গৌরব গগৈ কি পারবেন অসমে সফল হবেন
গৌরব গগৈ কি পারবেন কংগ্রেসের হৃত গৌরব ঘুরিয়ে আনতে? একটি পর্যালোচনা।
তরুণ তনয়, লোক সভার কংগ্রেস দলের উপ দলপতি, তরুণ তুর্কি, উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বলিষ্ঠ কন্ঠ মাননীয় শ্রী গৌরব গগৈ মহাশয় আসাম প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সভাপতি মনোনিত হওয়ায় কংগ্রেসের মরা নদীতে মৃদু মৃদু স্রোত বইতে শুরু করেছে। এই স্রোত আদৌও বন্যার সৃষ্টি করতে পারবে কি না তা এই মুহুর্তে বলা মুস্কিল।কিন্তু এটা সত্য যে গৌরব গগৈ সভাপতি পদে আসিন হওয়ায় তৃণমূলের মন মরা কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছে। তাই বাধ্য হয়েই বহুধাবিভক্ত আসাম রাজ্যিক কংগ্রেস নেতৃত্ব গৌরব গগৈ মহাশয়ের নৌকায় সওয়ারী হয়েছেন। গৌরব কি পারবেন হিমন্তের কৌশলী ঝড়ে উত্তাল সমুদ্রে তাঁর তরীকে তীরে ভেড়াতে, ধর্মীয় উন্মাদনার এই ভারী তুফানে- নৌকা যেথা টালমাটাল।
গৌরব গগৈ সভাপতি পদে আসিন হয়েই জং ধরা রাজ্য দলের নল খলছে পাল্টে দিয়ে নতুন মুখাবয়ব দিয়ে আগামী যুদ্ধের জন্য তাঁর সৈন্য বাহিনী সাজাচ্ছেন। জেলায় জেলায় নতুন মুখকে সভাপতি পদে বসিয়ে চমক দিয়েছেন। হোজাই জেলাতে শ্রীমতি ঝিল্লী চৌধরীকে জিলা কংগ্রেসের সভানেত্রীর আসনে বসিয়ে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। মনে হচ্ছে ঝিল্লী চৌধরী কে জিলার তৃনমূল পর্যায়ের নেতা, কর্মীও মন থেকে গ্রহণ করেছেন। তাইত, বহু উপ দলে বিভক্ত যমুনা মুখ/ বিন্না কান্দি সমষ্টি ও লামডিং সমষ্টির কংগ্রেস নেতা কর্মীগণ মন উজাড় করে তাঁকে সংবর্ধনা দিয়ে বরণ করছেন। তাঁর পূর্বসুরী দুই বিশ্বজিতের কপালে তার বিন্দু মাত্রও জুটে নি।
তাঁর নেতৃত্বেই গত ১৫ ই আগষ্ট, দেশের ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবসে , হোজাই শহরের নেতাজী কর্ণারে গৌরব গগৈ মহাশয় ডাঃ অর্ধেন্দু কুমার দে প্রতিষ্ঠিত , উত্তর পূর্বাঞ্চলের সর্ব বৃহৎ নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর ব্রোঞ্জের প্রতি মূর্তির সম্মুখে , জন সমুদ্রের মধ্যে দাঁড়িয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে নজীর গড়েছেন। স্বাধীনতা দিবসে এই প্রথম কোন রাজনৈতিক দলের প্রধানের হোজইতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন । পতাকা উত্তোলনের পর প্রদেশ সভাপতি ও জিলা সভানেত্রীর নেতৃত্বে শুরু হয় ত্রি রাঙা যাত্রা। হাজার হাজার মানুষের অংশ গ্রহণে ত্রি রাঙা যাত্রা দেখে মনে হচ্ছিল হোজাই শহরের বইছে ত্রি রাঙা বন্যা। ত্রি রাঙা বন্যায় ভেসে ভেসে জনতা এসে সমবেত হয় মারোয়ারি যুব মঞ্চের ময়দানে। এই ময়দানের গৌরব গগৈর ভাষণ ছিল সাদামাটা। লোক সভার অগ্নিবর্ষি গৌরবের ভাষণ শুনতে আশা লোক জন সাদামাটা ভাষণে অনেকটাই হতাশ হয়েছেন। সংসদীয় তার্কিক নেতার জন সভার ভাষণে আহামরি চুম্বকীয় শক্তি ছিলো না বললেই চলে। গৌরব গগৈকে জ্বালাময়ী, কৌশলী ভাষণে উস্তাদ ড: হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে টাক্কা দিতে আরও অনেক খানি পথ হাঁটতে হবে। তবেই তাঁর "যুঁজ এখন হব " শ্লোগান সার্থক হবে।
