সেই ছোট্ট মেয়েটি তো বাংলা ভাষা রক্ষায় প্রাণ দিয়েছিলেন
আমিও কিছুদিন আগেই এই একই বিষয়ে আমার মত ব্যক্ত করেছিলাম। এই আমরা বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা ভিয়েতনাম, প্যলেস্টাইন,বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন নিয়ে আবেগে ভেসে কোথায় যে তলিয়ে যাচ্ছি সেটা কেউ চিন্তা করে দেখছেন না। আমরা মাতৃভাষা দিবস পালন করব। কিন্তু "তোমার আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো ফেব্রুয়ারী " আমাদের গান নয়। যদি একাত্ব হতে হয় তো সেই দেশে ফিরে যান। আসলে এই মুসলিম ভাতৃত্ব বোধ দিয়ে এপারে সংখ্যালঘু ভোটের রাজনীতি ও ওপারে বৃহত্তর বাংলা গঠনের স্বপ্ন। এসব আজ অলীক কল্পনা মনে হতে পারে কিন্তু দিন বেশী দুরে না। আমি কোন সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিকোন বলছি না। একটি অবস্যম্ভমভাবি পরিনতির দিকে দৃষ্টিপাত করছি। উল্লেখ করা যেতে পারে বন্দেমাতরম গান আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের উদ্বুদ্ধ করেছিল সে গান গেয়ে বাংলাদেশর লোকেরা ১৫ ই আগস্ট কি প্রভাত ফেরি বের করে? আপনরা হয়ত লক্ষ করে থাকবেন কান্দি রাজ কলেজের পিছনে রবকতের মুর্তি ও বাংলাদেশের ভাষা শহীদ মিনারের রেপ্লিকা বসানো হয়েছে। সেখানে প্রথম মহিলা কমলা ভট্টাচার্য যিনি শিলচরে ভাষা আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছিলেন তিনি অনুপস্থিত। এসবের পুরজোর বিরোধ হওয়া উচিত।,( সৌজন্যে স্বপন দাস)
Comments
Post a Comment