অসমে যোগ্য বাঙালি নেতা হলেই স্যাইড লাইন এ বসতে হবে

অমল গুপ্ত ,১ ফেব্রুয়ারি ,কলকাতা: অসমের বহু দামী নামি   বাঙালি নেতাকে কাছ থেকে দেখেছি। হিতেশ্বর থেকে আজকে  সর্বানন্দ ,হিমন্ত বিশ্ব শর্মা  পর্যন্ত  চার দশক অসমের রাজনীতিক গতি প্রকৃতি  সম্পর্কে বাঙালি বাঙালি ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে  প্রত্যক্ষ  অভিজ্ঞতা আছে।  মুখ্যমন্ত্রী  হীতেশ্বর সাইকিয়া শেষ যাত্রার সাক্ষী ছিলাম।   তিনি সারুমাটোরিয়া  বাড়িতে যেতাম    ,বিরোধী দলপতি দেবব্রত ছিলেন ছোট্ট বালক,দুটি কিডনি বিকল নিয়ে আমেরিকা গেলেন আর ফিরলেন না। আমেরিকা থেকে ফিরেই বিমানবন্দরে রাত ১০ টা নাগাদ গিয়েছিলেন এক ট্রাক এ মরদেহ নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।বর্তমান মুখ্য মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সেই ট্রাকে দাঁড়িয়ে হাও হাও করে কাঁদছিলেন। সেই হিমন্ত আজ জাতীয় রাজনীতিতে স্থান করে নিয়েছেন । বিজেপি দলের "সম্পদ"  । অসমে বাঙালি রের বিশেষ অবদান আছে।  কিন্তু বাঙালিদের   নিজস্ব সংগঠন নেই ,মিলেমিশে থাকতে পারেনা। আজ পর্যন্ত এক রাজনৈতিক শক্তি  হিসাবে গড়ে উঠলো না।   অসমে ছড়ানো ছিটানো বাঙালি  নিজের নিজের ভাষা কৃষ্টি নিয়ে থাকেন। বাঙালি জাতির  নেতা নেতাজি সুভাষ, বিবেকানন্দ , রামকৃষ্ণ    সারদা ,অনুকূল  নিয়েই পড়ে আছে। আর দুর্গা সরস্বতী  মা কালী , মনসা  ইত্যাদি পুজো  পর্ব ঘিরে ছোট্ট জীবন বাঙালিদের।  আমাকে রক্ত দাও স্বাধীনতা দেবো নেতাজির ডাক শুনলে ভয় পান বাঙালিরা ।এই  জাতের আর রক্তে নেই। অধিকাংশ বাংলদেশে  উগ্র মুসলিম দার সঙ্গে লড়াই করে শক্তি হারিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে    বাংলা  ভিটার হিন্দুরা বিতাড়িত হয়ে এসে বাংলায় রাজত্ব করছে।  মুসলিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করে করে নিঃশেষ হয়ে গেছে আবার বাংলাতে লড়াই প্রতিরোধ করার ক্ষমতা হারিয়েছে। তাই নেতাজি কে রক্ত দেবার রক্ত অবশিষ্ট আছে কি।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর