বিশুদ্ধ বাতাসের মৌলিক অধিকার

বিশুদ্ধ বাতাসের মৌলিক অধিকার 


 দিল্লি ও আইআইটি চেন্নাই অনুসন্ধান করার পর জানা গেছে, দিল্লির দূষণের মূল উংসগুলি হল যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়া, কয়লা ও বর্জ্য পোড়ানো, জলীয় বাষ্প ও ভাসমান সূক্ষ্ম দূষকের সমম্বয় এবং প্রতিবেশী রাজ্য থেকে বাতাসের টানে বসে আসা দূষণ। ২০১৯ সালেই ঘোষিত হয়েছিল 'ন্যাশনাল ক্লিন এয়ার প্রোগ্ৰাম' এবং নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল ২০১৭-২০১৮ সালকে ভিত্তি-বছর ধরে ২০২৫-২০২৬ সালের মধ্যে বাতাসের ভাসমান পিএম ১০-এর মাত্রা ৪০ শতাংশ কমাতে হবে। ডিজেল-পেট্রল চালিত গাড়ির পরিবর্তে ইলেকট্রনিক গাড়ি চালু করা, স্মগ টাওয়ার স্থাপন, রাস্তায় জল ছেটানো, এমনকি কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোর ব্যর্থ চেষ্টার পরও লক্ষ্যে পৌঁছানো এখনও কঠিন চ্যালেঞ্জ।
    কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ বাতাসে ভাসমান ১২টি দূষণ চিহ্নিত করলেও পিএম ১০, পিএম ২.৫, সালফার ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড-এই চারটি প্রধান দূষকের প্রতিটির দৈনিক ও বাংসরিত অনুমোদিত মাত্রা ঘোষণা করেছে। ভারতে প্রচলিত বিধি অনুসারে প্রতি ঘনমিটার বাতাসের ভাসমান পিএম ১০-এর বাংসরিক ও দৈনিক গড় মাত্রা যথাক্রমে ১০০ ও ৬০ মাইক্রোগ্ৰাম থাকা জনস্বাস্থ্যের পক্ষে নিরাপদ। সব দূষ্ট সমান ক্ষতিকর নয়. প্রতিটি ঘনমিটার বাতাসে দূষণের পরিমাণ এবং মানবদেহে ক্ষতি করার ক্ষমতার নিরিখে বায়ু দুষণের সূচনা বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স হিসেবে করা হয়। গত ১৫ অক্টোবর থেকে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত দিল্লির বায়ুদূষণের সূচনা বিশ্লয়ণ করে দেখা যাচ্ছে, ওই সময়কার মধ্যে ১২ দিনের সূচক ছিল খারাপ, ২৯ দিন খুব খারাপ এবং তিন দিন দূঃসহ। এই বিষাক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিলে সবাই কমবেশি বিপন্ন হওয়া অনিবার্য, বেশি অসুস্থ হবেন শিশু ও প্রবীণ নাগরিকরা।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর