মদ্যপানে সর্বনাশ, বাংলায় মদের উৎসব শুরু হয়ে গেছে।

মদ্যপানে সর্বনাশ 

 মদ শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর একটি তরল পানীয়। দুঃখ যন্ত্রণা, বিরহ-ব্যথা ভুলে থাকতে, আনন্দ উদযাপনে, আবার শুধু নেশার কারণেও মানুষ মদ্যপান করে থাকে। সেই প্রাচীনকাল থেকে আজ অবধি এই তরল পানীয়ের প্রেমে আবদ্ধ মানুষ। মদ মনকে ফুরফুরে বা  উংফুল্ল করে বলে ধারণা সুরাপ্রেমীদের। সত্যিটা হল মদ মানুষের শরীরের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই পানীয় অত্যাধিক সেবনে মানুষের শরীরে নানা ব্যাধি বাসা বাঁধে। মদের কারণেই পরিবারে অশান্তি লেগেই থাকছে। মদ্যপান বহু পরিবারকে আর্থিক ভাবে নিঃস্ব করে দিচ্ছে। এই তরল পানীয় সমাজকেও বিষাক্ত করে তুলছে। শুধু বড়রা নয়, ছোট ছোট ছেলেমেয়েরাও মদ্যপানে আসক্ত হয়ে উঠছে। একটু রাত হলেই দেখা যায়, রাস্তার ধারে কোনও একটা নির্জন জায়গায় অল্পবয়সি ছেলেরা জড়ো হয়ে মদ্যপান করে চলেছে। এ ঘটনা কোনও এক বা দু'টি গ্ৰাম অথবা শহরের দৃশ্য নয়, সার্বিক স্তরে ছড়িয়ে পড়া ঘটনা। প্রয়োজনে আইন করে মদ্যপান নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। প্রয়োজনে নাগরিক সমাজ, বুদ্ধিজীবী, কবি, শিল্পী সকলকে পথে নেমে মদ্যপানের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। লেখক  মতিউর রহমান  ভবানী পুর মুর্শিদাবাদ থেকে  রাজ্যবাসী কে সতর্ক করে দিয়েছেন। কিন্তু রাজ্যের অধিকাংশ যুবক যুবতী মদ আসক্ত,পরিত্রাণের পথ নেই।সরকার কোটি কোটি টাকার মদ বিক্রি করে  রাজস্ব আদায় করছে।যুবপ্রজন্ম র স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তা করেনা।  শারদ উৎসব নয় মদের উৎসব। তারা পিঠ উৎসব থাকে কয়েক কোটি আদায় করেছে।কলকাতা বাঙালি মদ  ছাড়া উৎসব হয় না। মদ আর মাদক প্রত্যেকটি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র কে  ছুঁয়ে গেছে। বাংলার উৎসব মানেই মদ।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর