গ্রীষ্মকাল আসছে ভূগর্ভ জল দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে তীব্র জল সংকট ও আসন্ন
অমল গুপ্ত ,১১ ফেব্রুয়ারি ,কলকাতা : দেশে জল জীবন মিশন ব্যর্থ ,দেশের অধিকাংশ রাজ্যে ইতিম্যেই জল সংকট শুরু হয়ে গেছে। অসম, বাংলা ,চেন্নাই হায়দরাবাদ ইত্যাদি রা ইডিজ্যে প্রাকৃতিক জলের উৎস গুলি শুকিয়ে যাচ্ছে। তীব্র জল সংকট শুরু হয়েছে। গ্রীষ্ম কাল আসন্ন নদী নালা জলাশয় সব শুকিয়ে যাচ্ছে। সবুজ ধ্বংশ সঙ্গে গাছ কাটার প্রবনতা দেশকে ধ্বংশ এর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইউনাইটেড নেশনস ,ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট ফর ওয়াটার এনভায়রনমেন্ট এন্ড হেলথ বিশ্বকে জল সংকট নিয়ে সতর্ক করে গত জানুয়ারি মাসের প্রতিবেদনে বিশ্বে নদনদী জলাশয় সব স্বাভাবিক জল ধারনের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে। দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। ভারত সরকারের নীতি আয়োগ বছর দুয়েক আগেই এক ভয়ঙ্কর প্রতিবেদন দাখিল করে দেশ বাসীকে সতর্ক করে দিয়ে বলছে। ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৪০ শতাংশ জল ফুরিয়ে যাবে। ৫০ শতাংশ রাজের মানুষ পানীয় জল টুকু পাবে না। দেশে ইতিমধ্যে দক্ষিণ ভারতের অনেক অঞ্চল শুকিয়ে গেছে।এমন কি সবুজ পাহাড় নদী শুকিয়ে গেছে
উত্তর পূর্বের চেরাপুঞ্জি তে বছরে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয় আজ সেখানে এক বালতি জল ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চেরাপুঞ্জির বৃস্টির পরিমাণ কমে গেছে পাশেই মৌশিন গ্রামে বেড়ে গেছে। চারটি রাজ্যের পাহাড় অঞ্চল আরাবল্লি তে খনন কাজ বন্ধ হয়নি।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আজ আর কেউ মনে না। জলের উৎস ছিল যানবাহন এর কার্বন ধুয়া কমেনি। হরিয়ানা রাজস্থানের পাহাড় পাথর কাটার ধুলি বালি কার্বন বিষ আকাশ কে বিষাক্ত করছে। ব্রাজিল এর এ্যামাজন ৫ টি মহাদেশে প্রায় ৫ লাখ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে অবস্থিত বিশ্বের ফুস ফুস বলা হয়।ক্রমশ বিশাল জঙ্গল কেটে ফেলা হচ্ছে। পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
Comments
Post a Comment