দুর্গা পুজো নিয়ে আজও দাদা গিরি চলছে

 পুজোতে আজও দাদাগিরি চলছে 

বিদায় নিয়েও বিদায় নেয় না দখলদারির পুজো

দেবদূত ঘোষঠাকুর

পুজোয় কতটা 'দিদিগিরি' করেছেন মমতা? গান-থিম লিখেছেন। প্রতিমার চোখ এঁকেছেন। এমনকী একবার প্রতিমা তৈরি হয়েছিল তাঁর নির্দেশেই।...মমতা হেরেছেন নির্বাচনে। তাঁর সরকার চলে গিয়েছে। কিন্তু দুর্গাপুজোয় শাসকের 'দাদাগিরি' রয়েই গিয়েছে। এই প্রথম তাই বাগবাজার সর্বজনীন ঠিক সময়ে মণ্ডপের কাজ শুরু করতেই পারেনি।

পুজোর প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্যায়ের বিচার চলছে শহরের অতিথিশালায়। সেরা প্রথম দশের বাছাই শেষ। এর মধ্য থেকেই প্রথম পাঁচ বাছাই হবে। এই সময় হন্তদন্ত হয়ে দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকলেন পুরস্কারের মূল স্পনসর। কানে মোবাইল ফোন। ঘন ঘন রুমাল দিয়ে মুখ মুছছেন তিনি।

উদ্যোক্তাদের কাছে তাঁর কাতর আবেদন। প্রথম তিনে রাখতেই হবে একটি পুজোকে। না হলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে। বন্ধ করে দেবে ওরা। নয়তো চামড়া গুটিয়ে দেবে।

শাসক দলের এক প্রথম সারির নেতার পুজো সেটি। বিচারক দলের প্রধানও সমাজের কেউকেটা মানুষ। তিনিও নিজেদের নম্বর তালিকা বদল করবেন না বলে গোঁ ধরে বসে আছেন।

একসময় বিচারকরা ফল ঘোষণার আগেই বেরিয়ে গেলেন। প্রথম পাঁচের সঙ্গে জুড়ল আরও একটি বড় অর্থমূল্যের পুরস্কার—বিশেষ জুরি পুরস্কার। এর নামই বোধহয় 'দাদাগিরি'। দাদার পুজো মোটা অঙ্কের পুরস্কার পেল। আর প্রধান বিচারক নিজেকে সরিয়ে নিলেন পুজোর পুরস্কারের জজিয়তি থেকে।

একটা সময় ছিল। তখন দেশীয় রাজারা দুর্গাপুজো করতেন। প্রজাদের জন্য রাজপুরীর দরজা খোলা থাকত। ধর্ম, জাতের ভেদাভেদ নেই। গলা পর্যন্ত ঠেসে খাও, উপহার নাও আর আনন্দ-ফুর্তি করো। রাজার নাম ফাটুক। এমন রাজা কোনো দেশে নাই।

এরপরে এলেন 'রাজা' উপাধি পাওয়া ব্রিটিশ সরকারের গুণমুগ্ধরা। লর্ড ক্লাইভ পলাশীর যুদ্ধে জিতলেন। ওই 'রাজা'-রা তাঁকে অভ্যর্থনা দেওয়ার যোগ্য সময় হিসেবে বেছে নিলেন দুর্গাপুজোকে।

সে কী আয়োজন! সাধারণ মানুষের সেখানে তেমন প্রতিনিধিত্ব নেই। ইংরেজ সাহেব, পদস্থ রাজকর্মচারী আর সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরাই আমন্ত্রিত। মুরগি-মাটন, কালিয়া-কোফতা। কত ধরনের যে মিষ্টি আর শরবত। ফুর্তিকে আরও জমকালো করতে খ্যামটা নাচ। সেরা বাইজিদের নাচ। খেউড়—সব হাজির। সাহেবরা বিন্দুবিসর্গ বুঝতেন না। কিন্তু ভরপেট আনন্দ নিয়ে বাড়ি ফিরতেন। আতর আর ফরাসি গন্ধ ভুরভুর করে বেরোত।

গ্রামাঞ্চলে তখন 'আসল' রাজাদের দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন স্থানীয় জমিদারেরা। তাঁরা আবার বৈভবের পাল্লা দিতেন একে অপরের সঙ্গে। এতে সবচেয়ে বেশি আনন্দ পেতেন প্রজারা। পুজোর ক'দিন জমিদারবাড়ি প্রজাদের জন্য খোলা।

শহুরে 'রাজা'-দের থেকে চিত্রটা অনেক আলাদা। কবিগান, যাত্রাপালা, বাউল, কীর্তনীয়া। রোজ রাতে মনোরঞ্জনের ঢালাও আয়োজন। এক জমিদার সপ্তমীতে পঞ্চব্যঞ্জনের আয়োজন করলেন। পাশের জমিদার সপ্তমীতে অষ্টব্যঞ্জনের ব্যবস্থা করলেন। এভাবেই চলত বৈভবের আর বৈচিত্র্যের প্রতিযোগিতা। প্রজারা খুশি। তাঁরা ওই ক'দিন জমিদারের অতিথি। পুজোর আনুষ্ঠানিকতায় বা আয়োজনে তাঁদের কোনো অধিকার থাকত না। তবে খাওয়া আর ভরপেট আনন্দ করার নিরিখে পুজো ছিল সর্বজনীন।

অনেক ক্ষেত্রে এই বৈভব দেখাতে গিয়ে চাপ পড়ত সাধারণ মানুষের উপরে। খাজনা বাড়ত।

ফরাসি এবং ওলন্দাজ শাসকদের প্রভাবে তখন নতুন হাওয়া। হুগলি জেলার গঙ্গাসংলগ্ন এলাকায় ইউরোপের 'উদার' সংস্কৃতির প্রভাব পড়েছে।

