মুসলিম জনগোষ্ঠী ৫১ শতাংশ অতিক্রম করলে ভারতের গনতন্ত্র ,সামাজবাদ ধ্বংস হয়ে হবে : নীতিন গারকারী
অমল গুপ্ত ,৪ আগস্ট : কলকাতা: দেশে গুটিকয়েক নেতার গ্রহণ যোগ্যতা আজও অটুট আছে। সংসদে আমাদের দুজন বাঙালি সংসদের কুরচিকার ভাষণ সমগ্র বাঙালির মাথা লজ্জায় নত হয়ে যায়। কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করবে না। গুটিকয়েক নেতার মধ্যে উজ্জ্বল উদাহরণ নীতিন গরকারী , তথাগত রায় কে অর্ন্তভুক্ত করা যেতে পারে। সবথেকে লজ্জার এক অপরাধী কে এক রাজনীতিক দলের মুখপাত্র করা হয়েছে। সেই সংবাদপত্র পড়তেই হবে নতুবা পিছিয়ে পড়তে হবে বলে স্লোগান দেওয়া গোষ্ঠীর টিভি চ্যানেল সকাল নয় ভোর থেকে তার নাম বাজিয়ে চলে। নিজেদের বিখ্যাত দাবি করা চ্যানেল টির অধোগতি নিজেরাই ডেকে এনেছে। দেশের সড়ক উন্নয়নও মন্ত্রী নীতিন গারকারি এই সেদিন বলেন হিন্দু মুসলিম ভেবে নয় , বিরিয়ানী র স্বাদ আস্বাদ গ্রহণ করার সময় মানুষ জাত বিচার করেন না। তিনিই আবার মন্তব্য করেন দেশের মুসলিম সমাজ ৫১ শতাংশ পৌঁছিয়ে গেলে দেশের গনতন্ত্র সমাজবাদ লোকো তন্ত্র" "খতম "হয়ে যাবে। মেঘালয় এর প্রাক্তন রাজপালা তথাগত রায় খুবই প্রাসঙ্গিক মন্তব্য করে বলেছেন দেশে প্রবজন বা অনুপ্রবেশ আর প্রজনন জ্বলন্ত সমস্যা সমস্যা।। কোনো দিন সমাধান হবে না।মুসলিম সমাজের অভিভাবক দের চিন্তা করার সময় এসেছে সন্তান প্রতিপালন আর সন্তানদের ভালভাবে মানুষ করা এক বোঝায় না। এক সংসারে গুণমান মর্যাদা বজায় থাকে সংসারের বহরের উপর।সীমিত সংখ্যার উপর। তাছাড়া অপরাধ প্রবন মানসিকতা অবশ্যই নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে হবে। অধিকাংশ অপরাধ জনিত ঘটনার পিছনে কেন একই জাতির নাম উঠবে? সেই জাতির কি মান মর্যাদা নেই। তাদের অভিভাবক দের দায়িত্ব নেই? অশিক্ষা কুশিক্ষা দারিদ্রতা কে ঘিরে রয়েছে সমাজকে। কোটি কোটি টাকার ওয়াকফ সম্পত্তি ভোগ করে দেশের উচ্চ ধনী শ্রেণীর মানুষ। দরিদ্র পীড়িত মানুষের স্থান ফুটপাথে।জীবন সংগ্রামে বেঁচে থাকা। আর অনুপ্রবেশ কি বন্ধ হবে দেশে? রাজনৈতিক দলগুলো ভোটার বাড়ানো লাভ সংবরণ করতে পারছে না। রোহিঙ্গা থেকে অবৈধ বাংলাদেশি সবার বৈধ ভারতীয় নথি জাল করে বানিয়ে দিয়ে দেশে ভোটার বানাচ্ছে।কোনোদিন বন্ধ হবে? তথাগত রায় কি অন্যায় বলেছেন। যে সব ডান বামপন্থী নেতারা বেশি চিৎকার করেন তাদের অধিকাংশ বাংলদেশে ফেলে আসা, বা লেজ গুটিয় পালিয়ে আসা বিশাল বিশাল বাড়ি ঘর প্রসাদ দেখে মন খারাপ হয়ে হয়। পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ জমিদার ডান বামপন্থী নেতারা বাংলাদেশে বিশাল সম্পত্তি ছেড়ে পালিয়ে এসে বাংলাদেশি ইস্যুতে সরব।অথচ সেদেশে বাঙালি হিন্দুরা পড়ে মার খাচ্ছে। দেওয়াল পিঠ ছুঁয়েছে গেছে। নিজেদের লাজ লজ্জা ছুঁড়ে ফেলে হিন্দু সেজে পশ্চিমবঙ্গ এ পালিয়ে আসছে। তারাই আবার কলকাতা দখলের স্বপ্ন দেখে।দুই বাংলার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিমূর্তি স্মৃতি সৌধ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল।কবিগুরু রবীন্দ্রাথেএমন কি বঙ্গবন্ধু মুজিবর রহমানের প্রতিমূর্তি গুঁড়িয়ে দেওয়া হল।দুই বাংলা বিস্ময় কর ভাবে চুপ। মেরুদণ্ডহীন বাঙালিদের আর অবশিষ্ট কিছু নেই। দিল্লী পুলিশ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের অপমান করল।এক চিঠিতে "বাংলাদেশি ভাষা" বলে অপমান করেছে। দিল্লী পুলিশে র বাঙালি জাতি সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। রবীন্দ্র নাথ বিবেকানন্দের ভাষা কে অপমান করছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যের মানুষ রবীন্দ্র নাথের ভাষা সম্পর্কে ধারনা নেই।শুধুই বাংলদেশে ভাষা জানে।সমগ্র বাঙালির ভাষা নয়।বিজেপি নেতা বলেছেন বাংলা ভাষা বলে কোনো ভাষা নেই।
Comments
Post a Comment