শীতে পুকুরে কাঁকড়া গুগুলি সংগ্রহ করা হয়

শীত-সয়ে পুকুরের কাঁকড়া-গুগলি সংগ্ৰহ ওঁদের

শীত পড়লেই শুরু হয় 'লড়াই'। পরিবারের সদস্যদের পেটে ভাত জোগাতে, খানিক বাড়তি রোজগারের আশায় তীব্র শীতের কাঁপুনি সহ্য করেও জলে নামতে হয়। ভিজে কাপড়েই কয়েক ঘণ্টা ধরে কাজ, টাকা মেলে সামান্যই। তবু ওই 'সামান্য' টাকাই মহার্ঘ তাঁদের কাছে। পুকুর থেকে কাঁকড়া, গুগলি তুলে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিক্রি করেন ওই মহিলারা। গ্ৰামীণ অর্থনীতিতে তাঁদেরও অবদান আছে। এ ভাবেই প্রতি শীতে বাড়িতে বাড়িতে দেখা মেলে তাঁদের।
   জেলার প্রবীণ জলাভূমি বিশেষজ্ঞ সূর্যেন্দু দে বলেন, "গুগলি মূলত রাঢ় বাংলায় ধরেন খেতের পাশে। গর্তে হাত ঢুকিয়ে কাঁকড়া ধরা হয় এক সময়। এখন সেই চল নেই। নদী, জলাশয়ের ধারে কাঁকড়া পাওয়া যায়। চাল ও মুড়ির বিনিময়ে মহিলারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাঁকড়া, গুগলি বিক্রি করতেন। এখন তা বিক্রি করে টাকা পান মহিলারা। তাঁরাও এখানে সমান ভাবে অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রক।"

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর