মুর্শিদাবাদ জেলার বিশিষ্ট কবিরাজ দিলীপ সেনগুপ্ত র জীবনাবসান

অমল গুপ্ত ,কান্দি জেল রোড: মুর্শিদাবাদ জেলার বিশিষ্ট কবিরাজ দিলীপ সেনগুপ্ত  আজ  কান্দি সিভিল হাসপাতালে  মারা গেলেন। কান্দি লিচুতলায় আয়ুর্বেদ কুঠির   আজ প্রায়  আট দশক  ভরা ছিল।ধুতি পাঞ্জাবি পরিহিত সুন্দর সৌম্য দর্শন মানুষটি নিয়মিত নিজ চেম্বারে আসতেন।মানুষের সেবা করতেন। বাবা কানাই পদ সেনগুপ্ত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বড় কবিরাজ তার সুযোগ্য পুত্র দিলীপ সেনগুপ্ত গত তিন দিন আগে এই প্রতিবেদক কে  বিজয়নগরে নিজ বাড়ির  তিনতলায়  অসুস্থ শরীরে জানান তার মাথা ঘুরছে।বাইরে যেতে ইচ্ছা করছে
 পরিবেশ পরিস্থিতি ভাল ঠেকলো না।  ভাল খবর বিছানাতে বেশি দিন পড়ে থাকতে হল না।   অল্প।রোগে ভুগে চলে গেলেন। এর আগেও তিনি কান্দি হাসপাতালে ভর্তি  হয়েছিলেন।    গতকাল     হাসপাতালে আবার ভর্তি হয়েছিলেন আজ ভরে মারা গেলেন। ভাগ্য ভাল বছরের পর বছর ধরে বিছানায় পড়ে থাকলেন না।কিছু দিন আগে এই প্রতিবেকের কাছে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন এই সমাজ অবক্ষয়ের চূড়ান্ত   পর্যায়ে পৌঁছিয়ে গেছে। চারধারে অন্যায়  দুর্নীতি     ,মূল্যবোধের অবক্ষয়  বাইরে  আড়ম্বর ভন্ডামি , ভিতরে কিছুই নেই    এই সমাজে।চিকিৎসক সমাজ কে নিয়েও তিনি  সমালচনা  করেছেন। কবিরাজ সেনগুপ্তের দৈনন্দিন  জীবন ছিল অতিসাধারণ করে উঠে এক কোয়া রসুন , দু চামচ ছাতু , দুপুরে  আলু  পেঁপে  পটল, সেদ্ধ ভাত ,এক আধটি ফল,সন্ধ্যায়   কফি  বা চা এই ছিল তার আহার।এই বয়সে নিজেকে সুন্দর রেখেছিলেন।নিয়মিত দাড়ি কামানো  ,ধুতি পাঞ্জাবি পরিহিত  চেহারা, দুপুরে   নিজের হাতে থালি হাতে বাজার করতেন। রাজ্যে চিকিৎসক সমাজ  হাজার দুর্নীতিতে লিপ্ত গরীব মানুষের  রক্ত    খাচ্ছে। কবিরাজ  দিলীপ সেনগুপ্ত গরীবের বন্ধু ছিলেন।সংখ্যালঘু মুসলিম পরিবারের মহিলারা এই কবিরাজের চেম্বারে ভিড়  জমাতেন। তারা একজন ভাল চিকিৎসক নয় ভাল মানুষকে হারালেন।






Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর