"আমি আধা বাঙালি আধা আসামি দুই সংস্কৃতিকে ভালবাসি "বিদায় বেলায় শেষ সাক্ষাৎকারে জুবিন

অমল গুপ্ত ,কলকাতা ২০ সেপ্টেম্বর :   অসমের বরাক উপত্যকার আজকের শ্রীভূমি জেলার ম্যাজিস্ট্রেট পদে কাজ করতেন বাবা প্রফুল্ল বর ঠাকুর পরিবার  ।সেই পরিবারের সন্তান জুবিন গর্গ ছোট বেলা থেকে মা বাবা সহ ভাই বোনেরা বড় হয়েছেন।তাই বাঙালি সংস্কৃতির পরিমণ্ডলে মানুষ হয়েছেন আজকের জুবিন। সেই  জুবিন এর অর্ধেক আকাশ ছিল বাংলার আকাশ।  ভূপেন হাজারিকা ও বাংলার কলকাতা থেকেই বিশ্ব জয় করেছিলেন।  ভূপেন আকাশ ছুঁয়ে ছিলেন।অসমের প্রতিজন মানুষের প্রাণের প্রিয় জুবিন বিশ্ব বাংলা অসম  জয় করে বিশ্ব জয়ের পথে   এগোচ্ছিলেন। মাঝ পথে থেমে গেল। সিঙ্গাপুরের সাগরে স্কুব ড্রাইভিং করতে গিয়ে মারা যান অসমের প্রাণপুরুষ জুবিন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত সাহ  মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সর্বানন্দ  সোনোয়ায়াল থেকে শুরু করে অসম উত্তর পূর্বের অধিকাংশ জন নেতা মন্ত্রী গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।প্রধানমন্ত্রী বলেছেন জুবিন এর স্মৃতিকে ধরে রাখতে সব ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র। আসুর উদ্যোগে  আজ জমায়েত হয়েছে লতাশীল ময়দানে। গত রাত গুয়াহাটি বাসী  জেগে ছে। উত্তর পূর্ব জেগেছে।শারদ উৎসবের আমেজ  থমকে গেছে। অসময়ে জুবিন  গেলেন মানতে পারছেন না  কেউ।জুবিন সিঙ্গাপুর "চোখের জলে স্বর্গ বা tears of heven গানটি গিয়েছিলেন।আজও তার দেহ ভারতে আসেনি।  সরু সোজাই স্টিডিয়াম   বিশেষ বিমানে মরদেহ আনা হবে। ময়না তদন্তের জন্য তার দেহ সিঙ্গাপুর হাসপাতালে না হয়েছে।  অসমে তার অনুরাগীরা কান্নায় ভেঙে পড়েছে।সিঙ্গাপুরে নর্থ ইস্ট ফেস্টিভ্যাল যোগ দিতে গিয়েছিলেন।সেখানে সমুদ্রে  স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে তলিয়ে জন। ১৯৭২  সালে ১৩ নভেম্বর মেঘালয় তুরাতে  জন্ম গ্রহন করেন। তিনি ৪০ টি ভাষায় ২০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন তিনি অভিনেতা হিসাবে উজ্জ্বল ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। আজ সারা অসম অলিখিত বন্ধ পালন পালন করা হচ্ছে। মাত্র ৫২ বছর বয়সে জীবন দ্বীপ নিভে গেল।  লম ডিঙ্গে তিনি নিজেকে আধা  বাঙালি বলে পরিচয় দিয়েছিলেন।জনপ্রিয়  বাংলা গান পরিবেশন করে ছিলেন। আসু ,ছাত্র একতা সভা আজকের সব কর্মসূচি  বাতিল করা হয়েছে  "জুবিন লাইফ সেভিং পোশাক ছাড়া সাগরে নেমেছিলেন  বলে অভিযোগ উঠেছে  তদন্ত  চলছে।  আজ অসম অঘোষিত বন্ধ।সাগরে স্কুবা ডাইভিং এক দুঃসাহসিক  গেম।অসুস্থ শরীরে   জুবিন কেন অংশগ্রহণ করেন। ট্রেনার কেন বাধা দেন নি। প্রশ্ন উঠেছে। 

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর