কলকাতা ডোবার কারণ পূর্ব কলকাতা জলাশয়,পুকুর ভরাট নাগরিকদের জীবন চর্চা ,খাদ্যাভ্যাস
অমল গুপ্ত, কলকাতা : বাঙালিদের সাধের শহর কলকাতা আবার ডুবেছে। সব নর্দমা প্লাস্টিক ঠাসা ,সব পুকু র ভরাট হয়ে গেছে।অধিকাংশ জলাশয় ভরাট করে নতুন ভবন নির্মাণ চলছে। শুধু কলকাতা শহরে গুলশান কলোনি অঞ্চল জলাশয় ভরাট করে ৭০০ বেশি ভবন নির্মাণ হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া যাবেনা। কলকাতার নাগরিক সুনাগরিক নন , দৈনিক জীবন চর্চা আবর্জনার সঙ্গে বাস করতে ভালবাসে। বাড়ির চারপাশে গাছ লাগান না।শুধুই কাটে। পানীয় জল সঞ্চয় করে না অপচয় করে।খাদ্য তালিকার মধ্যে বিরিয়ানী মাংস সঙ্গে অবশ্যই মদ ।এবার পুজোতে বেশি মদ খাবে কলকাতাবাসী। সরকার প্রতি পুজো কমিটিকে এক লাখ বেশি টাকা দিয়েছে। এবার বেশি মদ খাবে বিষ মদ ,সঙ্গে বিষ ইনজেকশন দেওয়া খাসী মুরগি মাংস বিরিয়ানী প্রস্তুত হয় । কলকাতা দূষিত শহর।বলার অপেক্ষা রাখে সর্বত্র আবর্জনা স্তূপ। বাবুরা বাজারে প্লাস্টিক ব্যাগে সামগ্রী এনে নর্দমায় ফেলে। ঈদ উৎসবে ভিডিও তে দেখা গেছে নর্দমা দিয়ে রক্ত ভেসে যেতে। দূষিত হচ্ছে না চারপাশ ,। পূজোর সময় কলকাতা বাসীর অধিকাংশ বাসিন্দা ধারদেনা করে বাইরে ঘুরতে চলে যান।বাড়িঘর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হয়না। সব নর্দমা প্লাস্টিক আবর্জনা ভরাট। সাফ হয়না। কলকাতার সবাই বাবু তাদের মেরুদণ্ড কবেই হারিয়ে ফেলেছে। খুঁজে পাওয়া যাবেনা। ,কলকাতার ভূগর্ভের জল শুকিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশে সাবেক পূর্ব পাকিস্তানে নিজেদের বাড়ি ঘর প্রাসাদ নির্মাণ করে ভয়ে আতঙ্কে এই বাংলায় পালিয়ে এসেছে। তাদের মেরুদণ্ড বরাবর দুর্বল।কোন অন্যায় প্রতিবাদ করতে পারেনা।মেরুদণ্ডহীন বাঙালি হিন্দু। দেশের সর্বত্র মার খাচ্ছে। হিন্দুরা । কলকাতায় কমিশনের ভিত্তিতে রাস্তা ঘট নির্মাণ করা হয়েছে। উন্নতমানের রাস্তা তৈরি হয়নি।জল সারে গেলে হার কঙ্কাল বেড়িয়ে পড়বে। কলকাতা কলকাতায় থাকবে ভালো কিছু হবে না কারণ নগরীক পরিবেশ বান্ধব নয়। এই কলকাতাতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধু বিদ্যুত ও ভাগের ঘাড়ে দোষ চাপালে ভুল হবে। পূর্ব কলকাতার জলভূমিকে আর্ন্তজাতিক" রামসার সাইট 'হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।বহু বছর আগে। বাম ফ্রন্ট সেই সাইট কে গুরুত্ব না দিয়ে জবরদখল বন্ধের ব্যবস্থা করেনি।যা ভেরি অঞ্চল শুদ্ধ জল , বাতাস অক্সিজেনের বি শাল ভান্ডার । মাছ চাষ হচ্ছে। ওই নিচু অঞ্চল অক্ষত থাকলে কলকাতা শহরে জল বেড়িয়ে যেত কলকাতা ডুবত না। বর্তমান সরকার আমলে আর রামসার সাইট খুঁজে পাওয়া যাবে না।সবটাই জবরদখল। কলকাতার বাবুরা রামসার সাইট কি জানেন না।
কলকাতার এ্যামাজন পূর্ব কলকাতার জলাশয় আর্ন্তজাতিকভাবে রামসার সাইট হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। মাছ চাষের ভেরি জলা জমি অঞ্চল জলাশয় এলাকা নিচু জমি বিশুদ্ধ বাতাস অক্সিজেন সব এলাকা বেদেখল।কলকাতার সব দূষিত জলের নিকাশি বা নর্দমা অবরুদ্ধ না হলে শহরের সব জল বেড়িয়ে যেত।আজ কলকাতা ডুবেছে। পূর্ব কলকাতার জলাশয় আজকের নিউ টা উন বাবুদের বাস।আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে জলাশয় সংরক্ষণ রামসার সাইট ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সুন্দরবন আর পূর্ব কলকাতাকে জলাশয় সংরক্ষণ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে। কলকাতার রামসার সাইট আজকে আবর্জনার স্তূপ e পরিণত। বস্তু তন্ত্রের কেন্দ্র হিসাবে পূর্ব কলকাতা গুরুত্ব সমধিক। এই জলাশয় সংরক্ষিত হলে কলকাতা কোনোদিন ডুববে না।সবটাই বেদখন করা হয়েছে।একদিন শহর এর যত পরিযায়ী পাখি কিট পতঙ্গ উদ্ভিত মাছ ব্যাং পোকামাকড় এই পূর্ব কলকাতার জলা ভূমিতে বাস করত।আজ কিছুটা মাছের ভেরি চিংড়ি চাষ হচ্ছে।সবটাই বেদখল। শহরের "আমাজন" আজ ভরাট হয়ে গেছে।আধুনিক সভ্যতা গ্রাস করেছে।পূর্ব কলকাতার জলাশয় রক্ষা করা গেলে কলকাতা বাঁচবে নতুবা পরমায়ু বেশি দিন হবে না। ইরানের এক প্রত্যন্ত শহরে" রামসার সাইট " বা জলশ সংরক্ষণ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছি। পশ্চিম বঙ্গে সুন্দর বন ছাড়া পূর্ব কলকাতার জলাশয় রামসার অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।আজ ধ্বংস। এই অঞ্চলে কংগ্রেস ইন্দিরা ভবন নির্মাণ করেছিল।জ্যোতি বসু রা কোনো গুরুত্ব দেন ধ্বংশ লীলা অব্যাহত থাকে
ইঞ্জিনিয়ার শুভজ্যোতি ঘোষ একক ভাবে লড়াই করে স্বীকৃতি আদায় করে ছিলেন।
Comments
Post a Comment