বিরোধী দলের লোক সভার উপ দলপতি,সাংসদ গৌরব গগৈর ইচ্ছায় হোজাই জিলা কংগ্রেসের উদ্যোগে ও প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন করের ব্যবস্থাপনায় ১৪ ই আগষ্ট সন্ধ্যায় ডাঃ অর্ধেন্দু কুমার দে প্রতিষ্ঠিত লঙ্কা রাজীব ভবনে লঙ্কার গণ্য মান্য ব্যক্তিদের একটি মত বিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়। সভার দর্শণীয় দিক ছিলো বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্যাপক অংশ গ্রহণ। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেই সভায় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মৌলিক সমস্যা ও সমাধান নিয়ে গৌরব গগৈর নির্লিপ্ততা। বাঙালি সম্পর্কে তাঁর নেতৃত্বের কংগ্রেস দলের আগামি দিনে কি ভূমিকা হবে সেই বিষয়ে তাঁর নীরবতায় অনেক কেই হতাশ হতাশ করেছে।১৪ ই আগষ্ট রাত সাড়ে নয়টায় হোজাই শহরের স্টার হোটেলে হোজাইর জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের সঙ্গে গৌরব গগৈ মহাশয়ের একটি মত বিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।ব্যবস্থাপনায় হোজাই জিলা কংগ্রেস। এই সভায় আমি একজন জ্যেষ্ঠ নাগরিক রূপে জিলা সভা নেত্রী ঝিল্লি চৌধরী, লামডিং এর নেতা, প্রাক্তণ বিধায়ক শ্রী স্বপন কর ও গোপাল নগর নিবাসী, কংগ্রেস নেতা ফাইজুল হক মহাশয়ের আমন্ত্রণে অংশ গ্রহণ করেছিলাম। এই মত বিনিময় সভায় হোজাই শহরের প্রাক্তন শিক্ষক শ্রদ্ধেয় কমল দত্ত, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নারু দাস, বাবুল সাহা, বন্ধু বর নিভাস দাস, (প্রাক্তন কাস্টম ডিরেক্টর) , বিশিষ্ট আগর ব্যবসায়ী নেওয়াজ আহমেদ, হোজাইর জ্যেষ্ঠ নাগরিক হুসেইন আহমেদ, রজত চক্রবর্তী, প্রাক্তন শিক্ষক শংকর ঘোষ, নগাঁও জিলা পরিষদের প্রাক্তন সভানেত্রী শ্রীমতি ঝর্ণা সমাদ্দারও অরাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেস দলের ছিলেন হোজাই পৌর সভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ দ্বয় সর্ব শ্রী বিশ্বম্ভর ঘোষ, অমর চাঁদ দে , আসাম প্রদেশ কংগ্রেসের OBC বিভাগের উপ সভাপতি, হিন্দি ভাষী নেতা জয় প্রকাশ গুপ্তা, তপন মজুমদার, গৌতম ঘোষ দস্তিদার, হোজাই শহর মহিলা কংগ্রেসের নেত্রী অঞ্জু বর কটকি UDF নেতা ধনীরাম থাউসেন সহ অনেক কংগ্রেস কর্মী। লামডিং ও বিন্নাকান্দী সমষ্টির অনেক বয় জ্যেষ্ঠ নাগরিকও উক্ত অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে ছিলেন, তাঁরা সবাই কংগ্রেস দলের কর্মী।
সভায় বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের হয়ে প্রাক্তন শিক্ষক শ্রী কমল দত্ত মহাশয় তাঁর বক্তব্যে জানতে চান, দেশ বিভাগের পর থেকে এখন পর্যন্ত বাঙালি হিন্দুদের উপর যে নির্যাতন চলছে এবং এই নির্যাতিত সম্প্রদায়কে নাগরিকত্ব রক্ষার জন্য আর কত অগ্নি পরীক্ষা দিতে হবে? এই বিষয়ে কংগ্রেস দল আগামী দিনে কি ভূমিকা নেবে? বাবুল সাহাও একেই কথা বলেন। আমি বসুন্ধরা মিশন -২ তে