বিশ্বের ভূগর্ভ তেল ভান্ডার ফুরিয়ে যাচ্ছে,তেল নিয়ে যুদ্ধ চলছে, জল নিয়ে যুদ্ধ দৌড় গোড়ায়
অমল গুপ্ত ,৪ এপ্রিল ,গুয়াহাটি রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে: উত্তর পূর্বের দুই রাজ্যে অসম মেঘালয়ের সীমান্তে বাস করে পানীয় জলের অভাব বোধ করছি। তেল ভান্ডার যেমন শেষ হতে চলছে ভূগর্ভ জল তো দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।দেশের চারটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন জোর প্রচার প্রচার অভিযান চলছে। কেরালায় ,পদুচেরী অসম পশ্চিমবঙ্গ, থেকে কংগ্রেস ,তৃণমূল কংগ্রেস , বিজেপি ,সিপিএম , সিপিএআই প্রভৃতি আঞ্চলিক দল লড়ছে। কোনো রাজনৈতিক দল তাদের ইশতেহার বা মেনোফেস্ট এ পরিবেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ নিয়ে গুরুত্ব প্রদান করেনি।জল সংরক্ষণ নিয়ে নম নম করে আশ্বাস দিয়েছে। ভূগর্ভ জল দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র সংঘ বহু আগেই পূর্বাভাস দিয়েছে আগামী বিশ্বে তৃতীয় বিশ্ব যুদ্ধ হবে জল নিয়ে। এখন তেল নিয়ে যুদ্ধ চলছে থেমে যাবে একদিন। কিন্তু জল যুদ্ধ থামবে না। ঠাণ্ডা অঞ্চল জল জঙ্গলের মাঝে আছি মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জি কাছেই অবস্থিত , সেই চেরাপুঞ্জি মানুষ জল কষ্টে ভুগছে। এপ্রিল মাসের গরম ক্রমশ বাড়ছে।ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে জলের আকাল শুরু হয়েছে।কোনো রাজনৈতিক দলের মাথা ব্যথা নেই গ দি দখলের যুদ্ধ চলছে। পশ্চিমবঙ্গ তো শেষ হয়ে যাবে। জাত পাতের সাম্প্রদায়িক লড়াই তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। একটি রাজনৈতিক দলেরও নীতি আদর্শ নেই ,দেশ প্রেম নেই, দুর্নীতি গ্রস্ত সব দল। গদি রক্ষার লড়াই। দেশের আমজনতার কথা দরিদ্র মানুষের কথা কেউ ভাবে না । সাবেক পরিকল্পনা কমিশন বা নীতি অয়োগ কয়েক মাস আগে দেশ বাসীকে সতর্ক করে বলেছে২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪০ শতাংশ জল ফুরিয়ে যাবে । ইতিমধ্যে দক্ষিণের চেন্নাই তামিলনাড়ু , সহ দক্ষিণের কয়েকটি রাজ্যে নদী নালা সব শুকিয়ে যাচ্ছে। চেন্নাই তো এক সবুজ পাহাড় শুকিয়ে গেছে। ভারতের পবিত্র গঙ্গা উৎস স্থাল গঙ্গোত্রী শুকিয়ে যাচ্ছে গঙ্গার প্রায় ২৫ হাজার কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ব্যাপক ভাবে দূষিত হচ্ছে।প্রধান নদী যমুনা ,ব্রহ্মপুত্র সহ দেশের অধিকাংশ নদীর দূষণ মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে
জল শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারতের কাশী বেনা রস গঙ্গা তীরে মনিকর্নিকা ঘাটে সারাবছর প্রতিদিন শয়ে শয়ে মরদেহ চিতায় তুলে জ্বালানো হয়। মরদেহ্ গুলি ভালোভাবে না পুড়িয়ে "পবিত্র" গঙ্গা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পুরী তে মন্দিরের কাছে একই ভাবে প্রতিদিন শয়ে শয়ে মরদেহ পড়ানো হয়। বিগত করোনা তাণ্ডবের সময় দেশের অধিকাংশ নদীর জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
গঙ্গা যমুনা নদীর প্রতি ফোঁটা তে দূষণ আছে।করোনা গ্রাস করা মৃতদেহ কেউ স্পর্শ পর্যন্ত করত না। পবিত্র গঙ্গা আর পবিত্র নেই। "গ্রো মোর ফুড" কর্মসূচি তে অতিরিক্ত ফসল ফলানোর নেশা পাঞ্জাব ,হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ প্রভৃতি রাজ্যে জমি উর্বর করতে গিয়ে রাসায়নিক সার ব্যবহার কৃষি জামি দূষিত , মাটি আর সঙ্গে উৎপাদিত ফসল। জল সব দূষিত হয়ে গেছে। দেশের উৎপাদিত শাক সবজি ফলমূল মাছ মাংস ডিম সর্বত্র কীটনাশক ব্যবহার। দেশের বিখ্যাত ডাক্তার দেবী সেটি কোল্ড ড্রিঙ্কস না পান করার পরামর্শ দিয়েছেনা।।ভারতের হলিউড ,টালিউড অভিনেতারা সেই নিষিদ্ধ কোল্ড ড্রিঙ্কস বিজ্ঞাপন করছে।দেশের বিশিস্ট ডাক্তার দেবী র মত ডাক্তার র বলেছেন গত কয়েক বছর দেশের মানুষ কোল্ড ড্রিঙ্কস পান করছে না
বলে ডায়াবেটিস অনেক কন্ট্রোল হয়েছে। গাছ ই জীবনের প্রাণ অক্সিজেন যোগায়।দেশে ব্যাপক হারে সবুজ ধ্বংস চলছ দেশে মাথা পিছু মাত্র ২৬ টি করে গাছ আছে ভারতের থেকে ছোট রাষ্ট্র জার্মান এ আছে তিন হাজার আমেরিকা তে আছে চার হাজার ,একটি পূর্ণ বয়স্ক গাছ সারা বছর অক্সিজেন যোগায় বৃষ্টি নামায় ,নদনদী সবুজ থাকে। দেশের বিশিষ্ট পরিবেশ বিদ সুন্দর লাল বহুগুনা দেশের রাষ্ট্র পতিকে এক পত্র দিয়ে অনুরোধ করে ছিলেন ভোট হচ্ছে ভোটারদের মুল্য বাড়ছে।দেশের গাছ কো নাগরিক হিসাবে গন্য হতে পারে না।সেই নাগরিকদের জীবন বাঁচাতে রাষ্ট্রপতি ইস্তে হার প্রকাশ করবে না কেন?
(রাণী জঙ্গলে সুর্য ডোবার প্রাক মুহূর্ত)
..
Comments
Post a Comment