে অভিভাবক কে বাদ দেওয়া হল

Image
অমল গুপ্ত : ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার  অন্যতম যোগ্য  যুব  নেতা  শিলাদিত্য দেব কে  ইউজ  করে ডাস্টবিন ছুড়ে ফেলা হল।একজন গুণী  সংখ্যা লঘু নেতা। বিজেপি করার অপরাধে বহু  সমালোচনার শিকার হয়েছেন।বহুবছর রকে পাশ থেকে  দেখেছি।  ডিটেনশন ক্যাম্পে এক  বাঙালি যুবক কে অনাহারে রেখে চিকিৎসা না করিয়ে মেরে ফেলা হয়।সরকারের অবস্থা  খারাপ হয়ে গিয়েছিল।শিলাদিত্য  সেই বিপদ থেকে সরকারকে বাঁচায়। প্রচণ্ড ভালো ইংরাজিতে ভাষণ দেন। বরাকের বিজেপি জন্মদাতা কবীন্দ্র পুরকায়স্থ    শিলাদিত্য কে অফিস এসিস্ট্যান্ট হিসাবে রেখেছিলেন।o খুব ভাল কাজ করতেন।অসম মানুষদের হাতের তালুর মত চিনতেন। সে বিজেপি আর্দশে অনুপ্রাণিত  শিলাদিত্য কে মন্ত্রী পদ  থেকে দূরে রাখা ।মুখ্যমন্ত্রী তাকে সংগঠনের কাজ করার অনুরোধ জানিয়ে বলছিলেন এর মন্ত্রিত্ব দেওয়া হবে।এই সব কিছুর সাক্ষী ছিল এই প্রতিবেদক। তার বোন ভাল একজন সাংবাদিক ,শিলাদিত্য সাংবাদিকতা করেছেন। প্রচুর অভিজ্ঞতা। তাকে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বাদ দিলেন। 

পবিত্র বিধানসভা তে অপবিত্র কাজ কর্মের অভিযোগ

পবিত্ৰ বিধানসভাত অপবিত্ৰ কৰ্মকাণ্ড কাৰ? দুৰ্নীতিকাৰীৰ বিৰুদ্ধে তদন্ত - শাস্তি হ’ব লাগে  চন্দ্ৰ কুমাৰ শইকীয়া  পবিত্ৰ অসম বিধানসভাৰ সচিবালয় অপবিত্ৰ কৰিলে পূৰ্বৰ অধ্যক্ষ বিশ্বজিত দৈমাৰীয়ে৷ বিধানসভাৰ অধ্যক্ষৰ দৰে পবিত্ৰ আৰু শক্তিশালী পদবীত থাকি সমগ্ৰ সচিবালয়টোকে দুৰ্নীতি আৰু কেলেংকাৰীৰ আৱৰ্জনাত পোত খাবলৈ দিয়াৰ বিৰুদ্ধে বৰ্তমানৰ অধ্যক্ষ ৰঞ্জিত দাস গৰজি উঠিছে৷ জনতাৰ প্ৰশ্ন, আমাৰো প্ৰশ্ন - অসম বিধানসভাৰ প্ৰাক্তন অধ্যক্ষ বিশ্বজিৎ দৈমাৰী কিয় তদন্তৰ আওতালৈ নাহিব? দৈমাৰীৰ দিনত বিধানসভাৰ সচিবালয়ৰ সচিবজন উঠিৰজা বহিৰজা হৈছিল আৰু ৰাজহুৱা ধনৰ অবাধ অপব্যয় কৰিছিল বুলি অভিযোগ উঠিছে। অধ্যক্ষৰ বিশেষ কৰ্তব্যৰত বিষয়া মানে অ’এছডি সৌমেন বৰুৱাই বহু নকৰিবলগীয়া কাম কৰিছিল আৰু কৰিবলগীয়া কামবোৰ পেলাই থৈছিল৷ অধ্যক্ষৰ সাহায্য পুঁজিৰ ধন হোৰাহোৰে আত্মসাৎ কৰাৰ বিপৰীতে দুখীয়া ৰোগী বিশেষকৈ দুখীয়া সাংবাদিক ৰোগীয়ে আবেদন কৰিও সহাঁৰি পোৱা নাছিল৷ কেইজনমান ৰোগীয়ে মৃত্যুবৰণ কৰিলে কিন্তু অএছডি বৰুৱা আৰু অধ্যক্ষ দৈমাৰীয়ে গুৰুত্ব নিদিলে৷ সচিবালয়ৰ একাংশ বিষয়া আৰু ঠিকাদাৰে ৰাজহুৱা ধনৰ শৰাধ পাতিছে৷ স্বতন্ত্ৰ ক্ষমতাৰে মহীয়ান ...

কিঞ্চিৎ গোষ্ঠীর পরিবেশ দিবস উদযাপন

"*কিঞ্চিত( আন্তঃরাষ্ট্রীয় সাহিত্য- সামাজিক- সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীৰ অন্তৰ্গত " কিঞ্চিৎ বজালী শাখাৰ" উদ্যোগত " বিশ্ব পৰিবেশ দিৱস' উদযাপন*".... ________________________ যোৱা ৫ জুন ২০২৬ ইং ( শুক্ৰবাৰ)  " বিশ্ব পৰিৱেশ দিৱস'' উপলক্ষে কিঞ্চিৎ গোষ্ঠীৰ পতাকা উত্তোলনেৰে অনুষ্ঠানৰ কাৰ্যসূচী শুভাৰম্ভ হয়। *বিশিষ্ট লেখক,  অৱসৰপ্ৰাপ্ত শিক্ষক তথা কিঞ্চিৎ গোষ্ঠীৰ আজীৱন শুভাকাংক্ষী শ্ৰী কামিনী মোহন শৰ্মা* ডাঙৰীয়াই বৃক্ষ ৰোপণ কৰাৰ পিছত  ৰাতিপোৱা পাঠশালাত অৱস্থিত   এম,ভি, স্কুলৰ শ্ৰেণীকোঠাত বিশ্ববিশ্ৰুত শিল্পী ড০ ভূপেন হাজৰিকা আৰু জনদৰদী প্ৰাণৰ কণ্ঠশিল্পী জুবিন গাৰ্গৰ প্ৰতিকৃতিত মাল্যাৰ্পণ, বন্তি প্ৰজ্বলন, পুষ্পাৰ্ঘ অৰ্পণ কৰি শ্ৰদ্ধাঞ্জলি নিবেদন কৰা হয়।পাঠশালাৰ বিভিন্ন বিদ্যালয়ৰ পৰা অহা শতাধিক ছাত্ৰ-ছাত্ৰীয়ে চিত্ৰাংকন প্ৰতিযোগিতাত অংশগ্ৰহণ কৰে ।  দুপৰীয়া মুকলি সভাত চিত্ৰাংকণ প্ৰতিযোগিতাত প্ৰথম, দ্বিতীয়, আৰু তৃত্বীয় স্থান প্ৰাপ্ত সকলক  মানপত্ৰৰ সৈতে  পুৰস্কৃত কৰাৰ লগতে অংশগ্ৰহণকাৰী সকলোকে একোখনকৈ মানপত্ৰ প্ৰদান কৰা হয়।  মুকলি সভা ------------ ' *কিঞ্চিত ...

১৫ বছর ব্যাপক দুর্নীতি " ইগো" অহংকারের তৃণমূল পতন

Image
অমল গুপ্ত ,৯ জুন,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ:  ১৫ বছর আকাশ অন্ধকারে  ঢাকা   ছিল ,একটিও উজ্জ্বল মুখ দেখা যায়নি। সবই  ইগো  অহংকারী মুখ  যারা আইন আদালত মানেন না।নিজেদের কন্যা হত্যা রহস্য ঢাকতে  আইনজীবীদের কোটি কোটি টাকা দিয়েছে তৃণমূল সরকার।আর জি কর হাসপাতালে ভাঙতে রাতের অন্ধকারে একাংশ তৃণমূল  মুসলিম যুবকদের  ডেকে আনা হয়েছিল।ডাক্তারের নতুন গাড়ি  হাসপাতালের সব সম্পত্তি রাতারাতি ভেঙে চুরমার করা হয়। সারা বিশ্ব দেখেছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার কি ধরনের দুষ্কৃতি রাজ চালাতে পারে।রাজ্যের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব অপরাধের জন্যে দায়ী। প্রধান অপরাধী যিনি মর্গের মৃতদেহ নিয়ে ব্যবসা জাল ঔষধ ,   নারী চক্র ,মাদক ব্যবসা সঙ্গে জড়িত  অফিসার কে মুখ্যমন্ত্রী   শাস্তির বদলে প্রমোশন দেন।বর্তমান বিধায়ক  মা কে  মৃত মেয়ের মুখ পর্যন্ত দেখতে দেই নির কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনা বিশ্ববাসীকে নাড়িয়ে দেয়। আজকের ঘটনার অন্যতম কারণ নিজের  ডাক্তার কন্যা হত্যা। মাত্র একজন কে গ্রেফতার করা হয...

ইন্ডিয়া বৈঠকে ম্রিয়মাণ

Image
'ইন্ডিয়া' বৈঠকে হাতে  ম্রিয়মাণ মমতা      তৃণমূল গঠন করার পর অনেক ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক যাত্রাপথ। একমাত্র সাংসদ হিসাবেও তিনি একদা লড়াই করেছেন লোকসভায় দীর্ঘ পাঁচ বছর। রাজনৈতিক শিবির বলছে, গত আড়াই দশকে অন্য কোনও দলের প্রতি এতটা নির্ভরতা বা সমর্পণ দেখা যায়নি তাঁর, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের প্রতি যেমনটা দেখা যাচ্ছে।       আজ দুপুরে 'ইন্ডিয়া' শিবিরের বৈঠকে তো বটেই, দিন কুড়ি আগে থেকেই তৃণমূল নেতৃত্ব কংগ্রেস প্রসঙ্গে ধারাবাহিক ভাবে নরম বার্তা দিয়ে গিয়েছেন, মাস খানেক আগেও যা অসম্ভব ছিল। আজ বৈঠকের পর স্পষ্ট, নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০২৯-এর লোকসভা যুদ্ধে কংগ্ৰেসকে সঙ্গে নিয়ে নান্যোপায় হয়ে কংগ্রেসের শর্তেই লড়তে চাইছেন।