বাংলদেশে হিন্দুদের বাঁচান ,ভারত সরকার পাশে থেকে তাদের উদ্ধার করুক

অমল গুপ্ত , ২১ ডিসেম্বর বাংলদেশে ২৯ শতাংশ হিন্দু থেকে আজ মাত্র ২- ৩ শতাংশ দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তা হীন  ভাবে বেঁচে বর্তে আছে।প্রতি মিনিটে ভয় আতঙ্ক ,গ্রাস করেছে। ভারত ভিসা বন্ধ করে দেওয়ায় এদেশে আসা বন্ধ ,ভারতের হাসপাতাল গুলিতে চিকিৎসার জন্যে তারা আসেন। দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক অর্ণব গোস্বামী হিন্দুদের অবর্ণনীয় দুর্দশার প্রতি লক্ষ রেখে ভারত বাংলদেশে  সীমান্ত পথ খেলে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন  ।তিনি বলেছেন    সীমান্তের সব  বাধা সি এ এ  প্রত্যাহার   করে  সে দেশের হিন্দুদের ভারতে এনে নাগরিকত্ব দিতে হবে।  নতুবা বাংলদেশে বেঁচে থাকা মাত্র দের দু কোটি হিন্দুকে বাঁচানো যাবে না।সেখানে দ্রুত পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। সে দেশের মুসলিম হিন্দুদের  চরম শত্রু বলে ভাবছে। এপারে পশ্চিমবঙ্গে মুসলিম আর হিন্দুদের কথা চিন্তা করে না।  পশ্চিম বঙ্গে হিন্দু বাঙালিদের মেরুদণ্ড বড়ই দুর্বল। সব অন্যায় মুখ বুঝে মেনে নেই। ভীতু বাঙালিদের আর ভবিষ্যত নেই। এপারে অধিকাংশ রাজনীতিবিদ বয়স্ক নেতা মন্ত্রী আগে পূর্ব বাংলা বর্তমানে বাংলদেশে স্থায়ী আবাস ছিল
মুসলিমদের ভয়ে  বাপ ঠাকুরদার ভিতে মাটি  ছেড়ে প্রাণ ভয়ে পালিয়ে এসেছে।এবার এপারেও মুসলিম দার  ভয়ে  কাটা। মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গা রেজিনগর  মুসলিম দার নিজস্ব ভূমি তৈরি হচ্ছে।  পরে মসজিদ হবে। তৃণমূল  দ্বিখণ্ডিত হওয়ার পথে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সরকারের নেই।হিন্দুরা যাবে কোথায়?  পশ্চিমবঙ্গের সব নদীর বালি তুলে বেলডাঙা পাঠানো হচ্ছে।সব ইট শেষ মসজিদ তৈরি হবে
 সরকারি নিয়ন্ত্রণ নেই।    কলকাতার    বাবুরা সব গর্তে লুকিয়ে গেছে। প্রতিবাদ নেই।  হলিউড চুপ টালিউড চুপ ,কংগ্রেস চুপ তৃণমূল চুপ  ,টুকরা টুকরা গাং চুপ।হিন্দুদের জন্যে কথা বলার কেউ নেই বলে সাংবাদিক  অর্ণব গোস্বামী অভিযোগ করেন।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর