জ্বালানির তীব্র আকাল যুদ্ধ বিপর্যয়

জ্বালানির জ্বালা, যুদ্ধে বিপর্যস্ত ইউরোপ 

 ২০২২-এ রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের শুরুতে গোটা ইউরোপে বিপর্যস্ত হয়েছিল জ্বালানি সরবরাহ। ভীষণ চটে ইউরোপের নেতারা সিদ্ধান্ত নেন, আর নয়! রাশিয়ার উপরে নির্ভরশীলতা কমাতে হবে। যেমন কথা, তেমন কাজ। পরবর্তী চার বছরে জ্বালানির জন্য আমেরিকার উপরে নির্ভরশীল হয়েছে ইউরোপ। তেল আর এলএনজি-র দাম নির্ধারিত হয়েছে বিশ্ব বাজারের চাহিদাজোগান অনুসারে। এ বার ইরান-যুদ্ধে তেলের দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে, এবং ইউরোপের বাজারে তৈরি হয়েছে বিপুল টানাটানি। সাধারণ মানুষ মর্মান্তিক চটেছেন নেতাদের উপরে। বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, অভিঞ্জতা থেকে শিক্ষা না-নিলে এমনটাই হয়। চার বছর আগেই বোঝা উচিত ছিল যে, সর্বশক্তিতে বিকল্প জ্বালানির পথে হাঁটতে হবে- ভিন দেশের উপরে নির্ভরশীল থাকলে হবে না। কিন্তু, ট্রাম্পের শুল্ক-যুদ্ধ থেকে বাঁচতে কয়েক মাস আগেই ইউরোপিয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডান লিয়েন সাড়ে সাতশো বিলিয়ন ডলারের তেল কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছেন। ফলে, ইউরোপ আপাতত দীর্ঘমেয়াদি বেকায়দায় পড়েছে।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর