পশ্চিমবঙ্গে বাংলা গান গাওয়া যাবে না?
অনুষ্ঠানে হেনস্থা শিল্পী লগ্নজিতাকে
বেসরকারি স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিক চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর। ওই স্কুলেরই মালিক অভিযুক্ত মেহবুব মল্লিককে রবিবার গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ শনিবার ঘটনার পরে শিল্পী থানায় গেলে ওসি লিখিত অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার মিথুন কুমার দে ওসি-র বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গোটা ঘটনা নিয়ে বেধেছে রাজনৈতিক তরজা।
বেউলিয়া এলাকার পরচুলা ব্যবসায়ী মেহবুব 2019 সালে ওই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে খোলেন। শনিবার সেখানকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ডাকা হয় শিল্পী লগ্নজিতাকে। ছিল খাওয়াদাওয়া আয়োজনও। সন্ধ্যায় গান শুরু করেন শিল্পী। সপ্তম গান হিসাবে তাঁর গাওয়া 'জাগো মা' গানটি ধরেন। অভিযোগ, সেটি গাওয়ার পরে কিছু দর্শক বাড়ির পথ ধরেন। তখনই মেহব্বু হস্তন্তর হয়ে উঠে দর্শন চলে যাওয়ার দায় চাপান শিল্পীর উপরে। ধমক দিয়ে গান থামাতে বলেন। 'ধর্মনিরপেক্ষ' গান ধরার নিদান দেন। স্থানীয় কয়েক জন তখন মঞ্চ থেকে নামিয়ে আনেন মেহবুবকে। লগ্নজিতাও গান থামিয়ে নেমে যান। পশ্চিমবঙ্গে আবার এই ধরনের আক্রমণ হয়েছে।সেই সেকু বা সেক্যুলার গান গাইতে হবে। বাংলা কি শেষ পর্যন্ত বাংলদেশে পরিণত হবে?
Comments
Post a Comment