মায়ানমারের নির্বাচনে সূচি কে আনা হচ্ছে না
নির্বাচন মায়ানমারে প্রকাশ্যে আনা হল না সু চি-কে
সামরিক অভ্যুত্থানের চার বছর পরে সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে মায়ানমারে। তিন দফায় হবে নির্বাচন। আজ প্রথম দফা।
মায়ানমারে শেষবার নির্বাচন হয়েছিল ২০০০ সালে। সে বার বিপুল ভোটে জিতেছিলেন নোবেলজয়ী নেত্রী ইউং সান সু চি। কিন্তু তার কয়েক মাস পরেই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করে জুন্টা সরকার। সু চি-কে প্রথমে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। পরে তাঁকে গ্ৰেফতার করে কোনও অজানা স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। বহু দিন সর্বসমক্ষে আনেননি সু চি। ফলে তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না, থাকলেও কেমন আছেন ৮০ বছর বয়সি নেত্রী, সেই আশঙ্কা ক্রমশ দানা বাঁধছে। এ বারের নির্বাচনে সু চি বা তাঁর দলের কাউকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে এই ভোটের গ্ৰহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রপঞ্জ-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠন। তাদের দাবি, এই ভোট সামরিক শাসন তথা জুন্টা সরকারের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার একটা ফন্দি। তবে জুন্টার পাল্টা দাবি, দেশে রাজনৈতিক স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে গত বারের থেকে এ বার ভোট পড়েছে অনেক কম। তবু যাঁরা ভোট দিচ্ছেন, তাঁদের আশা, দেশে স্থিতাবস্থা ফিরবে, নির্বাচিত সরকার এলে অর্থনীতিরও কিছুটা সুরাহা হবে। যেমন ৫১ বছরের খিন মারলার। তিনি বললেন, "গৃহযুদ্ধের জন্য নিজের গ্ৰাম থেকে পালিয়ে এসে শহরে আশ্রয় নিয়েছি। আশা করি, ভোটের পরে শাস্তি ফিরবে, আবার গ্ৰামূ ফিরে যেতে পারব।"
Comments
Post a Comment