কিভাবে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়কেও মুসলিম সম্প্রদায়ের মত মাটির ম্যাদী পাট্টা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তা তথ্য সহকারে তুলে ধরে এর বিরুদ্ধে সংসদে আওয়াজ তোলার জন্য মাননীয় গৌরব গগৈ মহাশয়কে আহ্বান জানাই। আমার বক্তব্য ছিল বসুন্ধরা মিশন-২ তে সরকারের অঘোষিত নির্দেশ ছিল যে, যে বা যাঁরা ১৯৪৮ সনের আগে থেকে আসামে আছেন, এবং গত তিন পুরুষ যাবৎ দখলীকৃত খাস বা তৌজী ভুক্ত মাটিতে বসবাস করছেন কেবল তাঁরাই পট্টার জন্য নির্বাচিত হবেন।সরকারের এই অতি কৌশলী সিদ্ধান্ত বাঙালিকে পাট্টা পেতে বঞ্চিত করেছে। উদাহরণ হোজাই শহরের ওয়ার্ড নং ১,৪,৫,৮,১০, এ গড়ে ৭০% মাটি তৌজী, খাস এবং এই মাটিতে কয়েক দশক থেকে মানুষজন ঘর বাড়ি বানিয়ে বসবাস করছেন। কেবল বাঙালি হওয়ার জন্যই এবং উল্লেখিত শর্ত পালনে তাঁরা ব্যর্থ হওয়ার জন্যই দরখাস্ত করা সত্বেও পাট্টা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কারন, হোজাইতে ১৯৬০ থেকে ১৯৭০ সনের মধ্যেই অধিকাংশ বাঙালি হিন্দু এসেছেন।অনুরুপ ভাবে আসামেও।
আমি CAA র বিরুদ্ধে অহেতুক কা কা না করে CAA রুলস এর সরলি করণ করার জন্য সংসদে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানিয়ে বলি ইতিমধ্যে বার বার প্রমাণিত হয়েছে যে খিলঞ্জিয়া জনগণ মন থেকে CAA গ্রহণ করেছেন। প্রমাণ ২০১৯ এর পর প্রতিটি নির্বচনে খিলঞ্জিয়া প্রধান অঞ্চল, বাগান শ্রমিক থাকা অঞ্চল তথা অবাঙালি হিন্দু প্রধান অঞ্চলে CAA পন্থী অর্থাৎ বিজেপি র ব্যাপক সাফল্য/ জয়। অন্য দিকে লক্ষ্যণীয় বিষয় যে, CAA প্রযোজ্য হোয়া সত্বেও ভাষিক অসমিয়া / খিলঞ্জিয়া লোকের কোন ক্ষতি অদ্যাবধি পরিলক্ষিত হয়নি। আবার বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়েরও তেমন কোনো লাভ হয়নি। লাভ না হওয়ার মূল কারণ রুলসের জটিলতা। এই জটিলতা দূর হলে ঘোষিত বিদেশী এবং ডিটেনসন ক্যাম্প নামক জেলে যাঁরা আছেন তাঁরা (বাঙালি হিন্দু) মুক্তি পেয়ে CAA এর মাধ্যমে নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন । কারন তাঁদের ৯৯% ২০১৪ সনের বহু আগেই আসামে এসেছেন।অধিকাংশের নাম বা তাঁদের পূর্ব পুরুষের নাম ২০১৪ সনের ভোটার তালিকায় রয়েছে।FT এর রায়ে তাঁরা কোন সনে বাংলাদেশের কোন স্থান থেকে আসামে এসেছেন তার উল্লেখ আছে। সুতরাং ঘোষিত হিন্দু বাঙালি বিদেশী বিনা শর্তেই CAA র মতে তাঁরা নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য ।কিন্তু জটিল রুলস নাগরিকত্ব প্রাপ্তির পথে হিমালয় সম অন্তরায়। এই অন্তরায় দূর করার জন্য রুলস্ এর সরলি করণ দরকার।আমি আরও বলেছিলাম প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী তরুন গগৈ মহাশয়ও ২০১৪ সনের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সকলের নাম বিনা শর্তে NRC তে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন জানিয়ে ছিলেন। তাহলে কেন আসাম কংগ্রেস CAA র বিরোধিতা করেছে ? আমি গৌরব গগৈ মহাশয় কে শতর্ক করে বলি যে, CAA নিয়ে বেশী কা কা করলে যে কয়জন বাঙালি হিন্দু এখনো কংগ্রেসে আছেন তাঁরাও সরে যাবেন। তাই CAA নিয়ে কা কা বন্ধ করুন।
এই মত বিনিময় সভায় আমি মাননীয় গৌরব গগৈ মহাশয়ের কাছে আরো জানতে চেয়েছি যে আসামের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় ড: হিমন্ত বিশ্বশর্মা মহাশয় লোক গণনায় মাতৃ ভাষা বাংলা লেখালে বিদেশী ধরতে সুবিধা হবে বলে পরোক্ষ ভাবে সমস্ত বাঙালি জাতিকে অপমান করা এবং বিজেপির IT CELL এর প্রধান অমিত মালব্য বাংলা কোনও ভাষা নয় বলে বাঙালিকে অপমান করার পর দেশের বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করেছে । আসামেও বরাক উপত্যকার তিনটি জিলা কংগ্রেস কমিটি অনুরূপ ভাবে প্রতিবাদ করেছে।হোজাইতেও জিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী শ্রীমতী ঝিল্লী চৌধরী সাংবাদিক সম্মেলন করে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য কে কঠোর ভাষায় নিন্দা করেছেন। আমি অসম নাগরিক মঞ্চের পক্ষ থেকে তাঁদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন, আসাম প্রদেশ কংগ্রেস নীরব কেন ?
তারপর আমি, মাননীয় সংসদ গৌরব গগৈর দৃষ্টি নাগরিকত্ব আইনের 6 A এর D প্রতি আর্কষণ করে বলি, এই ধারা মতে আসামের প্রত্যেকেই ভারতের নাগরিক। আপনি দয়া করে সংসদে এই ধারাটির প্রতি সরকার এবং দেশের দৃষ্টি আর্কষণ হেতু উত্থাপন করুণ। ধারা 6 A , Special provisions as to citizenship of persons covered by the Assam Accord.( D ) a person shall be deemed to be of if he or either his perents or any of his grand perents was born in undivided India.
কিন্তু দুঃখের বিষয়, লোক সভার বিরোধী দলের উপ দল পতি আমার বা মাননীয় কমল দত্ত মহাশয়ের প্রশ্নের কোনও উত্তর নাদিয়ে অন্য বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। এতে মনে হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি বিজেপির মত আসাম রাজ্য কংগ্রেসের মনোভাবও নেতিবাচক। সভায় মাননীয় গৌরব গগৈ মহাশয় বারবার হোজাইর এক অসমিয়া ভদ্র লোকের নাম নিচ্ছিলেন দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে যে, বাঙালি প্রধান হোজাই সমষ্টিতে কি কংগ্রেস অবাঙালি কাউকে প্রার্থীত্ব দিতে চাইছে? এই ভাবনার অন্য কারনও আছে। আসাম কংগ্রেসের ইস্তেহার কমিটিতে হোজাইর দুইজন অবাঙালির অন্তর্ভুক্তি। তাঁদের একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক, অন্যজন udf নেতা। ইস্তেহার সম্পর্কে তাঁদের জ্ঞান সন্দেহের উর্ধে নয়।
হোজাইর লঙ্কা শহরে অনুষ্ঠিত ২০১৭ সনের জুলাই মাসের পর হোজাইর এই সভাই কংগ্রেসের সর্ব বৃহৎ দৃষ্টি আকর্ষণীয় সভা। দুইটি সভার একটি কাকতলীয় মিল আছে।২০১৭ সনের সভার মধ্যমনি/ মূল আকর্ষণ ছিলেন প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ, এবারের সভায় তরুণ তনয় শ্রী গৌরব গগৈ। এই সভা শ্রীমতি ঝিল্লী চৌধরীর রাজনৈতীক জীবনের মাইল স্টোন হয়ে থাকবে।
তাই,সাধু সাবধান।
ইতি
বিজয় চক্রবর্তী।
সাধারন সম্পাদক,
অসম নাগরিক মঞ্চ।
হোজাই,
ফোন নাম্বার -৯৪০১২৪৪৫৬৪
Comments
Post a Comment