জুবিন গর্গ এর মৃত্যু উত্তর পূর্বের মানুষ বেদনা বিভোর প্রকৃতি কেও কাঁদাচ্ছে

    চিত্ত রঞ্জন পাল  :  সেপ্টেম্বর  , ২৮ সেপ্টেম্বর:: "গ্রীষ্মের অসহনীয় দাবদাহের পর আসে বর্ষা। আর ধীরে ধীরে বর্ষায় শুরু হয় মেঘের ঘনঘটা, বজ্রবিদ্যুতের বীভৎস শব্দ, চারদিকে পথঘাট কর্দমাক্ত। অপ্রতিরোধ্য ভাবে আসে বন্যার তাণ্ডব। এই পরিবেশে মানুষ হয় ওঠেন তিতিবিরক্ত। কিন্তু র্ঋতু পরিবর্তনের সুবাদে পরক্ষণেই আসে শরৎকাল। তখন নীলাকাশে বিচরণ করে টুকরো টুকরো শুভ্র মেঘের আনাগোনা। জলাশয়ে ফুটে ওঠে নীলপদ্ম। মাঠে ঘাটে প্রষ্ফুটিত কাশফুল নিয়ে আসে মৃণ্ময়ীর আগমণীর বার্তা। দীর্ঘ একবছর অপেক্ষার পর বাঙালির ঘরে ঘরে বাজতে শুরু হয় আনন্দধ্বনি। শরৎকালে মা দুর্গার শারদীয়া উৎসব ঘিরে তাই সব বাঙালিই মেতে ওঠেন।"
বলাবাহুল্য, প্রকৃতি কে কখনও প্রতিরোধ করা বা তাকে আটকানো যায় না। তাই শরতের স্নিগ্ধ নাতিশীতোষ্ণ পরিবেশে বিশুদ্ধ পঞ্জীকার তিথি অনুসারে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হওয়া স্বাভাবিক। যদিও বর্তমান অসমে পূজোর আনন্দ ও হই হুল্লোড় করার মতো পরিস্থিতি অনুকুল নয়। সাম্প্রতিক রত্নগর্ভা অসমের সুসন্তান প্রতিভাবান সঙ্গীত শিল্পী ক্ষণজন্মা প্রয়াত জুবিন গর্গের অকাল মৃত্যু যেন গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষের মনে এক অসহনীয় বেদনা দিয়ে গেছে। এমন শোকাকূল পরিবেশে পূজো প্যাণ্ডেল গুলিতে উচ্চ গ্রামে সেভেন এক্সের ডিজে বাজানো মোটেও সংস্কৃতি সুলভ আচরণের পরিচায়ক হবে না। অন্তত এবারের দুর্গাপূজোয় দৃষ্টিকটু যে কোনো বিষয় থেকে সংযত থাকা একান্তই কাম্য।
"নর্থ-ইষ্ট হিন্দু বাঙালি ইউনাইটেড ফোরাম" এর পক্ষ থেকে মুখ্য আহ্বায়ক চিত্তরঞ্জন পাল সকলকে শারদীয়ার অসীম শ্রদ্ধা, অফুরন্ত প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, রাজ্যের মূহ্যমান পরিস্থিতি ক্ষণস্থায়ী। যদিও আবার নতুন ভোর হবে। সঙ্গে নতুন সূর্যোদয় নিয়ে আসবে খুশির আমেজ। তাই আসন্ন শারদোৎসব সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সৌভ্রাতৃত্ব অধিক সুদৃঢ় করবে বলে তিনি আশাবাদী।

Comments

Popular posts from this blog

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে প্রকাশ পাবে বাংলা শারদ সংখ্যা নয়া ঠাহর