উত্তর পূর্বের আইকন মানস চৌধুরী র প্রশ্ন ছিল অসমের বিজেপি সরকার কি বাঙালি বিরোধী?
অমল গুপ্ত ২ ফেব্রুয়ারি ,কলকাতা: উত্তর পূর্বের বাঙালি জন গোষ্ঠীর অভিভাবক শিলং টাইমস এর প্রধান সম্পাদক মানস চৌধুরী শিলচর থেকে প্রকাশিত "বার্তা লিপি "সম্পাদক অরিজিৎ আদিত্য কে এক সাক্ষাৎ কারে বলেছেন " শুনেছি বিজেপি সরকার বাংলা ভাষা বিরোধী, ভাষা বিস্তারে কোনো সাহার্য্য করে না।" । মানস বাবুর এই অভিযোগে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বিধানসভায় আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন বরাকের মানুষের আবেগিক বাংলা ভাষার সম্মানে শিলচর ভাষা শহীদদের স্বীকৃতি মর্যাদা দিয়ে এগোর জন শহীদ পরিবার কে আর্থিক সাহার্য্য দেওয়া হবে। আজও দেননি শিলচর স্টেশন কে ভাষা শহীদ স্টেশন হিসাবে গড়ে তোলা হবে, তিনি " ইউজ এন্ড থ্র "নীতিতে বিশ্বাসী। বাঙালি জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন নেই ।অসমে কোন।বাঙালি নেতা একটু ভাল ইংরাজি বলতে পারলে বিপদ আছে। বরাকের নেতা প্রাক্তন সাংসদ ডাক্তার রাজদীপ রায় লোকসভা কাঁপিয়ে ইংরাজি ভাষণ সবার মন কেড়েছিল। সরে যেতে হল,প্রাক্তন বিধায়ক।শিলাদিত্য দেব একই পথের প্রথিক ।খুব ভাল ইংরাজি বক্তব্য রাখতে পারেন। সুকৌশলে সরিয়ে দেওয়া হল। আরো দুজন বাঙালী নেতা ।মুখ্যমন্ত্রীর গুডবুকে বাছেন। চলে যেতে হবে।বরাক বাঙালি নেতা কোথায়? নৃপেনা সাহা নেতা হতে পারেন না। পদ্মশ্রী অজয় দত্ত কে ও আর নেতা বানানো যায় না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেব কি নেতা ছিলেন না? সাক্ষাৎকারে বিশিষ্ট সাংবাদিক অরিজিৎ আদিত্য কে উত্তর পূর্বের আইকন মানস চৌধুরী বলেন সন্তোষ মোহন কংগ্রেস দলের প্রতি দায়বদ্ধ ছিলেন ঠিকই তবে মানুষের আশা আকাঙ্খা পূরণে কিছু করেন নি।সেই তুলনায় মহিতোষ পুরকায়স্থ অনেক কিছু করেছেন। এই প্রসঙ্গে পরিতোষ পাল চৌধুরী ভূমিকা নিয়ে মানসবাবু বলেন পৃথক রাজ্যের দাবিতে তিনি এনেক দুর এগিয়েছিলেন। বাস্তবায়িত হলে আজকের বরাকের মত এত দুর্দশা হত না। আরেক নেতা গুয়াহাটি শহরে এক ছোট ব্যবসা আছে খুব জনপ্রিয় প্রাণ তোষ রায় তাঁকে নানা ভাবে দাবিযে রাখা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা তার পল্টন বাজারের বাড়িতে গিয়ে সম্বর্ধনা দিতে গিয়েছিলেন।শুধু তাই নয় দেশের বিজেপি জনক অটল বিহারী বাজপেয়ী পর্যন্ত তার বাড়িতে গিয়েছেন। গুয়াহাটি বিজেপি দলের অন্যতম জনক বলা যেতে পারে রায় বাবু কে। বিশিষ্ট সমাজ সেবক কে বিজেপি সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে না। অসমে সংঘ পরিবারের অন্যতম প্রতিস্থাপক রায় বিজেপি সভাপতি দিলীপ সাইকি যা কে এক স্মারক পত্র পাঠিয়ে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে সেন্ট্রাল গুয়াহাটি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করার আর্জি জানিয়েছেন। তাঁর মত যোগ্য বাঙালি নেতা অসমে আছে কি? বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ সাইকিয়া সেকথা ভাল মত জানেন। ৪০ বছরের সাংবাদিক জীবনে সমাজ সেবক প্রাণ তস বাবুকে জানি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এখনও তাঁকে সাইড লাইনে বসিয়ে রাখেন নি।
।।
Comments
Post a Comment