দেশে ১৪৫ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে মহিলা সংখ্যা প্রায়,,৫০ শতাংশ তাদের পরাজয় ঘটল
অমল গুপ্ত, ১৮ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড , মুর্শিদাবাদ : গতকাল গুয়াহাটি তে বসে সংসদে নারী সংরক্ষণ বিল পাশ না হওয়ায় খবর খারাপ লাগলো। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আজ বাংলা তে বলেন ১৭ এপ্রিল ভারতের পক্ষে "ব্ল্যাক ডে ' দেশের অর্ধেক আকাশ এর রাজনেতিক অধিকার খর্ব করা হল । সমাজবাদী পার্টি, তৃনমূল কংগ্রেস ,কংগ্রেস দল দেশের মহিলাদের রাজনেতিক অধিকার দিচ্ছে না তার বদলে ভিক্ষাবৃত্তি তে উৎসাহিত করছে। শুক্রবার সংসদে ৫৫২ সংসদের মধ্যে গতকাল উপস্থিত ছিলেন ,৫২৮ জন সংসদে উপস্থিত ছিলেন।বিলের পক্ষে ভোট পড়ে২৯৮ টি বিরুদ্ধে ভোট পড়ে২৩০ ভোট।বিল টি পাশ হলে দেশের মহিলা ৩৩ শতাংশ হারে ক্ষমতা ভোগ করতে পারতেন। লোকসভা বিধানসভা পঞ্চায়েত সর্বত্র এই হারে সুযোগ সুবিধা পেতেন। ২০২৩ তদানিন্তন রাজীব গান্ধী সরকার পঞ্চায়েত পর্যায়ে সংরক্ষণ চালু করেছিলেন।অথচ বিরোধী দলপতি রাহুল গান্ধী বিলটির তীব্র বিরোধিতা করে বলেন এই বিলের সঙ্গে মহিলাদের ক্ষমতা য়নের কোনো সম্পর্ক নেই।।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেন দেশের মা বোনেরা বিরোধীদের ক্ষমা করবে না। প্রসঙ্গত দেশে প্রতি ২৩ মিনিট একটি করে ধর্ষনের ঘটনা ঘটে থেকে।মহিলাদের বিরুদ্ধে দেশে ৫০ শতাংশ অপরাধের ঘটনা ঘটে । এই অপরাধ বন্ধ করতে দেশের মহিলাদের হাতে রাজনেতিক ক্ষমতা থাকা দরকার ছিল।।কংগ্রেস দল সমাজবাদী পার্টি তৃনমূল কংগ্রেস ইত্যাদি দিল মহিলাদের কিছু ভাতা দিয়ে ভিক্ষা বৃত্তির সুযোগ করে দিচ্ছে কিন্ত রাজ নৈতিক ক্ষমতা তুলে দিতে রাজি নয়। দুই তৃতীয়াংশ সমর্থন না পাওয়ায় বিলটি পাশ হলে না।সংসদীয় মন্ত্রী করেন রিজিজু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন প্রধানমন্ত্রী মহিলাদের সম্মান মর্যাদা দিতে চেয়েছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় বলছেন মহিলা বিলের বিরোধিতা করে তারা কেন্দ্রে কে হারিয়েছে। সব ঠিক এর ফলে পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের সাংবিধানিক রাজনৈতিক অধিকার খর্ব হল না?
Comments
Post a Comment