প্রাণের প্রিয় নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৯ তম জন্ম দিনের কথা বাঙালি ভুলেই গেছে
অমল গুপ্ত ,কলকাতা : নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৯ তম জন্ম দিনে বাঙালিদের আর আগের মত উৎসাহ নেই।নেই আবেগ। নেই শ্রদ্ধা ভালবাসা , আজ শতবর্ষ পরেও নেতাজি সাইড লাইনে আছে। কংগ্রেস ,নেহরু নেতাজীকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। বামপন্থী ডান পন্থী সবাই নেতাজীকে জাপানের দালাল ইত্যাদি বলে গাল মন্দ করে গেছে। অথচ ব্রিটিশ রাজ বেছে একমাত্র নেজাজির আজাদ হিন্দ বাহিনী ,আর নেতাজির মত আপোষহীন নেতা ভয়ে ব্রিটিশ ভারত ছেড়েছে। ১৯৪৫ সালে তাই হুকু বিমান বন্দরে নেতাজির মৃত্যু হয়নি অথচ নেহরু বংশের "দালাল" প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী জাপানের রেনকোজি মন্দির থেকে তথাকথিত নেতাজির ভস্ম ভারতে আনার জন্যে উঠেপড়ে লেগেছিলেন। নেতাজির তথাকথিত কন্যা ও তৎপরতা চালিয়ে ছিলেন। নেতাজির জন্মদিনে আজও জাতীয় ছুটি ঘোষণা করলেন না প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নেতাজির অন্তাধান রহস্য আজও ফাঁস হল না। সব গোপন ফাইল গোপনীয় হয়েই থেকে গেল। বাঙালি জাতি আজ শেষের পথে মেরুদণ্ড কবেই হারিয়ে ফেলেছে। এই জাতের সততা মূল্যবোধ সাহস সন শেষ হয়ে গেছে ।রাজ্যের বাঙালিদের বাপ ,ঠাকুরদা পূর্বপুরুষ সব একদিন তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তান বর্তমান বাংলাদেশ থেকে মুসলিম দের অত্যাচারের ভয়ে এই বাংলায় এসেছিলেন।ওপারে কোনো প্রতিরোধ আন্দোলন করেনি। মুসলিমদের কাছে নীরবে আত্ম সমর্পন করেছিল। ভীতু কাপুরুষ বাঙালি জাতি আজ এই বাংলায় মুসলিমদের ভয়ে কাঁপছে। তাদের বড় অপরাধ তারা সবাই হিন্দু। হিন্দুরা রক্ত শূন্যতা নিয়ে ভুগছে। বেঙ্গল ফাইল দেখার অনুমতি পেলনা। হিন্দুদের উপর নির্মম অত্যাচারের খবর পেলনা। পুরোনো ইতিহাস বলছে ১৯৪৩ সালের নভেম্বর মাসে ফিলিপিন্সের রাজধানী ম্যানিলায় আযাদ হিন্দ বাহিনীর প্রধান হিসাবে নেতাজি প্রথম পা রাখেন। সেই দেশের রাষ্ট্রপতি হোসে লরেল ৩৫ কোটি ভারতবাসীর নেতা হিসাবে বরণ করেন। নেতাজি ১০০ বছর আগে মন্দালয় জেলে বন্দি হিসাবে জন্ম দিন কাটিয়েছিলেন।
Comments
Post a Comment