পশ্চিমবঙ্গে চূড়ান্ত ভোট,৩কোটি ২১ লাখ ভোটার ,১৪৪৮ জনের ভাগ্য পরীক্ষা
অমল গুপ্ত ,২৯ এপ্রিল , কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ ,ওয়েস্ট বেঙ্গল: আজ পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট ৮ টি জেলার ৩কোটি ২১ লাখ ভোটার তাদের গনতান্ত্রিক অধিকার সাব্যস্ত করবেন। মোট বুথ,,৪১০০১ টি।সবচেয়ে বেশি ভোটার ভাঙ্গরে ১৯ জন প্রার্থী , ।রজ্যিক নির্বাচন আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল অবাধ নিরপেক্ষ ভোট করার পণ করেছেন। রাজ্যে ২ লাখের বেশি আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যে ছাপা ভোট বন্ধ ,এবং দুষ্কৃতী নির্মূল করার লক্ষ্যে ২১০০ দুষ্কৃতী কে গ্রেফতার করা হয়েছে।উত্তর প্রদেশ থেকে এনকাউন্টার স্পেলিস্ট আই পি এস অফিসার অজয় পাল শর্মা কে নির্বাচন কমিশন সরকারিভাবে দায়িত্ব দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ এমন এক রাজ্যে যেখানে একাংশ মুসলিম মাস্তান দুষ্কৃতীদের কাছে মাথা নত করে সমস্ত বাঙালি হিন্দু ভয়ে ঘরে ঢুকে থাকে ভোট দিতে যান না। যে ভাবে একদিন ওপার বাংলা থেকে রাতের অন্ধকারে পালিয়ে এসেছিল।সব বৈধ ভোটারের ভোট দিয়ে ছাপ্পা মারে বুথ জ্যাম করে ভয় দেখিয়ে শাসক দলকে জেতাতে সব ধরনের চেষ্টা করে। এবার সম্ভবত শাসক দলের সব খেলা বন্ধ করা হয়েছে। রাজ্যের সমস্ত গুণ্ডা মাস্তান আধা সামরিক বাহিনীর ভয়ে ইতিমধ্যে গা ঢাকা দিয়েছে।ভোট অবাধ নিরপেক্ষ হবে বলে পূর্বা ভাস দেওয়া যেতে পারে। এখন সকাল ৭, ২৫ মিনিট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কেন্দ্রে ভবানীপুর দাঁড়িয়েছে ,বিরোধী দলপতি শুভেন্দু অধিকারী প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। আজ খাস কলকাতার "মেরুদণ্ডহীন" বুদ্ধি জীবীদের ভোট যারা সব দুর্নীতি সব অন্যায় মুখ বুঝে মেনে নেয়। প্রতিবাদ করতে ভয় পায় ।এবার সম্ভবত ভোট দিতে বেরিবে আসবে। কলকাতা পুলিশ যে নিরপেক্ষ নয় আর জি কর হাসপাতালে সরকার নিজের ডাক্তারকে গলা টিপে হত্যা করে সব প্রমাণ লোপাট করেছে কলকাতা পুলিশ। সব সম্মান মর্যাদা ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছে। কলকাতা পুলিশের এক সদস্য ভয়ের ঘেরাটোপ থেকে বেরিয়ে সব গোপন কার্যকলাপ প্রকাশ করে দিয়েছে। আজ ভোট দিয়ে প্রমাণ করতে হবে রাজ্যে দুষ্কৃতী রাজ থাকবে না হিন্দু সনাতনী থাকবে। এক মুসলিম নেতা বলেছেন ভোটের সময় বাঙালি হিন্দুরা মাংস ভাত যেয়ে ঘরে ঘুমায় আর মুসলিমরা মুড়ি ঘুগনি খেয়ে ভোট দিতে যান। বাঙালি হিন্দুদের কোনো দেশ নেই, নিজের ঘর ঘরে নিরাপত্তা নেই। এই রক্ত হীন বাঙালি হিন্দু দের নেতাজি বিবেকানন্দ, রবীন্দ্র নাথের নাম নেওয়ার অধিকার নেই। মেরুদণ্ডহীন জাতি বাঙালি হিন্দু। আজ তাদের শেষ পরীক্ষা । দেশের প্রধানমন্ত্রী, দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ,উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্য নাথ ,অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা লাগাতার প্রচার করে বাঙালিদের জাগাবার চেষ্টা করেছেন। বাঙালি জাগলে তো? সকাল ৯ টা পর্যন্ত ১৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। তাতে স্পষ্ট ইঙ্গিত স্পষ্ট বার্তা এসেছে। বাংলদেশে আবার হিন্দু হত্যার ঘটনা কোনো প্রতিরোধ নেই। বাংলদেশে মুসলিমরা হিন্দু হত্যার প্রতিবাদ করে না। এপারে হিন্দু নির্যাতন সঙ্গে ওপারে হিন্দু হত্যা স্থায়ী মুসলিম জনগোষ্ঠী চুপ থাকে।দুই পাড়ে প্রতিবাদী মুসলিম কোথায় ? কোথায় কলকাতার বুদ্ধিজীবী দের প্রতিবাদ মিছিল? দুপুর ১টা পর্যন্ত ৬১ শতাংশ ভোট পড়েছে। গর জিত স্পষ্ট হয়ে গেল।
( প্রতিবেদক বাংলা নিউজ পোর্টাল নয়া ঠাহর সম্পাদক , এক্রেডেটেড জার্নালিস্ট অসম )
Comments
Post a Comment