অসমের রাণী সংরক্ষিত বনাঞ্চলে শকুন প্রজনন কেন্দ্র ১৮০ টি শকুন প্রতিপালন করা হচ্ছে

অমল গুপ্ত  ১৪ এপ্রিল ,গুয়াহাটি রাণী সংরক্ষিত  বনাঞ্চল থেকে : শকুন  প্রজনন কেন্দ্র আজ দেখে এলাম ১৮০ টি শকুন প্রতিপালন করা হচ্ছে।   দেশের ভাগারের পচা মাংস খেয়ে,  রাস্তা ঘাটের আবর্জনা খেয়ে সব সাফ করে  সেই বিনাপয়সায়  ঝাড়ুদার আজ দেওয়ালে পিঠ  ঠেকে গেছে। বিশ্বাস করা যাবে না দেশে ৫কোটি শকুন ছিল।   ৯৯ শতাংশ মারা গেছে। দেশে কিছু সংখ্যক বেঁচে আছে। এর একমাত্র কারণ   এক  বিষাক্ত  ঔষধ  গবাদি পশুর রোগে ব্যবহৃত  সেই গবাদি পশুর মৃত্যু হলে আশপাশের শকুন   ঝাপিয়ে পড়ে মৃত গরুর মাংস  খাবার জন্যে। সেই বিষাক্ত মাংস খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মারা  যায় । এক পরিসংখ্যান বলছে     ৯০ সালের পর থেকে দেশে দ্রুত হারে শকুন মারা পড়েছে। ,  ৯৯ শতাংশ মারা পড়েছে।ভয়ানক খবর   সরকার নীরব। ওই ঔষধ এখন।চলছে।  আজ পয়লা বৈশাখ  মনোরম পাহাড় এলাকায় রাণী বেলঘরি এলাকাতে গেটবন্ধ ছিল।অসম সরকারের accrediated জার্নালিস্ট কার্ড দেখলাম খুলে দিল গেট। বেরিয়ে এলেন এক যুবতী ,অবাক হলাম বর্ধমানের বাঙালি   পৌরাণী ঘোষ  এখানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। জঙ্গলে  এক লা জীবন  অতিবাহিত করছেন।জানলাম স্বামী  বাইরে থাকে ।। আমাকে অফিসে নিয়ে গিয়ে বিস্তারিত জানালেন জয়ন্ত   কুমার  রাভা ।সঙ্গে মহারাষ্ট্রের এক যুবক ছিলেন।মুম্বাই এর নেচারেল হিস্টরি সোসাইটি ,কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রক , অসম সরকারের বন বিভাগ, ব্রিটেন এ রয়েল  সোসাইটি পক্ষী  সংরক্ষণ সংস্থা নামে দুটি এন জিও যৌথ  উদ্যেগে ভারতে শকুন প্রজনন কেন্দ্র এবং।প্রতিপালন সংস্থা টি পরিচালনা করছে বলে  স্থানীয়  কর্তৃপক্ষ   জানালেন। জয়ন্ত কুমার  রাভা জানালেন একটি শকুন বছরে মাত্র একটি ডিম দেয়।লম্বা শাল সেগুন     কদম  শিমুল গাছ ওদের পছন্দ। ভারতে উত্তরবঙ্গের  রাজাভাটখওয়া অসমের রাণী উত্তরপ্রদেশে রাজস্থানে একটি করে সেন্টার আছে।    দ্রুত বিলুক্ত প্রায় শকুন কে বাঁচানোর এসব চেষ্টা হচ্ছে।প্রতিদিন  দু কেজি করে ছাগলের মাংস  খাদ্য হিসাবে দেওয়া হয়।গরুর মাংস দেওয়া  হয় না। বংশবৃদ্ধি হার খুবই কম। অবাক কথা বছরে একটি  ডিম দেয়।২০১১ সালে প্রথম প্রজনন হয়।এই সেন্টার প্রবেশের আগে আমার চপ্পল  টি  রাসায়নিক   ভাবে জীবাণু মুক্ত করা হয়  যাতে আমাদের থেকে জঙ্গলের পশু পাখি সংক্রমিত না হয়। এত সতর্ক ভাবে প্রায় দুশো টি শকুন কে প্রতিপালন করা হচ্ছে।। এমন মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ   প্রায় দুশো টি শকুন কে  প্রতিপালন করা হচ্ছে।   দেশে অধিকাংশ রাজনীতিবিদ দুর্নীতিগ্রস্থ   দেশের পাঁচকটি  শকুন বিলুপ্ত হয়ে গেছে।  দেশের দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ থাকলে দেশের মানুষ নিরাপদ  থাকতে পারে না। সেক্ষেত্রে সাধারণ পাখি  কি করেই বা নিরাপদে থাকবে। সেকথা আজকের প্রজন্ম কে ভাবতে হবে। দেশে কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন চলছে।একটি রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে পরিবেশ প্রকৃতি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের  প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কি?    বিধায়ক সংসদ পদ পাওয়ার প্রথম দিন অধিকাংশ প্রথম থেকে দেশকে  লুট করতে শুরু করে  অবসর নেয়ার আগে পর্যন্ত লুট চলে।মানুষের জীবন সম্পত্তি  নিরাপত্তা নেই সাধারণ পাখির কি ভাবে থাকবে ? 
 

 

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর