মুর্শিদাবাদ জেলার গনতন্ত্রের স্তম্ভ সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, তাই মৌলবাদীদের বাড়বাড়ন্ত
অমল গুপ্ত ,১৮ জানুয়ারি : কলকাতা: বাংলদেশে সীমান্ত জেলা মুর্শিদাবাদে জেলা আর মালদহ জেলার জন বিস্ফোরণ জেলা দুটির ভৌগলিক স্থিতি পাল্টিয়ে দিয়েছে। এই দুই জেলার গনতন্ত্র দুর্বল হয়ে গেছে।সংবাদ মাধ্যমের কণ্ঠ বড়ই দুর্বল।দুই জেলার কয়েকশ সাংবাদিকের জীবন সম্পত্তির নিরাপত্তা নেই।বহরমপুরে এক অনুষ্ঠানে দেখেছি উপস্থিত শতাধিক সাংবাদিকের অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার নেই,নিজস্ব পরিচয় পত্র নেই। এক কম দামী মোবাইল তাদের একমাত্র সম্পদ। তৃণমূল সরকার জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের পেনশন দেয় না।জীবনের নিশ্চয়তা নেই। প্রতিবেশী বিহার ,অসমের এমন কি মেঘালয়ের সাংবাদিকরা ও সব সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে। মুর্শিদাবাদ জেলার প্রায় বেকার অভুক্ত সাংবাদিকের দূরবস্থা, মৌলবাদীদের রমরমা , নানা ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা আক্রমণের শিকার হচ্ছে। । বহরমপুরের অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অভাব অভি অভিযোগ শুনেছিলাম। গ্রামের সাংবাদিকদের কোনো।মূল্য নেই। এই প্রেক্ষাপটে জেলার সংবাদ শূন্যতায় বিরাট এলাকা জুড়ে মৌলবাদীদের দাপাদাপি। কা আন্দোলনে দেখিছি মুর্শিদাবাদ জেলার বহু রেল স্টেশন ভেঙে চুরমার করা হয়।পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে আছে। মধ্যেবঙ্গ নিউজ নামে সংবাদ গোষ্ঠীর অবহেলিত সাংবাদিকদের মৌলিক অধিকারের দাবিতে জেলার ডেপুটি কমিশনার কাছে স্মারক পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন যে বিশিষ্ট সাংবাদিক তাদেরই আপন জন সোমা মাইতি।কোনো অন্যায়ের সঙ্গে দুর্নীতির সঙ্গে আপস করেননি। এই অনুষ্ঠানে দেখেছি অত্যন্ত ভদ্র সৌজন্যতা রক্ষা করে কথা বলেন। এক দুর্ঘটনায় নিহত সাংবাদিকের পরিবারের হাতে মোটা অংকের চেক তুলে দিতে দেখেছিলাম। জেলার মুসলিম মৌলবাদীদের হাতে অত্যাচারিত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে নার্সিং হোম চিকিৎসাধীন। সোমা মাইতি
। সুস্থ হয়ে উঠুন এই কামনা করছি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের গরীব শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি দিচ্ছে না বলে অধিকাংশ শ্রমিক বাইরের রাজ্যে চলে যাচ্ছে।রাজ্যে কোনো কারখানা নির্মাণ হচ্ছে না ।লাখ লাখ বেকার। অধিকাংশ পরিযায়ী শ্রমিক। বিজেপি তৃণমূল ভোটে জেতার হিসাব নিকাশ নিয়ে ব্যস্ত , আর্থ সামাজিক উন্নয়নে আগ্রহ নেই। কোনো দলের। প্রধানমন্ত্রী বলে গেলেন মুর্শিদাবাদ জেলার জ্বলন্ত সমস্যা অনুপ্রবেশ সমস্যা। সেই সমস্যা সমাধানে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র বিভাগের ভূমিকা নিয়ে ও প্রশ্ন উঠেছে। বাংলা ভাষা সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্ক না থাকা তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠান জেলায় থাকেন না। বেল ডাঙ্গা জ্বলছে তিনি কোথায়?
Comments
Post a Comment