অসমীয়া প্রতিদিন পত্রিকা পোড়ানোর প্রতিবাদ শিলচরে বিডিএফের


অমল গুপ্ত ,রানি  রিজার্ভ ফরেস্ট ,গুয়াহাটি:
শিবসাগর জেলায় অসমিয়া প্রতিদিন পত্রিকা পোড়ানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাল বিডিএফ।

গতকাল শিবসাগর জেলায় ' অসমিয়া প্রতিদিন ' পত্রিকা বহনকারী একটি গাড়ি থামিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে সহস্রাধিক পত্রিকা জ্বালিয়ে দিয়েছে কিছু দুষ্কৃতী। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানাল বরাক ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।

এক প্রেস বার্তায় ফ্রন্টের মুখ্য আহ্বায়ক প্রদীপ দত্তরায় বলেন যে সংবাদ মাধ্যম গনতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এভাবে পত্রিকা পোড়ানো সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেবার অপপ্রয়াস। তিনি বলেন এই ধরনের ঘটনায় অবিলম্বে রাশ না টানলে এতে দুষ্কৃতীরা আরো উৎসাহিত হবে এবং আগামীতে ছাপা মাধ্যমের সাথে সাথে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের উপরও এই ধরনের আঘাত নেমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হবে। কাজেই অবিলম্বে এই ব্যাপারে প্রশাসনকে তৎপর হতে হবে এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। 

তিনি বলেন এতদিন সাধারণত বিহার বা উত্তর প্রদেশের মতো রাজ্যে সংবাদ মাধ্যম তথা সংবাদ কর্মীদের উপর এইধরনের হামলার কথা শোনা যেত। যদি এবার আসামেও এই সংস্কৃতি চালু হয় তবে গনতান্ত্রিক কন্ঠস্বর রুদ্ধ হবে এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম হবে। তাই এই ঘটনাকে মোটেই হালকাভাবে নেওয়া উচিত হবে না।

প্রদীপ দত্তরায় এদিন আরো বলেন যে ইতিমধ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষিত হয়েছে। তাই রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা তথা রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তিনি বলেন যে শোনা যাচ্ছে শিবসাগরের বিজেপি প্রার্থীর অনুগত দুষ্কৃতীরা এই কান্ড ঘটিয়েছে। তাই অবিলম্বে এই ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপও অবশ্য প্রয়োজনীয়। 

বিডিএফ মুখ্য আহ্বায়ক এদিন নিরপেক্ষ ও সত্য সংবাদ আহরণ ও পরিবেশনের জন্য রাজ্যের সংবাদ কর্মীদের কুর্ণিশ জানান এবং রাজ্যে  সুষ্ঠু গনতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ সংবাদকর্মীদের ভূমিকার প্রতি অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বিডিএফ এর পক্ষ থেকে আহ্বায়ক হৃষীকেশ দে এক প্রেস বার্তায় এই খ বর জানিয়েছেন। ফটো পাঠাও আমি এখন রানি রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকা আছি

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর