সারা বিশ্ব অপারেশন সিন্দুর কে সমর্থন করেছে ,
কেউ চাপ দেয়নি, দাবি প্রধানমন্ত্রীর
ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষ বিরতিতে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভূমিকা রয়েছে কি না, তা অপারেশন সিঁদুর নিয়ে লোকসভায় বিতর্কের পরেও ধোঁয়াশা রয়েই গেল। আজ সরকারের পক্ষে জবাব দিতে উঠে শেষ বক্তা হিসেবে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে নীরবই রইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি কেবল বলেন, "কোনও দেশের রোখার প্রশ্নে পরামর্শ দেয়নি।" সংঘাতে ভারতের কোনও যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে কি না, চিন-পাকিস্তান আঁতাত বা চিন নিয়ে দেড় ঘন্টার বক্তব্যে একটি শব্দও খরচ করেননি মোদী। বরং দেড় ঘণ্টার বেশি বক্তৃতায় অধিকাংশ সময় খরচ হয়েছে কংগ্রেসের সমালোচনায়। ১৪ বার জওহরলাল নেহরুর নাম করে সমালোচনা করেছেন।
রাজনৈতিক সদিচ্ছা নয়, 'অপারেশন সিঁদুর -এর একমাত্র লক্ষ্য ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবমূর্তি রক্ষা করা - আজ সংসদে মোদী সরকারকে এই ভাষায় নিশানা করলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর আজও অভিযোগ, শুধু তা-ই নয়, এই সেনা অভিযানে সেনাবাহিনীকে সামরিক স্বাধীনতা -ও দেওয়া হয়নি। বায়ুসেনাকে যুদ্ধবিমান খুইয়ে তার খেসারত দিতে হয়েছে। কারণ মোদী সরকার সামরিক বাহিনীর হাত বেঁধে দিয়েছিল।
লোকসভায় অপারেশন সিঁদুর নিয়ে আলোচনায় আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উদ্দেশ্য করে রাহুল বলেন, "পহেলগামে নিরীহ মানুষের রক্ত প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেগে ছিল। তাই তাঁর ভাবমূর্তি রক্ষায় অপারেশন সিঁদুর করতে হয়। কিন্তু রাষ্ট্র ও সেনাবাহিনী প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি, প্রচার ও রাজনৈতিক ঊর্ধ্ব। রাজনৈতিক খেলার জন্য সামরিকে বাজি ধরবেন না।" রাহুল আরও বলেন, "দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে এমন কাউকে রাখা সম্ভব নয়, যাঁর সেনাকে সঠিক ভাবে কাজে লাগানোর সাহস নেই।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভারতের সেনার প্রশংসা করেছেন। (আনন্দ বাজার সূত্রে প্রাপ্ত খবর)
Comments
Post a Comment