নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু একদিন বাঙালিদের জাগিয়েছিলেন আজ বাঙালিরা গভীর ঘুমে
অমল গুপ্ত ,২২ জানুয়ারি : কলকাতা : নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু আজ বাঙালিদের কাছে মৃত ,যে বাঙালি নেতাজির আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতকে কাঁপিয়ে ছিল।আজ মৃত নেতাজির সঙ্গে বাঙালি সমাজের মৃত্যু ঘটেছে। মেরুদণ্ড হহীন বাঙালি হিন্দুর নেতাজি কে স্মরণ করার অধিকার হারিয়েছে। নেতাজির নামে সর্বত্র ছবি ঝুলিয়ে পুজো পাঠ রাতে হৈ হুল্লোড় , গভীর রাতে মদের উৎসব বেহাল্লাপনা। বছরে এক দুদিনের জন্যে নেতাজি আসেন। নেতাজির আদর্শ তার ত্যাগ নিয়ে আলোচনা হয়না। দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে সত্য কথা বললেন। বলেন মহাত্মা গান্ধী কে ব্রিটিশ ভয় পেতোনা। নেতাজী আর আজাদ হিন্দ এর ভয়ে ব্রিটিশ রাজ ভারত ছেড়েছে। জহরলাল নেহেরু নেতাজি সুভাষ কে প্রকাশ্যে আসতে দেন নি। নেতাজির বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত করেছে গান্ধী পরিবার । নেতাজী একাধিক বার অসম গিয়ে তদানিন্তন পাকিস্তানের হাত থাকে অসম কে রক্ষা করেছিলেন ।অসম বাসী নেতাজির অবদান মনে রাখে নি।নেতাজি , ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর সিঙ্গাপুর
ক্যাথে সিনেমা হলে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে অস্থায়ী আজাদ হিন্দ সরকার গড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ।এই সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান পদে নেতাজি সুভাষ ,মহিলা বিগ্রেডের প্রধান ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী বাই, প্রকাশনী ও প্রচারে এসএ আয়ার,অর্থ কর্নেল এ সি চ্যাটার্জী ,সর্বোচ্চ উপদেষ্টা রাসবিহারী বসু, অন্যান্য উপদেষ্টা পদে করিম গণি ,ডি এম খান,দেবনাথ দাস,প্রমুখ আইন উপদেষ্টা এ এন সরকার প্রমুখ। ,"ঈশ্বরের নামে আমি ভারত ৩৮ কোটি ভারতবাসীর বন্ধন মুক্তির পবিত্র শপথ নিচ্ছি" বলে নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু বিশ্ববাসীর কাছে অস্থায়ী আজাদ হিন্দ সরকার গড়ার বার্তা দিয়েছিলেন। নেতাজী থাকলে আজ বাঙালি জাতির এত অধপতন হত না।সার্বিক অবক্ষয় দুর্নীতি তে বাঙালিরা ডুবে গেছে। তাদের কাছে নেতাজি আজ মৃত , আর বাঙালি নেতাজির জন্ম তিথি পালনের অধিকার নেই। নেতাজির জন্মদিনে আজও ৭৫ বছর স্বাধীনতা দিবসের পরেও জাতীয় ছুটি ঘোষণা করা হলনা
বাঙালি রেজিমেন্ট হলনা। সার্বিক ভাবে বাংলা অবক্ষয়ের শেষ প্রান্তে পৌঁছিয়ে গেছে। সোনালী দিন আর ফিরবে না। বাঙালিরা এবছর এ আই পেয়ে গেছে। নেতাজী, সরস্বতী সব ক্ষেত্রে এ আই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ছবি মনের ইচ্ছা আন্তরিকতা নেই শুধুই প্রযুক্তি । নীতিহীন রাজনীতির দেশে সার্বিক অবক্ষয় দুর্নীতি দেশকে গ্রাস করেছে। চোরদের দেশ তবে সব থেকে বড় চোর আজাদ হিন্দ বাহিনীর কয়েক লাখ কোটি টাকার স্বর্ণালঙ্কার অন্যান্য সম্পদ লুট করেছে। সন্দেহের তীর গান্ধী পরিবার আর মাউন্ট বেটেন দের দিকে আঙুল তোলা হয়েছে। যেই চুরি করুক না নেতাজির সম্পদ ভারতের সম্পদ তাদেরকে দেশদ্রোহী বা ভারতের প্রধান শত্রু বললে কিছুমাত্র ভুল বলা যাবে না। তবে সেই সম্পদ ভারতের চোরদের মত সুইস ব্যাংকে অর্থ মজুতের মত বিশাল সম্পত্তি আছে কি?
Comments
Post a Comment