বাংলাদেশে আবার পূজোর সময় ৩০ টির বেশী দুর্গা প্রতিমা ভাঙ্গা হল : শুভেন্দু অধিকারী
অমল গুপ্ত ,১৯ অক্টোবর ,শিলচর : বাংলদেশে হিন্দু নির্যাতন অব্যাহত, বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব দুর্গা পুজো,বাঙালি আবেগ জড়িত। এই সময় বাংলা দেশে ৩০ টি বেশি দুর্গা মুর্তি ধ্বংস করা হল। বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার রিপোর্ট প্রসঙ্গ তুলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য মন্ত্রী গতকাল উদ্বেগ প্রকাশ করে এই অভিযোগ করেন। প্রসঙ্গত পশ্চিমবঙ্গের বাম নেতাদের অধিকাংশ বাংলাদেশ থেকে এক দিন রাতের অন্ধকারে পালিয়ে এসে কলকাতার নেতা হয়ে গেছেন। এক বাম নেতা গরুর মাংস খেয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন তিনি ধর্ম নিরপেক্ষ, জ্যোতি বসু ,প্রমোদ দাস গুপ্ত প্রমুখ বাম নেতাদের আমলে মরিচ ঝাঁপি সাইবাড়ি মত ঘটনা ঘটেছে। হিন্দু নির্যাতন নিয়ে তারা মুখ খোলেন না। বাংলাদেশে বিনা বিচারে জেল বন্দি চিন্ময় কৃষ্ণ মুক্তি দাবি করে না।১৯৪৬ সালে কলকাতা কিলিং এর সময় হিন্দুদের রক্ষা করে মাংস বিক্রেতা রাম পাঠা কে "গদ্দার" বলেন এক বাম নেতা।গতকাল কলকাতা চোর বাজারের জি ঘটনা কে রং দেবার চেষ্টা করছে বামেরা ,তৃণমূল এর জল খাটা মুখপাত্র মমতার আমলে দুর্ঘটনা সব বেমালুম চেপে গিয়ে দোষারোপের পালা শুরু করেছে। পশ্চিমবঙ্গের ডান বাম কংগ্রেস সবাই বাংলদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে সরব হন। আগামী ডিসেম্বর বিরাট পরিবর্তন হবে । বাংলাদেশের ভারত বিরোধী শক্তি ক্ষমতা হারাবে। সেই রকম পূর্বাভাস দেখা যাচ্ছে।প্রসঙ্গত ভারতের সংবিধান "ধর্মনিরপেক্ষ" শব্দ প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী কারসাজি করে বসিয়ে দেন। ধর্ম নিরপেক্ষ অজুহাতে একপক্ষীয় ভাবে হিন্দু নির্যাতন চলছে।ভারতের মুসলিম সমাজ সেই কারসাজি করা শব্দের আশ্রয় নিয়ে ছেন। হিন্দুদের শুধু মার খেতেই হবে? পশ্চিমবঙ্গের বাম ,তৃণমূল ,কংগ্রেস সবাই মুসলিম দের পক্ষে কাজ করে। তাই বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে বিস্ময়কর ভাবে নীরবতা পালন কর। হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ কে চট্টগ্রামের অন্ধকার ঘরে আটক করে রাখা হয়েছে। তাকে ঠিকমত ঔষধপত্র দেওয়া হয়না। পুষ্টিকর আহার দেওয়া হয়না। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়া সূত্র এই দাবি করছে। মৃত বৃদ্ধ মায়ের মুখ টুকু দেখতে দেওয়া হল না। বামপন্থিদের প্রাণ কাঁদে না।।তারা তথাকথিত ধর্ম নিরপেক্ষ তার কথা বলে
Comments
Post a Comment