ঊষা রঞ্জন ভট্টাচার্য কলকাতায় বিশেষ সম্মান লাভ
সৌভিক দাস চৌধুরী :আমাদের অত্যন্ত প্রিয় ও শ্রদ্ধেয়
*শ্রী ঊষারঞ্জন ভট্টাচার্য মহাশয়*
সম্প্রতি “রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য্য” উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
এই সম্মান কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট কর্তৃক প্রদত্ত এক বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি, যা রবীন্দ্রতত্ত্বের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সম্মানের অন্যতম।
পূর্বে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সুকুমার সেন, শঙ্খ ঘোষ, প্রমথনাথ বিশী প্রমুখ মনীষীদের সঙ্গে যুক্ত এই গৌরব আজ আমাদের প্রিয় ঊষারঞ্জনবাবুর প্রাপ্তিতে আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
তিনি ইতিপূর্বে সাহিত্য একাডেমি অনুবাদ পুরস্কার, ভাষা-ভারতী সম্মান, প্রফেসর সুকুমার সেন স্মারক স্বর্ণপদক সহ বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।
তাঁর এই কৃতিত্ব যেমন তাঁর নিজস্ব সাধনা ও প্রজ্ঞার ফল, তেমনি তাঁর পারিবারিক বিদ্যাচর্চার ঐতিহ্যেরই এক উজ্জ্বল ধারাবাহিকতা।
তাঁর পিতৃদেব *শ্রীযুক্ত উমেশচন্দ্র মহাশয়* ছিলেন এক প্রখ্যাত পণ্ডিত ও বিদ্বান ব্যক্তি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রারম্ভিক যুগের(১৯২৩ইং) কৃতী স্নাতকোত্তর হিসেবে তিনি বিদ্যাজগতে বিশেষ সম্মান অর্জন করেছিলেন।
*হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মহাশয়*-এর সান্নিধ্য এবং *মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্*-এর স্নেহধন্য হয়ে তিনি যে বিদ্যাপ্রতিভার পরিচয় রেখেছিলেন, তারই উজ্জ্বল প্রতিফলন আমরা তাঁর পুত্রের মধ্যেও দেখতে পাই।
শ্রী ঊষারঞ্জন ভট্টাচার্য মহাশয়ের রচিত গ্রন্থ *“রবীন্দ্রনাথ ও অসম” ও “শ্রীহট্ট সাহিত্য পরিষৎ ও পত্রিকা”*—সাহিত্যজগতে বিশেষভাবে সমাদৃত।
তিনি তাঁর এই মূল্যবান গ্রন্থসমূহ শ্রীহট্ট সম্মিলনী-কে উপহার প্রদান করে আমাদের সংগঠনকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন,যার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।
🙏 আমরা আন্তরিকভাবে প্রার্থনা করি—
তিনি সুস্থ, দীর্ঘজীবী হোন এবং সরস্বতীর বরপুত্র রূপে তাঁর অমূল্য সাধনা ও সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের আরও সমৃদ্ধ করে চলুন।
সশ্রদ্ধ প্রণাম 🙏🏻 একটা ছবি পাঠাও
Comments
Post a Comment