ভারতের প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান অজিত দোভাল দেশের নিরাপত্তা নিয়ে মুসলিম সমাজের সঙ্গে গোপন বৈঠক কি পরিবর্তনের বার্তা ?
অমল গুপ্ত ,২৮ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ ,ওয়েস্টবেঙ্গল : ভারতের প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান তথা দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল বৃদ্ধ বয়স এও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে জরুরি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। ভারতের মুসলিম সমাজের বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী দের সঙ্গে দেশের নিরাপত্তা নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। ওয়াকফ সম্পত্তি ভোগ করছে দেশের ধনী মুসলিম সমাজ, ৯৯ শতাংশ অশিক্ষিত অবহেলিত মুসলিম দারিদ্র পীড়িত সমাজ ক্ষোভে ফুঁসছে। দেশের প্রায় ২০ শতাংশ মুসলিম দের মধ্যে অধিকাংশ কোনো উন্নতি হচ্ছে না। এই ক্ষোভ এই চরম দারিদ্রতা একদিন দেশবিরোধী উগ্রপন্থা মৌলবাদীদের হাত কে শক্ত করতে পারে। সেই দিকে নজর ছিল প্রধান মন্ত্রীর দফতরে গোপন বৈঠকে সূত্র থেকে জন্য যায়। স্পষ্ট বক্তা ঝানু প্রাক্তন গোয়েন্দা প্রধান অজিত দোভাল বলেছেন গান্ধীজী নয় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ভয়ে ইংরেজরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। নেতাজি আর আজাদ হিন্দ ফার্স কে ব্রিটিশ রা যথেষ্ট ভয় পেতো। পশ্চিমবঙ্গের দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগে যে সব খবর আসছে তাতে রাজ্যে পরিবর্তন আসছে তাও প্রায় ধরে নেওয়া যায়। কলকাতা পুলিশের এক কর্মী ভয়ডর না করে প্রকাশ্যে বললেন কলকাতা পুলিশ কে" ইসলামীকরণ" করার চক্রান্ত চলছে। কলকাতা নিউ টাউন সহ পূর্ব কলকাতা ভেরি অঞ্চল জলাশয় অঞ্চল সব ইরানের রামসার সাইট হিসাবে পরিচিত। জলাশয় সংরক্ষণ নিয়ে ইরানের রামসার বিশ্ব সম্মিলনে পূর্ব কলকাতা জলাশয় কে রামসার সাইট হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী বিধানচন্দ্র রায় পর্যন্ত রামসার সাইট কে গুরুত্ব দেন নি। সব বেদখল হয়ে গেছে।কলকাতার সব জল নিস্কাশনের একমাত্র পথ অবরুদ্ধ। তৃণমূল আগে বামফ্রন্ট আমলে হাজার হাজার অবৈধ বাড়ি নির্মাণ হয়েছে। সেই বিশাল জলাশয় এলাকা কে উদ্ধার করে বেআইনি সব কংক্রিটের জঙ্গল যে ধ্বংশ করে পুনরুদ্ধার করে মাছের বিশ্ব বাজার করার চেষ্টা করার কথা শোনা গেল। এই অঞ্চলে মসজিদ গড়ার গোপন প্ল্যান নিয়ে বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা বিভাগের গোপন কার্যকলাপ করার কেন্দ্রের কাছে মায়ানমারের অবৈধ রোহিঙ্গা দের অনুপ্রবেশের ব্যবস্থা করা হবে দেওয়া হয়েছে ।যা দেশের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তার বিষয়। এই অঞ্চল কলকাতার অভিজাত অঞ্চল বলে পরিচিত যা দেশ বিরোধী কাজে ব্যবহার করা বলে বিজেপি নেতা অভিযোগ করেন। কলকাতা পুলিশ দেশ বিরোধীদের রক্ষা করে এসেছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে।।উত্তর প্রদেশ থেকে পুলিশ এসে গতকাল হাজারের বেশি উগ্রপন্থী দের গ্রেফতার করেছে। ওই এলাকার ভৌগলিক জন বিন্যাস পাল্টিয়ে গেছে।এতবছর কলকাতা সাংবাদিক পেড নিউজ করা সাংবাদিকদের চোখে কিছুই পড়েনি। পশ্চিমবঙ্গের সাংবাদিকদের ৯৯ শতাংশ কোনো নিয়োগ পত্র নেই চুক্তিপত্র নেই। এক সাধারণ মোবাইল কে সম্বল করে সরকারি দলের দয়া ভিক্ষা নিয়ে এক পক্ষ ভাবে পাতা ভড়ায়।নিউজ থেকে না। গনতন্ত্রের প্রহরী সংবাদ মাধ্যম যদি নিরপেক্ষভাবে সৎ ভাবে কাজ করত তবে রাজ্যে দেশ বিরোধী চক্র বাড়বাড়ন্ত হত না। এছাড়া কলকাতার বাবু ক্লাসের মদ মাংস বিষাক্ত বিরিয়ানি এই পরিবর্তনকে এগিয়ে দিচ্ছে। মদ ,মাংস, মোবাইল যুবসমাজ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে।। পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে কলকাতার বড় বাজার ও এই বাজারে ৯০ শতাংশ গেরুয়া রং এর আবীর বিক্রি হয়ে গেছে।সবুজ আবির ১০ শতাংশ বিক্রি হয় নি। কিসের বার্তা ?
Comments
Post a Comment