প্রণয় রায় এখন ব্যক্তি নন এক উজ্জ্বল সংবাদ প্রতিষ্ঠান

অমল গুপ্ত ,১৯ এপ্রিল ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ :    জীবনে সাংবাদিক  হওয়ার  স্বপ্ন দেখতাম, গত ৪০ বছর অসমের গুয়াহাটি মহানগর accrediated  জার্নালিস্ট হিসাবে কাজ করে গেছি।আজও হ্যাঁ আজও অসম সরকার আমার accrediated জার্নালিস্ট হিসাবে  কার্ড নিয়ে আমার উত্তরপূর্ব বাংলা নিউজ পোর্টাল "নয়া ঠাহর  "এ নিউজ করে যাচ্ছি।  কলকাতায় পথে ঘাটে এন ডি টিভির  প্রতিষ্ঠাতা প্রণয় রায় হাতে এক মোবাইল  নিয়ে সাংবাদিকতা করে যাচ্ছেন। প্রণয় রায়   বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ  ,চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট  উচ্চশিক্ষিত  পত্নী অনুরাধা   টেলিভিশন সাংবাদিকতা কে উচ্চ  মার্গে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন।আমরা তার চোখে বিশ্ব ভ্রমণ করেছি , বিশ্ব খবর দেখেছি। আজ সেই সাংবাদিকের হাত থেকে সব  ক্ষমতা  কেড়ে নেওয়ার  পরেও  নিঃস্ব করতে পারেনি সরকার ।আজও হ্যাঁ আজও প্রণয় রায় সামান্য এক মোবাইল কে সম্বল করে  সাংবাদিকতা করে যাচ্ছেন। বলতেই হবে পশ্চিম বঙ্গের  ৯০শতাংশ সাংবাদিকের ন্যূনতম  অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার   বা চুক্তি পত্র নেই ,  পথে ঘাটে সাংবাদিক  পেড নিউজ ,ফেক নিউজ, ভে গ  নিউজ করে ভিক্ষা বৃত্তি করছেন। হাতে হাতে স্মার্ট ফোন ,ছাড়া কিছুই নেই। ভোটের বাজার কিছু কামাই করে নিচ্ছেন। সম্মান মর্যাদা বলতে কিছুই নেই।এই তথাকথিত সাংবাদিকের ভিড়ে আমরা হারিয়ে গেছি।প্রণয় রায়  হারিয়ে গেছে।   আনন্দ বাজারে সাংবাদিক    মিলন দত্ত , দেবদূত  ঠাকুর , প্রমুখ সাংবাদিকদের  পেড নিউজ করতে দেখিনি  অসমের গুয়াহাটি  শহরে   বহু বছর আগে ৩০-৩৫ বছর আগে  একসঙ্গে আমিও দৈনিক  যুগশঙ্খ ,সময় প্রবাহ ,   পরে সকাল বেলা , সংবাদ প্রবাহ নামে দৈনিক বাংলাতে  খবর করে গেছ। জার্মান রেডিও ডয়েচে ভেলে তে কিছুদিন  করেসপন্ডেন্ট   ছিলাম।। ত্রিপুরার দৈনিক  সংবাদে,  আজকাল  ইত্যাদি পেপার  আজও  বৃদ্ধ বয়েসে   আমার নিজের প্রতিষ্ঠিত বাংলা নিউজ পোর্টাল নয়া ঠাহর  রীতিমত বাংলা নিউজ পরিবেশন করে যাচ্ছি। নাম করতে হবে  কিরণ মুখার্জী   চিন্ময় রায়  প্রমুখ ফটোগ্রাফার দের  কিরণ মুখ্যার্জি আমি সহ  ৭০ জন সাংবাদিককে অসম সরকার  পেনশন দিচ্ছে। আমাদের ভিক্ষা বৃত্তি করতে হচ্ছে না।  কান্দি  তথা মুর্শিদাবাদ জেলার শতবছরের প্রাচীন কান্দি বান্ধব  সাপ্তাহিক  সম্পাদক  নব কুমার মুখার্জী  কে   সামান্য টাকা পেনশন হিসাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার দিচ্ছে। তাই ভিক্ষা বৃত্তি ছাড়া  গত্যন্তর নেই।আমরা গনতন্ত্র প্রহরী ।  , কিরণ মুখার্জী আদি  বিহারের সন্তান  পুলিশের হাতে বহুবার মার   খেয়েছে। কিন্তু আজও ক্যামারা ছাড়েনি। ।সময় পেলে  অসমীয়া দৈনিক অগ্রদূত কে ছবি পাঠান।  আমার জেলা মুর্শিদাবাদ  বহরমপুরে  বিশিষ্ট  সাংবাদিক  রাজীব চৌধুরী। পত্নী   আজও ঝুঁকি নিয়ে খবর করে যাচ্ছেন। পত্নীকে একদল জেহাদি  হত্যার চেষ্টা করে।  প্রতিবাদ করার মত মেরুদণ্ড বাঙালির নেই। ৭৬ বছর বয়সেও  কলকাতার জন্ম হওয়া  deko der নামে এক পোর্টাল খুলে   দেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ চার্টেড  অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রণয় রায়  কলকাতার পথে পথে  হাতে মোবাইল নিয়ে নির্বাচনের খবর করে যাচ্ছেন ।কোনো রাজনৈতিক দল তাকে ক্রয় করতে পারেনি। স্বাধীন ভাবে কাজ করা প্রণয়  এপর্যন্ত রাজ্যের কোনো রাজনেতিক দলকে   বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে খবর পরিবেশন করছেন।বলছেন কম শুনছেন বেশি। কলকাতার টিভি গুলিতে সন্ধ্যা হলেই বুদ্ধিজীবী সব বসে  বক বক শুরু করেন।  গুয়াহাটি শহরে ও একই ছবি তথাকথিত      টক শো শুরু  হয়। সবাই পণ্ডিত কলকাতার মত।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর