কলকাতায় তৃণমূলের "খেলা হল" মেসি নয় মন্ত্রী অরূপ ,সুজিত "ম্যান অফ দি ম্যাচ "হলেন
নয়া ঠাহর , অমল গুপ্ত ,কলকাতা :১৪ ডিসেম্বর :কলকাতা যুবভারতীতে খালা হল, তৃণমূলের খেলা হল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাঠে পৌঁছানোর আগেই মেসি মাঠ ছাড়েন। তিনমূলের দুই মন্ত্রী মেসিকে হাইজ্যাক করে নিয়ে যান। হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কিনে মেসি প্রেমীরা শুধু দুই মন্ত্রী আর একজন বাঙালী অভিনেত্রী কে দেখেন। মন্ত্রী আর ক্রিয়া সাংবাদিকরা প্রথম থেকে মেসি কে ঘিরে রাখেন। কলকাতা পুলিশ প্রধান উদ্যোক্তা কে গ্রেফতার করেছে।সব টিকিটের টাকা ফিরিয়ে দেবার নির্দেশ দিয়েছেন। সারা বাংলায় একটি রব ছি ছি। কলকাতায় দেড় ঘণ্টা অনুষ্ঠান ছিল।২০ মিনিট মাঠে থেকেই মেসি মাঠ ছাড়েন।হায়দরাবাদ সুন্দর অনুষ্ঠান হয়।মাঠের ভিতরে একজন দর্শক কে ঢোকার অনুমতি ছিল না।কলকাতায় হাজার হাজার দর্শক মাঠে ঢুকে চেয়ার ছুঁড়ে ভাঙচুর করে প্রতিবাদ করে। সারা বিশ্বে বাঙালির বদনাম হল।যা বদনাম হবার হয়েই গেছে। অরূপ বিশ্বাস,সুজিত বসু নামে দুই মন্ত্রী মেসিকে। হাই যাক করেন। দেড় লাখ দর্শকের যুব ভারতী তে ৮৫ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ ও ঢুকতে পারেন নি।মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। রাজ্যপাল কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। শুধু রাজপাল নন মুখ্যমন্ত্রী মাঠে ঢুকতে পারেন নি। প্রধান উদ্যোক্তা এস দত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৫ বছর পর মেসি কলকাতায় আসেন ছবি মেসির ঘাড়ে হাত দিয়ে ক্রিয়া মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস কে দেখা যাচ্ছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীম কুমার রায় ঘটনার তদন্ত করবেন।আজকের আনন্দ বাজারের হেডলাইন "নির্লজ্জ নেতা তন্ত্র"।শুধু একজনকে গ্রেফতার করে সরকার দায়িত্ব পালন করে।মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়। জলের বোতল কি করে মাঠে ঢুকলো।এক বোতল জলের বোতল ২০০ টাকাতে বিক্রি হয়েছে।৩০ গুণ বেশি দামে টিকিট বিক্রি হয়েছে। হায়দরাবাদ পারে কলকাতা পারে না। হায়দরাবাদ মেসির পাশে ছিলেন রাহুল গান্ধী।তিনি কিন্তু মেসির ঘাড়ে হাত দিয়ে দাঁড়ান নি।দূরে ছিল। কলকাতায় মেসিকে দেখতে মন্ত্রীর পরিবারের সদস্য বা সঙ্গে ছিলেন। রাজ্যের রাজ্যপাল ভিতরে ঢোকার সময় বিদ্যুত চলে যায়। এতবড় বদনাম বাঙালির লজ্জা নেই। এই স্টেডিয়াম কাছে সুজিত বসু ৭০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মেসির প্রতিমূর্তি নির্মাণ করেছেন। এই মূর্তির নিচে বিবেকানন্দের মূর্তি ।নিচে অবহেলা তে বিবেকা নন্দ। উপরে মেসি। বাঙালি কি ।বিবেকানন্দ কে এত নিচে নামালেন।
Comments
Post a Comment