ছত্রিশ গড়ে এক পাকুর গাছ কেটে ফেলায় এক বৃদ্ধার আবেগতাড়িত ভাবে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন
অমল গুপ্ত ,কলকাতা বিজ্ঞানী জগদীশ বসু প্রমাণ করে দিয়েগেছেন গাছদের প্রাণ আছে।মানুষের ব্যবহারে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। ছত্রিশ গড়ে এক পাকুড় গাছ কেটে ফেলায় শোক যন্ত্রনায় এক বৃদ্ধা কান্নায় ভেঙে পড়েন। গাছটির কাটা খন্ড জড়িয়ে বৃদ্ধার কান্না আজ দেশে ভাইরাল হয়েছে।ভারতে প্রত্যেকটি রাজনেতিক দল সরকার গাছেদের প্রতি কোনো মমত্ব বোধ ভালবাসা নেই। অবাধে গাছ কাটছে।পাহাড় ভেঙে টানেল নির্মাণ করতে গাছ কাটছে । কোনো প্রতিবাদ নেই। ছত্রিশ গড়ে এক অখ্যাত গ্রামের অশিক্ষিত বৃদ্ধা তাঁর সযত্নে ললিত গাছটি কেটে ফেলায় ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদছেন। দেশের মিডিয়া ফোকাস ফেলেছে। নির্বাচিত রাজনতিক দল গুলি মানুষের জীবন জীবিকার নিরাপত্তা অঙ্গীকার করে ইস্তাহার প্রকাশ করে কিন্তু দেশের গাছ গাছরা পশুপাখির নিরাপত্তা নিয়ে অঙ্গীকার পত্র প্রকাশ করা হয়না কেন। দেশের বিশিষ্ট পরিবেশ বিদ চিপকো আন্দোলনের জনক সুন্দর লাল বহুগুণ রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারক পত্র পাঠিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন গাছেদের কি নাগরিক হিসাবে গণ্য করা যায়না ? তাদের বেঁচে থাকার নিরাপত্তা কে দেবে।এই প্রতিবেদক গুয়াহাটি বশিষ্ঠ আশ্রমে সুন্দর লাল বহুগুনার সাক্ষাৎকার নেয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। তিনি দাবি করেছিলেন হিমালয় দেশের আদিম গাছ উদ্ভিদের পীঠস্থান
টা উজাড় করে দেওয়া হচ্ছে। বলেন সবুজ হিমালয়কে বাঁচাতে না পারলে ভারত বাঁচবে না। গাছ অক্সিজেন দেয় মাটি ধরে রাখে বলি পাথর ধরে জড়িয়ে বাঁচতে শেখায়। সেই সবুজ উজাড় করে দেওয়া হচ্ছে।।ব্যাপক ধস পাহাড় ভাঙ্গন মানুষের প্রাণহানি আর্তনাদ দেখেও মানুষে অন্তর কাঁদেনা। সিকিম, ভুটান ,হিমাচল প্রদেশে চারধাম পাহাড় ধস গাছ বাঁচিয়ে পরিকল্পনা হয়না দেশে।নীতিহীন চরিত্র হীন দেশের কাছে সবুজ পাহাড় প্রকৃতি কোনো প্রত্যাশা করেনা। আজ খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে। তাদের অভিভাবক নেই।
Comments
Post a Comment