সংসদে পাশ হওয়া নাগরিক সংশোধনী আইন টি ৫ এপ্রিলের পর দেশে লাগু হবে
অমল গুপ্ত ,,২৭ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ : বাংলদেশে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে যেসব হিন্দু শিখ , বৌদ্ধ জৈন এবং পার্সি সম্প্রদায়ের হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ ধর্মীয় কারণে বা গোষ্ঠী সংঘর্ষের শিকার হয়ে ২০১৪ , সালের ৩১ ডিসেম্বর আগে ভারতে প্রবেশ করেছে বা আসতে হয়েছে। তাদের ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব বিধি মেনে ভারতের নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। সংসদে উত্থাপিত বিল টি ২০১৯ সংসদে আইন পরিণত হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস , সরকার আইন টি মুসলিম বিরোধী বলে আপত্তি জানায়।রাজ্যে আইনটি প্রবল বিরোধিতা করে সরকারি সম্পত্তি ধ্বংশ করে। ভারতের বক্তব্য বাংলাদেশ মুসলিম রাষ্ট্র ,পাকিস্থান আফগানিস্থান মুসলিম রাষ্ট্র তবে কেন মুসলিমদের সেই নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে। মুসলিম রাও বাইরের দেশে নির্যাতনের শিকার হয়। প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা রেজ্যে নির্বাচনী সভা থেকে অস্বাস দিলেন বিজেপি খাতায় এলেন আইন টি বাস্তবায়িত করা হবে। কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এই নাগরিকত্ব লাভ করবে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন টিকে সংক্ষেপে সি এ এ বিলা হচ্ছে। বাংলদেশে এবং ভারতে তিন কোটির বেশি মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ আছে তাদের অধিকাংশ কে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রধানমন্ত্রী। হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেন অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে এখন বাঙালি হিন্দু নেই। অসমে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে ১৯ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়ে তার মধ্যে প্রায় ১২লাখ বাঙালি হিন্দু আছে বলে জানা গেছে। দুর্ভাগ্য কথা এই আদি বাঙালি হিন্দুরা তদানিন্তন পাকিস্তান বর্তমান বাংলা দেশ থেকে এই ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এসে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নিতে পারেনি। মানুষের দয়া ভিক্ষা করে বেঁচে আছে।অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে বাঙালি হিন্দুদের দুর্দশা আমি দেখেছি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও বাঙালি হিন্দুদের জন্য দেশ নেই ৫৬ টি মুসলিম দেশ আছে , বাংলদেশে পাকিস্তান ভারত বিভাজনের বলি নেতাজি সুভাষ থাকে দেশ বিভাজন হত না শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী হিন্দুদের জন্যে দেশ গঠনের চেষ্টা করে প্রাণ দিতে হল।।কংগ্রেস জহরলাল নেহরু , লালবাহাদুর শাস্ত্রী বিজেপি উপ প্রধানমন্ত্রী লাল কৃষ্ণ আদবানি সংসদে বহুবার লিখিত ভাবে আশ্বাসে দেন বাংলদেশে নির্যাতিত বাঙালি হিন্দুদের ভারতে মর্যাদার সঙ্গে নাগরিকত্ব প্রদান করা হবে। কোথায় গেল সেই সব কমিটমেন্ট পদ্মা গঙ্গার জলে ভেসে গেছে।কলকাতা এবং আশ পাশে বসবাসকারী একাংশ বাঙালি হিন্দু পশ্চিম পাকিস্তান থেকে মার খেতে খেতে রাতের অন্ধকারে এই রাজ্যে পালিয়ে এসেছে।প্রতিবাদ করার সৎসাহস ছিল না। এখন দাবি করে পুকুর ছিল বিঘা বিঘা জমিতে ধান ছিল। মিথ্যা কথা বলে বাঙালি হিন্দুরা।।এই রাজ্যের ব্যাপক দুর্নীতি অরাজকতার সঙ্গে আপস করে ঘর করে। নেতাজি ক্ষুদিরাম ,প্রফুল্ল চাকী সূর্যসেন দের রক্ত আছে , দাবি করে। এক দিন একজন বিবেকানন্দ একজন রবীন্দ্র নাথ কবে কোন কালে জন্মেছেন তাদের ভাঙিয়ে খাচ্ছে বাঙালি।সব শেষ হয়ে গেছে
তাদের না আছে দেশপ্রেম না আছে আর্দশ দেশ ভক্তি। এখন কলকাতার বাবুদের মদের দোকান আছে মাংস বিরিয়ানির দোকান আছে। স্কুল কলেজ পাঠ উঠে গেছে সেই কবেই। অসমের মুখ্যমন্ত্রী শর্মা অভিযোগ করেন তৃণমূল বলছে কেন অসমে প্রচার করতে এসছি ,তৃণমূল চাইছেন না ,মুখ্যমন্ত্রীর জবাব" আমি যে বলব অসমের জমিতে সেমি কন্ডাকটর প্রকল্প হল কয়েক লাখ বেকারের কর্ম সংস্থান হবে।বেকারত্ব কমবে। জিডিপি গৃতি বাড়ছে। পশ্চিমবঙ্গ সবদিকে পিছনে যাচ্ছে।তাই তৃণমূলের গোঁসা।
Comments
Post a Comment