মালদহ ,মুর্শিদাবাদ জেলাকে বাংলাদেশের অংশ করার চক্রান্ত করছে মৌলবাদীরা: অধীর চৌধুরী
অমল গুপ্ত ,১৩ আগস্ট, কলকাতা : তৃণমূল সরকার বাংলার ব জানেন না গুজরাটের ক্রিকেট খেলোয়াড় কে ৭০;শতাংশ বাঙালি মুসলিম জনগোষ্ঠীর বহরমপুর কেন্দ্রে সংসদ নির্বাচিত করলেন। জেলার মুসলিম ভোটাররা চুপ করে কোনো প্রশ্ন না তুলে সেই সংসদ উসুফ পাঠান কে বিপুল ভোটে জেতালেন।জেলার বাঙালি আবেগ অস্মিতা জলাঞ্জলি দেওয়া হল।একমাত্র প্রশ্ন তুললেন জেলার ভূমিপুত্র অধীর রঞ্জন চৌধুরী যিনি জেলাকে হাতের তালুর মত জেলাকে চেনেন।যিনি জেলাকে ভোল করে চেনেন বলে জেলার মৌলবাদী দেশ বিরোধী চক্র সম্পর্কে সম্যক ধারণা আছে।জেলার হিন্দু মুসলিম লেখা লাখ মানুষ ব্যক্তিগত ভাবে চেনেন।তিনি সরাসরি অভিযোগ করেছেন বাইরের অবাঙালি প্রতিনিধি কে বসিয়ে জেলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে ফাটল আরো বাড়িয়ে দিলেন। তিনি জেলাকে ভালো মত চেনেন বলে বলতে পারেন মুর্শিদাবাদ আর মালদহ জেলা ক্রমশ ওপার বাংলার মুসলিমরা বে আইনি ভাবে দুই জেলার জন বিন্যাস পাল্টিয়ে দিচ্ছে।বিশেষ করে ভারত বিরোধী মুসলিম মৌলবাদী দের এই চক্রান্ত গভীর হচ্ছে। তৃণমূল দলের বিধায়ক তো হুমকি দিয়েই রেখেছেন জেলার মাত্র ৩০ শতাংশ হিন্দু জনগোষ্ঠীকে মেরে কেটে ভাগীরথী নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হবে। স্থানীয় ভূমিপুত্র প্রাক্তন সংসদ অধীর বলেন ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীনতা লাভ করলেও মুর্শিদাবাদ জেলা দুদিন বাদ স্বাধীনতা পেয়েছিল।তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান এর অংশ ছিল।সেই সুযোগ নিতে চাইছে মৌলবাদীরা ,বাংলা দেশের ভৌগলিক সীমানা বাড়িয়ে মালদহ মুর্শিদাবাদ জেলার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার গভীর চক্রান্ত শুরু করেছে। জেলার হিন্দু জনগোষ্ঠী যদি ঐক্যবদ্ধ ভাবে মুসলিম মৌলবাদী শক্তিকে পরাভূত করতে না পারে তবে আর বেশি দিন নেই দুই জেলাতে বাংলদেশে র পতাকা উড়বে ?মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ৬৬.২৮% এবং মালদহ জেলায় ৫১.২৭%. বিগত মুর্শিদাবাদ জেলার গত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় বেছে বেছে হিন্দু দের শতাধিক ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়।জেলার হিন্দুরা প্রাণভয়ে মালদহ জেলাতে গিয়ে আশ্রয় নেন
Comments
Post a Comment