বাংলদেশে নিরপেক্ষ ভাবে ভোট হবে কি ? প্রশ্ন শেখ হাসিনার
বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য আমরা লড়াই চলবে :শেখ হাসিনা
বাংলাদেশ আজ এক গভীর রাজনৈতিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে। সম্প্রতি মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তী সরকার ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন হবে বলে ঘোষণা করলেও সেই ভোট কতটা অবাধ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক হবে, তা নিয়ে গুরুতর সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ, দেশের বৃহত্তম ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লিগকে ষড়যন্ত্র করে নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মনে রাখতে হবে, এই অন্তবর্তী সরকার কোনও গণতন্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি। ক্ষমতা দখলের পর থেকেই তারা পরিকল্পিত ভাবে আওয়ামি লিগের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে হিংসা, বেআইনি গ্ৰেফতার, নির্যাতন এবং প্রশাসনিক দমননীতির অভিযোগ তুলে দলটির নেতাকর্মীদের ওপর চরম অত্যাচার চালাচ্ছে। তাঁদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে জেলবন্দী করে রাখা হচ্ছে। এর ফলে বাংলাদেশে তৈরি হয়েছে এক বিপজ্জনক রাজনৈতিক শূন্যতা, যার সুযোগ নিচ্ছে ধর্মীয় উগ্ৰবাদী শক্তি, বিশেষত জামাত-এ-ইসলামি। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হল এটা নিশ্চিত করা, যাতে নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হয়। শেখ হাসিনা ( দৈনিক যুগসংখ্ কাছে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন )
Comments
Post a Comment