ঐতিহাসিক শান্তিপ্রিয় মুর্শিদাবাদ জেলাতে সাম্প্রদায়িক ফাটল ধরিয়ে দেওয়া হল
অমল গুপ্ত ,কলকাতা : ৭ ডিসেম্বর, মুর্শিদাবাদ জেলা তে সাম্প্রদায়িক অশান্তির ফাটল ধরিয়ে দেওয়া হল। কেন্দ্রীয় সরকার,রাজ্যে সরকার এবং রাজনেতিক দল গুলি সম্পূর্ণ ভাবে দায়ী। ভরতপুর নয় পাশের গ্রামের এক জনপ্রতিনিধি হুমায়ন কবির কে ইচ্ছাকৃত ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হলনা। হিন্দু দেশে লাগাতার ভাবে হিন্দুদের গালিগালাজ দিয়ে গেল। হিন্দুদেরকে কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চুপ থাকলেন। মুসলমানদের ভোট কেটে যাবে ভয়ে কথা বললেন না।আজ সেই বিদেশী শক্তি পুষ্ট হুমায়ন জেগে উঠলেন।হিন্দু নিধানকারী বাবর নামে মসজিদ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার সুবিধা করে দেওয়া হল।আরব দেশ সাহ সারা বিশ্বে ধর্মভীরু যাদের ঠিকানা আরব ,আল্লা ছাড়া কিছু বোঝে না।সেই সম্প্রদায়ের মসজিদ কে কেন্দ্র করে এতটাই উন্মাদনা হবে তৃণমূল সরকার ভাবতে পারে নি। এই মা মাটির সরকারের অস্তিত্ব নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে। দেশ বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা ব্যাংকে জমা পড়েছে। এই মসজিদ কে রক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে ।মুর্শিদাবাদ জেলার মানুষ ,১৯৪৭সালে শ্বাধীনতা পাইনি দুদিন বাদ স্বাধীনতা পেয়েছিল।দুদিন পরাধীনতার সেই স্বাদ আজ পুনরায় বিশ্বাদে পরিণত হয়েছে। এই জেলা কি আবার পরাধীন হবে? এই প্রশ্ন অহেতুক আসছে না।যুক্তি আছে।যেহারে জনবিন্যাস পাল্টিয়েছে। তাতে হিন্দুরা জেলাতে থাকতে পারবে তো? রাজ্যের বাঙালি হিন্দুদের মেরুদণ্ড বড়ই দুর্বল। প্রতবাদ করার সাহস নেই। সেই জেলার ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করছে না সরকার।কলকাতার বাঙালি দের মেরুদণ্ড নেই।সব সংবাদ পত্র কবেই বিক্রি হয়ে গেছে।হাজার অন্যায় দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ মাধ্যম মুখে কুলুপ এঁটেছে। নবান্নে ভয়ে কথা বলে না।অধিকাংশ সাংবাদিক বেতন ভাতা পান না ,অ্যাপয়েনমেন্ট লেটার নেই, দয়া ভিক্ষা করে সাংবাদিকদের সংসার চলে। সবার টিকি বাধা নবান্নের কাছে। মুর্শিদাবাদ জেলা অনগ্রসর জেলা শিল্প নেই স্বাস্থ্য সেবা নেই শুদ্ধ পানীয় জল নেই আর্সেনিক বিষ মেশানো জল খেতে হচ্ছে।গঙ্গা ভাঙ্গন চলছে। পরিযায়ী শ্রমিক ভরে গেছে। জেলার ৯০ শতাংশ মহিলা রক্ত শুন্য তে ভোগেন। একটা ভাল বিদ্যালয় নেই।প্রতিবছর বন্যা ভূমিধ্বস , রাস্তা ঘাট পরিকাঠামো নেই। দারিদ্র পীড়িত অশিক্ষিত হাত দরিদ্র মুসলিমদের সংখ্যা বেশি। তাদের সার্বিক উন্নয়নের বদলে আল্লার তৈরি মসজিদের কথা বলা হচ্ছে।তারা তো আবেগিক হয়ে মসজিদ কে বেছে নেবে। দেশে সংবিধান ধর্ম নিরপেক্ষ বলে কিছু নেই। কংগ্রেস সৃষ্ট এই ধর্মনিরপেক্ষ নাম করে মুসলিমদের আগ্রাসন চলছে। কেন্দ্র ,রাজ্যে চুপ।দেশে বাঙালি হিন্দু দের অবস্থা আরো খারাপ হবে
১৯৭১ সালে বাংলদেশে মার খেয়েছে।দেশের বামপন্থী ডান পন্থী সব নেতা মিথ্যা কথা আশ্বাস দিয়ে জনগণকে বিপথে পরিচালনা করেছে। ১৯ ৪৭সালের আগে থেকে হিন্দুদের স্রোত আছড়ে পড়েছে। তাদের ঠিকানা রাস্তায় জীবন জীবিকার নিরাপত্তা নেই। সত্যজিত রায় ,জ্যোতি বসু ,প্রমুখ লাখ হিন্দু মুসলিম দার সন্ত্রাসের ভয়ে এপারে পালিয়ে এসেছে। প্রতিবাদ করেনি। এপারে এসে সেই বাঙালি হিন্দুরা রাজনীতি করছে। ওপার থেকে মার খেয়ে পালিয়ে এসেছে। ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায়,সৌরভ গাঙ্গুলি সহ হাজার হাজার পরিবার মুসলিমদের সন্ত্রাসের ভয়ে এপারে পালিয়ে এসেছে।আবার এই বাংলায় নিরাপদ নেই মুর্শিদাবাদ জেলায় হিন্দু মূর্তির কারিগর দুইভাই কে মুসলিম দুষ্কৃতীরা হত্যা করে।আজও বিচার পেল না। এই রাজ্যেও নিরাপদ নেই।মসজিদ ইস্যু আবার উত্তেজনা আবার মুসলিম জিগির আবার হিন্দুদের ভয় ভীতি বেড়ে গেছে।সরকার নীরব।কেন্দ্রীয় সরকার নীরব। বাংলার সংবাদপত্র গুলি সোনালী বিবি নিয়ে লিখে যাচ্ছে পাতার পর পাতা বাঙালি হিন্দুদের দুরবস্থা নিয়ে এক লাইন লেখে না।অসমের বাঙালি দের খবর রাখে কি সংবাদপত্রগুলো। শুধু শুধু সোনালী নিয়ে পড়ে আছে। হিন্দুদের দুর্দশা নিয়ে নীরব। রাজ্যে ধর্মের বিভাজন শুরু হয়ে গেছে।আজ বিগ্রেডে পাঁচ লাখ ভক্ত গীতা পাঠ করেন।আগামী কাল একলাখ মানুষ কোরআন পাঠা করবে। সরকার পুলিশ মজা দেখছে।কোনো নির্দেশনা নেই।
Comments
Post a Comment