অসম প্রাণ জুবিন কে নিয়ে কবিতা ব্রততী বন্দ্যায়াপাধ্যায়
সেপ্টেম্বরে আকস্মিক ভাবে মৃ/ত্যু হয় জুবিন গর্গের। তিনি অসমের ভূমিপুত্র হলেও কেবল অসমিয়া নয়, বাংলা এবং হিন্দি-সহ বহু ভাষায় গান গেয়েছেন গায়ক। ভারতীয় সঙ্গীত জগতে তাঁর অবদান মনে রাখার মতো। তাই তিনি শুধু অসমের নয়, বরং পুরো ভারতের গায়ক। তাই গায়কের এই প্রয়ানে বাংলার শিল্পীমহলও তাঁকে সমান ভাবে শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছে। আর এবার আবৃত্তির মাধ্যমে জুবিনকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপণ করলেন বিখ্যাত বাচিক শিল্পী ব্রততী বন্দ্যোপাধ্যায়।
মঙ্গলবার শিল্পী সমাজ মাধ্যমের পাতায় একটি কবিতা পাঠ করে প্রকাশ করেন। ভিডিয়োর শুরুতেই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘সুবোধদার (সুবোধ সরকার) জন্মদিন আজ। তিনি গতকাল একটি কবিতা আমাকে লিখে পাঠিয়েছেন। এই কবিতা আমি ওঁকে লিখতে অনুরোধ করেছিলাম। জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃ/ত্যু/র পর। তারপর সুবোধদা গতকাল লিখে পাঠান, আমি সেটি পড়ছি।’
তারপর ব্রততী কবিতাটি পড়তে শুরু করেন। কবিতাটির নাম 'জুবিন'। কবিতাটি পড়া শেষে কবির উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সুবোধদা তুমি কবিতাটি পাঠিয়েছিলে আজকে সেটা পড়েই তোমার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। ভালো থেকো।’ ভিডিয়োটির আবহে প্রয়াত গায়কের গান শোনা যায়। ভিডিয়োটি পোস্ট করে ব্রততী ক্যাপশনে লেখেন, ‘কবির জন্মদিনে।কবির কলমে জুবিন গর্গ।'
ব্রততীর এই পোস্টটি ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন অনুরাগীরা। একজন লেখেন, ‘অসাধারণ ! মন ছুঁয়ে গেল কবির কলম। দিদির উপস্থাপনা অপূর্ব যা বলার অপেক্ষা রাখে না।।জন্মদিনে কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।' আর একজন লেখেন, ‘অসাধারণ।ভিতরটা নড়ে গেল। প্রণাম কবি। প্রণাম নিও দিদিভাই।’ আর একজন লেখেন, ‘অসাধারণ লেখা সত্যি কথা বলতে আমরা কেউ ওঁকে মনে রাখিনি। ভালো লাগছে এত দিন পর কেউ তো মনে রেখেছেন। তার জন্য আমি কবিকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, গত ১৯ সেপ্টেম্বর চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান জুবিন গর্গ। প্রাথমিকভাবে এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক মনে হলেও পরে জানা যায় এটি মোটেই স্বাভাবিক মৃ/ত্যু নয়। তদন্তে নেমে পুলিশের হাতে উঠে আসে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকেও।
একাধিক শারীরিক সমস্যা থাকা সত্ত্বেও কেন জুবিনকে জোর করে স্কুবা ডাইভিং করতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেই বিষয় নিয়ে যেমন একদিকে প্রশ্ন তুলেছেন ভক্তরা তেমন, অন্যদিকে অনেকেই মনে করেছেন হঠাৎ করেই প্ল্যান করে জুবিনকে নিয়ে যাওয়া হয় মৃত্যুর মুখে। এটা নিতান্তই কাকতালীয় একটা ঘটনা নাকি প্ল্যান মাফিক কোনও চক্রান্ত তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
লেখা Hindustan times বাংলা থেকে সংগৃহীত
Comments
Post a Comment