প্রদীপ বাবু গুয়াহাটি শহরে আমাকে খুঁজে। করেসপন্ডেন্ট পোস্টে নিয়োগ করেছিলেন
দৈনিক সংবাদ উত্তর পূর্বের একমাত্র কাগজ এক তারিখে চেক পাঠিয়ে দিত। আমার হাতের লেখা খারাপ।কিন্তু কোনো অসুবিধা হয়নি। একবার সস্ত্রীক আমার গুয়াহাটির কোয়ার্টার এসে ছিলেন।পরিবারের সঙ্গে মিশে আমার প্রয়াত পত্নী সান্তনা গুপ্ত খুব খুশি হয়েছিলেন।এক সঙ্গে কামখ্যা দর্শনে যাই।ত্রিপুরা গেলে প্রদীপ বাবু নিজে আমন্ত্রণ করে নিয়ে যেতেন। এই তো সেদিন বলে মনে হচ্ছে। তার এক বন্ধু কে কামাখ্যা দর্শনের ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। একবার আগরতলা থাকে কলকাতার বিমানে টিকিট পাচ্ছিলাম না। প্রদীপ বাবু দৈনিক সংবাদের গুয়াহাটি করেসপন্ডেন্ট বলে বিমানের টিকিট পাইয়ে দেন
বাংলদেশে এক বন্ধুর অ্যাড্রেস প্রদীপ বাবু ব্যবস্থা করে দেন।সেই সাংবাদিক সৌরভ হাসান এর অ্যাড্রেস নিয়ে বাংলা দেশ সফর করি।প্রদীপ বাবু ছিলেন একজন সক্রিয় সমাজ কর্মী সবার উপকার করতেন।একজন ভালো বন্ধু হারালাম। সমবেদনা জানাবার ভাষা নেই। অমল গুপ্ত , প্রাক্তন গুয়াহাটি করেসপন্ডেন্ট দৈনিক সংবাদ ত্রিপুরা একটি কথা মনে পড়ে গেল আগরতলা থেকে বিমানের টিকিট বিশেষ কোটা তে আমাদের দেওয়া হয়েছিল।সেদিন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছিল আমাদের আমার পত্নী সান্তনা সহ দুজনের আসন বরাদ্দ হয়েছিল ব্যালট বক্সের পাশে।শিকল দিয়ে বক্স দুটি বাঁধা ছিল। আর একটি পরামর্শ আজও ভুলতে পারিনি আমি ৭ হাজার টাকার ডলার ভাঙ্গিয়েছিলাম।বাংলদেশে যাবো বলে সালটা সম্ভবত ২০০৮, আমার এই কাম পরিমাণ ডলার শুনে প্রদীপ বাবু বলেছিলেন এটা কাম টাকা নিয়ে বেরন কেন? বাড়িতে বসে থাকুন। আজও কোথাও গেলে প্রদীপ বাবুর উপদেশ মনে চলে আসে।বাড়ি থেকে বেরণ কেন? ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার , প্রাক্তন মন্ত্রী অনিল সরকারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন সেই প্রদীপ বাবুই। বাংলা দৈনিক "সকাল বেলা"র সহকারী সম্পাদক হিসাবে যোগ দেওয়ার পর দৈনিক সংবাদ ছেড়ে দি তার পরও প্রদীপ বাবু আমার পরিবারের খবর রাখতেন। ত্রিপুরা তে আগরতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সুবল দে , আর প্রদীপ বাবু ত্রিপুরার সঙ্গে আমার যোগ সূত্র ছিল।একটি সূত্র কাটা পড়ে গেল।
Comments
Post a Comment