,একুশে ফেব্রুয়ারি আর্ন্তজাতিক মাতৃ ভাষা দিবস ,১৯৬১সালের ১৯ মে বাংলাভাষার দাবিতে অসমে ১১ জন প্রাণ আহুতি
একুশে ফেব্রুয়ারীর ভাষা আন্দোলন পূর্ব বঙ্গের মানুষদেরই কৃতকর্মের ফল। জিন্নাহ পাকিস্তানকে সাংস্কৃতিক দিক থেকে আলাদা রাখতে উর্দুকে রাষ্ট্র ভাষা করতে চেয়েছিলেন। একুশে মার্চ ১৯৪৮ এ পাকিস্তান গঠনের পর তার প্রথম পূর্ব পাকিস্তান সফরে এর স্বপক্ষে জোরদার বক্তব্যও রেখেছিলেন। উনার দিক থেকে হয়ত উনি ঠিক ছিলেন। পরে অবশ্য পূর্ব বঙ্গের লোকেরা বুঝতে পেরেছিল শুধু ধর্মই দেশ গঠনের একমাত্র ভিত্তি হতে পারে না। এখন সেই কৃতকর্মের ফলকেই তারা ২১শে ফেব্রুয়ারী উদযাপন করে। যদিও বর্তমানে মুসলিম ভাতৃত্ববোধকে সামনে রেখে পাকিস্তান প্রীতি ও এক অন্যধরনের রাজনীতি সামনে আসছে। পশ্চিম বঙ্গের কিছু বুদ্ধিজীবি এর আবেগকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য কাজে লাগিয়েছেন। এটা আজ দিনের আলোর মত স্পষ্ট যে হিন্দু বাঙালি ও মুসলমান বাঙালি, সংস্কৃতি আচার ব্যবহার ও সামাজিক দিক থেকে দুটি সম্পুর্ণ আলাদা সত্তা। তাই একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে আমাদের বিশেষ মাতামাতির কিছু নেই। পৃথিবীতে এবং ভারতেও বিভিন্ন সময়ে ভাষা আন্দোলন হয়েছে। তাই এটি পৃথিবী ব্যাপী সব ভাষাকে সম্মান জানানোর দিন। সবার জন্য আর্ন্তজাতিক ভাষা দিবস তার থেকে বেশী কিছু নয়।
Comments
Post a Comment