রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন না,ছিল ভারাতজোড়া খ্যাতি

অমল গুপ্ত, ২৬ সেপ্টেম্বর:,কলকাতা:  তিনি কোনো  রাজনৈতিক দলের সমর্থক ছিলেন না।  সরকারি "অশোক স্তম্ভ" তকমা  তাঁর ছিল না । কেবল সাধারণ  সরকারের কোনো ধরনের কৃপা  গ্রহন না করা ব্যক্তি  ছিলেন উত্তর পূর্বের বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী জুবিন গর্গ  ,মেঘালয়ের পাহাড় প্রকৃতির কোলে তুরা  তে তার জন্ম।বরাকের করিমগঞ্জ  শহরে  শিশু বেলা ছাত্র জীবন  বাঙালি অসমীয়া  উভয় সম্প্রদায়ের ভাষা কৃষ্টি সংস্কৃতি আবহে বড়   হওয়া জুবিন  ৫২ বছর বয়সে    ভারতের অধিকাংশ  ভাষাতে৪০ হাজারের বেশি গান গেয়েছেন  ৩৫ টি।ভাষাতে।নেপাল ,বাংলদেশে তিনি প্রচণ্ড জনপ্রিয়  ।  জুবিন তাঁর আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি গরীব মানুষকে দান করে দিতেন। নিঃসন্তান  পত্নী গরিমা    ১৫ টি গরীব পরিবারের সন্তানকে দত্তক নিয়েছিলেন।গাছপালা পশু পাখির প্রতি ছিল খুব দরদ।  গুয়াহাটি কাহিলিপাড়ার  বাড়িতে ১৫ -২০ টি কুকুর আছে। প্রচুর গাছ গাছড়া নিয়ে তাদের বড় সংসার।আজ অভিভাবকহীন হয়ে গেল। অনাথ ১৫ টি সন্তান  এখন তাদের ভরণ পোষণ কে করবেন?  ১৫- ২০ টি কুকুর কে কে  দেখা শুনা করবে? এই বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী  থেকেও বেশি ছিলেন একজন সমাজ কর্মী। সমাজের প্রতিজন অভাবী মানুষকে তিনি নানাবে সাহায্য করতেন। প্রতিদিন বহু মানুষ তার বাড়িতে আসতেন সাহায্যের জন্যে হাত   তারই কয়েকজন বন্ধু  সিঙ্গাপুর  ঘুরতে যাওয়ার নাম করে স্কুবা ড্রাইভিং এর  লোভ দেখিয়ে আগের রাতে  প্রচুর পরিণামে মদ  খাইয়ে দিয়ে অসুস্থ অবস্থাতে   সাগরের জলে  নামিয়ে দেন। তাঁর   নানা রোগ ছিল।চোখে আবছা দেখতেন বলে জানা গেছে। আগের রাতে রাত ভোর নেশা মদ স্ফূতি  , পরে বিশ্রাম না নিয়ে আবার স্কুবা  ড্রাইভিং নাম করে জোর জবর দস্তি করে সাগরের নোনা হলে নামানো হয়। নানা ভিডিও ছবিতে দেখা যায় জুবিন চোখে  মুখে শারীরিক অসুস্থতার   ছাপ। হাত দিয়ে নৌকা ছুঁতে  পারছেন না। তাঁর লাইফ জাকেট ছিল না।   বহু কষ্টে    পেটে  ছিল ভর্তি  মদ।।অবাক করা কথা তার সঙ্গে ১১ জন থাকা সত্ত্বেও একজন ও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন নি।   অসমের  তিন কোটি মানুষের প্রাণের শিল্পী  কি বিচার পাবেন না। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সিবিআই  তদন্তের  আদেশ দেবেন? তাঁর দুবার পোস্ট মর্টেম হয়েছে।  ১৩ দিনের কাজ হবে  জোড়হাট  সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী  সিবিআই তদন্তের ঘোষণা করতে পারেন।  সাংবাদিক সহ বহু প্রভাবশালী ব্যক্তি  চক্রান্ত জড়িয়ে আছে। তাদের  সবাইকে  কঠোর শাস্তি ছাড়া অসম বাসী   ক্ষান্ত হবেনা।।আমরা সবাই   শাস্তি চাই।   মুর্শিদাবাদ জেলার জিয়া গঞ্জ এর বাসিন্দা অরিজিৎ সিং আজ বিশ্ব খ্যাতি অপরদিকে অসমের  জুবিন গঞ্জ  নিজের  রাজ্যকে  ছেড়ে বাইরে রাজ্যে   যেতেন না দুজন শিল্পী   বম্বাই বহু অফার পেয়েছিলেন। নিজের জন্মভূমিকে ভালবাসেন তাই বাইরে যাননি। ইউ এস টি এম বিশ্ববিদ্যালয় জুবিন নামে শিক্ষা  প্রতিষ্ঠান স্থাপন করবে। সাংসদ  বদরউদ্দিন আজমল তার  স্মরণে শিক্ষা  ভবন নির্মাণ করবেন ২০১৭ সালের ১৭ নভেম্বর গুয়াহাটিতে জন্মদিনে রোপণ করে রক্ত চন্দন গাছ কেটে তার চিতা সাজানো হয়।।( বিভিন্ন ভিডিও ,   সোশ্যাল মিডিয়া  খবর আমার লেখার সূত্র আমি  অসম কে ভালবাসি জুবিন কে ভালবাসি তাই আমার   শ্রদ্ধা  নিবেদন  এই প্রতিবেদন।)

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর