বেলডাঙ্গা তে টমিথ্যা অভিযোগে ভারত বিরোধী দুষ্কৃতীরা দুদিন লুটপাট চালায়
অমল গুপ্ত ,২৫ জানুয়ারি, কোলকাতা: মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলা বিচ্ছিন্ন করে বাংলদেশে সঙ্গে সামিল করার গভীর চক্রান্ত চলছে। পুলিশ প্রশাসন সমূর্ণ ব্যর্থ বহরমপুর এর প্রাক্তন সাংসদ অধীর চৌধুরী গুরুতর এই অভিযোগে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।।ঝাড়খণ্ড এ এক প পরিযায়ী শ্রমিক কে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বেল ডাঙ্গা আর জেলার এক মহিলা সাংবাদিককে প্রাণে মারার চক্রান্ত করা হল দুজন ফটোগ্রাফার কে মারা হয় একাধিক সাংবাদিক আহত হোন।সরকারি বাস ভর্তি যাত্রী গাড়ি ভাঙচুর করা হয় রল লাইন ক্ষতি করা হয়। পরে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপার ঝাড়খণ্ড গিয়ে ঘটনা স্থল গিয়ে তদন্ত করে দেখেন সেই পরিযায়ী শ্রমিক এর ঘরের তালা বন্ধ দরজা ভেঙে দেখা যায় সেই মুর্শিদাবাদ শ্রমিক আত্মহত্যা করেছে।ফিরে এসে জেলা পুলিশ সুপার সেই রিপোর্ট দেন। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে হত্যা করা হয়েছে সেই গুজুব কে ছাড়িয়েছে। বেলডাঙ্গা ঘটনায় ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেল ডাঙ্গা তে এর আগে অসমে এন আর সি লাগু , সি এ এ জারি ইত্যাদি অজুহাতে লাগামছাড়া রেল স্টেশন ভাঙ্গা হয়। সরকারের সম্পত্তি ধ্বংস করা হয়। পরে আবার বেল ডাঙ্গা তে ভাঙ্গ চুর চালানো হয়।পুলিশ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। একই জায়গায় বার বার কেন ভাঙ্গা চুর চালানো হচ্ছে? মুর্শিদাবাদ জেলাতে তে মূর্তি গড়ার কারিগর দুই হিন্দু যুবক কে প্রকাশ্যে গলা কেটে বাংলদেশে জেহাদি অনুকরণে হত্যা লীলা চালানো হয়েছে। মুর্শিদাবাদ জেলার কয়েক হাজার হিন্দু বাড়িতে ভারত বিরোধী দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে জলের পাইপ কেটে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করা হয়। তাদের অধিকাংশ প্রাণভয়ে মালদহ জেলাতে পালিয়ে মাথা গোঁজার স্থান করে নিয়েছে। এই স্বাধীন ভারতের নাগরিক ভারতেই অত্যাচারিত হতে হল। সরকার নীরব। ফের বেলডাঙ্গা তে দুষ্কৃতী র তাণ্ডব চালালো। ভরতপুরের বিধায়ক তো জেলার ৩০ শতাংশ হিন্দু কে কেটে ভাগীরথী নদীতে কেটে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছে।এতবড় সাম্প্রদায়িক বক্তব্য রাখা সত্ত্বেও তাকে শাস্তি দেওয়ার কোনো নজির নেই। তাই এই জেলার শান্তিপ্রিয় হিন্দুদের দ স্বাভাবিক এক ভয় আছেই।
Comments
Post a Comment