প্রতি ১৬ মিনিটে ধর্ষণ, বছরে গড়ে ৩১ হাজার কেস, অ্যাসিড হানা টার্গেট সেই দুর্বল নারী

অমল গুপ্ত ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ:      আর্ন্তজাতিক  নারী  দিবস:  অর্ধকাশ দেশের ৫০ শতাংশ নারী  আজ স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও নারী স্বাধীনতা ,নারী  অধিকার নিয়ে সোচ্চার। দেশের অধিকাংশ নারী আর্থ সামাজিক রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত,   প্রতি ১৬ মিনিটে  একটি করে ধর্ষনের শিকার হচ্ছে। কংগ্রেস ,বিজেপি, তৃণমূল ,বামপন্থী সহ কোনো রাজনৈতিক দল দেশের  অর্ধাকাশ ৭৫ কোটি মানুষকে সুরক্ষা দিতে পারছে না। নির্বাচনে  বহুবর্ণের ইস্থাহার প্রকাশ করে বহু প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে। তারপরেও নারী নির্যাতন  ধর্ষণ    অত্যাচার বন্ধ  হয়না।    সব   রাজনৈতিক দল মহিলাদের রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে। দেশের সংসদে বিধানসভায় উপযুক্ত প্রতিনিধিত্ব নেই। আর্থিক  বঞ্চনা তো আছেই,  রাজনীতিক অধিকার   নেই। নারী স্বাস্থ্য চিত্র উদ্বেগ জনক।দেশের গরীব প্রান্তিক মহিলাদের ৯০ শতাংশের বেশি নারী রক্ত শূন্যতায় ভুগছেন। অসম বাংলা   কয়েকটি রাজ্যে বিশেষ করে মুসলিম জনগোষ্ঠী  একাংশ  ১২,১৪ বছরে বিয়ে দেওয়া হয়।  সন্তান ধারণের উপযুক্ত না হতেই  বিয়ে, অধিকাংশ অপুষ্টির শিকার ,   রক্ত হীন পুষ্টিহীন শরীর ,  অসমের বিজেপি সরকার প্রায় তিনহাজার স্বামীকে গ্রেফতার করেছে। সব স্বামীর পত্নীর ব  ১২,১৪,১৫ মধ্যে।  ধর্ষনের সংখ্যা বহু বেশি  যতদুর জানা গেছে শিশু কন্যা ধর্ষনের অভিযোগে  অস
মে  ৪৫ জন কে এনকাউন্টার করে হত্যা করা হয়েছে।এই ধরনের কঠোর শাস্তির কথা অন্য রাজ্যে শোনা যায় না।    বাঙালি সুন্দরী মহিলাদের মুখমন্ডল কে কুৎসিত  করে দেওয়ার  বিভৎস খেলায় মেতেছে একাংশ দুষ্কৃতী যা ভাবা যায় না। অ্যাসিড ছুঁড়ে দেওয়ার ঘটনা  পশ্চিমবঙ্গে উত্তরপ্রদেশে বেশি বলে   জানা গেছে।   পশ্চিমবঙ্গে  মুসলিম মৌলবাদীদের  তীর্থ ক্ষেত্র  খাগড়াগড় আগে ধরা পড়েছে।কলকাতা পাইকপাড়া ক্লাবের বোমা  বিস্ফোরণ   ভয়াবহ ঘটনা প্রতিবাদ নেই। এত বোমার রাসায়নিক মসলা   ,এত  অ্যাসিড কে জোগান দিচ্ছে?  বাঙালি মহিলাদের সম্পর্কে কুরুচিকর  গান বাঁধছে বিহারের একাংশ  ভোজপুরি গায়ক।বিহার সরকার  আপত্তি প্রদর্শন করেছে।  সেকথা বাংলা জানে কি!  নারীপাচারের কথা তো উল্লেখ করা হয়নি। সুন্দরবন  সহ  অন্যান্য অঞ্চলের শত শত নারী পাচার হয়ে যাচ্ছে। নেপালি নারীদের কদর বেশি।  আর মাদক    ড্রাগ ,  তো যুব প্রজন্ম  শেষ  করে দিচ্ছে।মায়ানমার  বা আদি বার্মা থেকে  অসম মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ,মণিপুর ,ত্রিপুরা   পশ্চিমবঙ্গ  অবাধে ঢুকছে।তাদের লক্ষ্য ছাত্র  ছাত্রী সমাজ।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলি।হেরোইন , গাঁজা ,ইনজেকশন ,ইয়োলো ট্যাবলেট,ইত্যাদি আকার ধারণ করে ঢুকছে।  উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে ছাত্রদের থেকেও ছাত্রীদের মধ্যে প্রভাব বেশি। কলকাতার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের থেকে ছাত্রীদের মধ্যে মাদকের প্রবণতা বেশি লক্ষ করা গেছে।  অপরাধ জগতে সুন্দরী নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।বিজ্ঞাপন জগতে, বিউটি পার্লার , পতিতালয় গুলিতে  তাদের বড় বাড়ন্ত।  প্রতিবছর ভারতে ৩০০০ বেশি  ধর্ষনের মামলা দায়ের হচ্ছে পুলিশ থানা গুলিতে।তাদের ৯০ শতাংশ  স্বামী বা পরিবারের মধ্যে অভিযুক্ত গাঢাকা দিয়েছে বলে  এন সি আর  সূত্র জানাচ্ছে। অপরাধ প্রবণতায়  পুরুষদের সঙ্গে রীতিমত টেক্কা দিচ্ছে নারী সমাজ।    তবে পরিবেশ দূষণ জল দূষণ প্রাকৃতিক বিপর্যয় সব ক্ষেত্রে নারী সমাজকে ভুগতে হচ্ছে। গ্রাম ভারতে গ্রামের মহিলারা দূরদূরান্ত থেকে কলসী করে জল আনতে হয়। আবার হিমাচল প্রদেশে গাছকে জড়িয়ে ধরে চিপকো আন্দোলনের পথিকৃৎ সেই নারীসমাজ গাছকে রক্ষা করছে। পরিবেশ প্রেমিক সুন্দর লাল গুনা গাছকে বুকে জড়িয়ে ধরার  পরামর্শ দিয়েছিলেন। কাঠ চোরাকারবারি দের   হাত গাছকে রক্ষা করার লক্ষ্যে   চুপকো ,  সব ক্ষেত্রে এই  মহিলা । দেশে অবাধে সবুজ ধ্বংশ চলছে। পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। ভূগর্ভ জল দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে।অভাবের সংসারে  জল আনতে সেই কলসী খাঁখে নারী সমাজ।  ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রে পদী মুর্মু  বিশ্বপরিবেশ দিনে দার্জিলিং এর  পাহাড়ি এলাকায় একটি শাল গাছ রোপণ করে দেশকে সবুজ বার্তা দেবেন।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর