বিজেপি দলের প্রাণপুরুষ কবীন্দ্র পুরকায়স্থ প্রয়াত
অমল গুপ্ত ,গুয়াহাটি, ৭ জানুয়ারি ,কলকাতা: বিজেপি দল আজ কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত সরকারের অঙ্গ,সেই দলের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন উত্তর পূর্বের প্রধান শহর শিলচরে আদি বাসিন্দা কবীন্দ্র পুরকায়স্থ। কেন্দ্রের প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও বহু সরকারি পদ অলংকৃত করেছিলেন। বর্তমান তারপুত্র রাজ্যসভার সদস্য কোনাদ পুরকায়স্থ। উত্তরপূর্ব বিজেপির পিতামহ কবীন্দ্র পুর কায়স্থ। আজ বুধবার শিলচর মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে মারা যান। কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা তার বাড়ি গিয়ে শেষ সাক্ষাৎ করে আসেন। এই প্রতিবেদকের সঙ্গে গভীর শ্রদ্ধার সম্পর্ক ছিল। যতবার ফোন করেছি ততবার প্রশ্নের জবাব পেয়েছি। বরাক তথা উত্তর পূর্বের রাজনীতিক মহলে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। অটল বিহারী বাজপেয়ীর মন্ত্রী সভায় তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৮০ সালে ৬এপ্রিল বিজেপি দলের জন্ম। অসমে বিজেপি উত্থান তারই উদ্যোগে । বিজেপি আজ সারা ভারত ছড়িয়ে গেছে।উত্তর পূর্বের অভিভাবক ছিলেন কবীন্দ্র বাবু।তিনি প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। তিনি ত্রিপুরা তে বিজেপি ভিত্তি প্রস্থর স্থাপন করেন। এমন কি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি দল কে শক্তিশালী করেন। বিজেপি প্রাক্তন বিধায়ক শিলাদিত্য দেব ছিলেন পি এ হিসাবে কাজ করেন। তিনি স্মৃতি তর্পণ করেন। কবীন্দ্র বাবু অধ্যাপক হিসাবে কাজ শুরু করেন তার জন্ম বাংলদেশে শ্রীহট্ট জেলাতে তার জন্ম। তাঁর উদ্যোগে অসম বিধানসভায় এক ডজনের বেশি বিজেপি দলের বিধায়ক পদে বসেছিলেন। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আজ এক্স হ্যান্ডেলে বলেছেন কবীন্দ্র পুরাসকাস্থস এক জন জনদরদী নেতা ছিলেন।তিনি বিজেপি দলের প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার মৃত্যু অসমের বিরাট ক্ষতি হল।৯৪ বছর বয়সে মারা যান। তিনি লোকসভায় শিলচর থেকে সন্তোষ মোহন দেব কে হারিয়েছিলেন। বদরউদ্দিন আজমলকে হারিয়ে ছিলেন। পরে সন্তোষ মোহন দেবের কন্য সুস্মিতার হাতে পরাজিত হয়েছিলেন। বাঙালিদের দুর্দিনে বাঙালি দরদী নেতা চলে গেলেন। আগামী কাল সকাল ৯টা তে তার মরদেহ বিজেপি কার্যলয়ের নিয়ে যাওয়া হবে। পরে ডি এস এ। বিকাল তিনটায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শেষ কৃত্য সম্পন্ন হবে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সহ উত্তর পূর্বের বিজেপি নেতারা অংশগ্রহণ করবেন। সংসদ পরিমল শুক্ল বৈদ্য শোক প্রকাশ করে বলেন উত্তর পূর্বের মানুষ অভিভাবক কে হারালো। ১৯৯১ প্রথম সংসদ হওয়ার পর থেকে শিলাদিত্য দেব কবীন্দ্র বাবু প্রাইভেট সেক্রেটারি ছিলেন।স্মৃতি রোমন্থন করে শিলাদিত্য বলেন একদিন তার সরকারি আবাসে গিয়ে দেখা গেল তিনি বাসন মাজছে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে জানান কাজের মানুষ আসেনি। তাই । ভুলতে পারবো না কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কবীন্দ্র পুরকায়স্থ এই প্রতিবেদক কে টেলিফোন এডভাইসরি কমিটির সদস্য পদে নির্বাচন করেছিলেন। বছর দুয়েক সেই সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। বিমল বাবুর সুপারিশ মর্মে সেই সুবিধা দেওয়া হয়। আজীবন মনে থাকবে।তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
Comments
Post a Comment