শোনা যায়, হুগলির গুপ্তিপাড়ায় মাতব্বরদের তাণ্ডবে একটি বাড়ির জগদ্ধাত্রী পুজোয় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় বারো জন বন্ধু এলাকার মানুষের থেকে চাঁদা তুলে পুজো করেছিলেন। কেউ বলেন সালটা ১৭৬১, কেউ বলেন ১৭৯০। সেই পুজো থেকেই সম্ভবত বারোয়ারি শব্দটি এসেছে।

সেই বারোয়ারি পুজোই এখনকার সর্বজনীন পুজো। অর্থাৎ সমাজের মতবাদের কর্তৃত্ব চলে এল মানুষের হাতে। গুপ্তিপাড়া থেকে এই বারোয়ারি জগদ্ধাত্রী পুজো ছড়িয়ে পড়ে চন্দননগর, কৃষ্ণনগরে।

কলকাতায় বারোয়ারি দুর্গাপুজো শুরু হয় আরও অনেক পরে। ১৯১০ সালে ভবানীপুরে। আদি গঙ্গার ধারে বলরাম বসু ঘাট রোডে ভবানীপুর সনাতন ধর্মোৎসাহিনী সভার উদ্যোগে। এই পুজোটি এখনও হয়ে আসছে।

এরপর ১৯১১ সালে শ্যামপুকুর আদি সর্বজনীন। ১৯১৩ সালে শিকদারবাগান। ১৯১৯ সালে বাগবাজার সর্বজনীন। ১৯২৬ সালে সিমলা ব্যায়াম সমিতির বারোয়ারি দুর্গাপুজো শুরু হয়। সর্বজনীন এই পুজোগুলির মাধ্যমে স্বাধীনতা আন্দোলনের বার্তা ছড়িয়ে পড়ত।

এতদিন দুর্গাপুজো নিয়ে ইংরেজ শাসকদের তেমন কোনো হেলদোল ছিল না। এই ক'টা দিন তাঁদের হুল্লোড়ে কাটত। কিন্তু বারোয়ারি বা সর্বজনীন পুজোগুলি তাঁদের রাতের ঘুম কেড়ে নিল। দুর্গাপুজোর রাশ 'বাবু'-দের হাত থেকে চলে গেল সাধারণ মানুষের হাতে। নিঃশব্দে ঘটে গেল এক সামাজিক বিপ্লব।

দুর্গাপুজোয় স্থানীয় 'দাদা' বা 'মাস্তান'-দের তেমন উৎসাহ ছিল না। তাঁরা ছিলেন মা কালীর পূজারি। যেমন উত্তরের ফাটাকেষ্টর পুজো, ছোড়দার পুজো, শ্মশান স্বপনের পুজো।

উত্তরের মাস্তান হেভেন মণ্ডল জাঁকজমক করে জগদ্ধাত্রী পুজো করতেন। পরে এলাকার সব দুর্গাপুজো ও কালীপুজোর দখল নিয়ে নেন। ফাটাকেষ্ট কিন্তু কালীপুজো ছাড়া অন্য কোনো পুজোয় কখনো হস্তক্ষেপ করেননি। কলকাতার 'দাদা' হিসেবে তাই তিনি অনন্য।

সত্তর-আশির দশক পর্যন্ত কলকাতার 'দাদা'-দের একটা 'কৌলিন্য' ছিল। একটা রবিনহুড চরিত্র ছিল। বন্যা, মহামারি, দুর্ভিক্ষের সময় আসল মাস্তান কে বা কারা, তা বোঝা যেত। কিন্তু পরে একটা সময় এল, যখন দাদা আর রাজনৈতিক নেতা সমার্থক হয়ে পড়ল। বাহুবলের চেয়ে তাঁদের ক্ষমতার দম্ভ বেশি। বিশেষ করে বামফ্রন্টের শেষ দশ-পনেরো বছরে নেতা আর দাদা—শব্দ দুটি ক্রমশ সমার্থক হয়ে উঠতে থাকে।

বামপন্থীরা পুজো-আচ্চায় বিশ্বাস করতেন না। বরং পুজোর মঞ্চকে তাঁরা দলের প্রভাব বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করতেন। প্রতিটি পুজোয় মার্কসবাদী বই বিক্রির স্টল থাকত। লোকাল কমিটির নেতা, সদস্য, কর্মীদের চারদিনের মিলনোৎসব। তাই পুজোর দখলদারিতে সার্বিকভাবে তাঁদের কোনো উৎসাহ ছিল না।

তাঁদের আমলেই কিন্তু শহর ও শহরতলিতে সর্বজনীন দুর্গাপুজোর সংখ্যা হু হু করে বেড়েছে। কলকাতার পুজোয় নতুন নতুন ধারা এসেছে। নতুন নতুন শিল্পী নতুন এক পেশা খুঁজে পেয়েছেন। পুজো করলে পাড়া-বেপাড়ায় নাম ছড়ায়। সমাজমাধ্যমের প্রচার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সুযোগ করে দেয়। পুজোয় সবচেয়ে উৎসাহী ছেলেটি প্রথমে কাউন্সিলর, পরে বিধায়ক হয়। রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আগেই তিনি একজন নেতা। তাই পরিবর্তন পর্বের পরে মন্ত্রী।

পুজোর সংগঠন মন্ত্রিত্ব বা পুরসভায় মেয়র পারিষদ হওয়ার রাস্তা সুগম করে দিয়েছে। তৃণমূল জমানায় এমন নেতার সংখ্যা কিন্তু নেহাত কম নয়। সুজিত বসু, অরূপ বিশ্বাস, অতীন ঘোষ, দেবাশিস কুমার, ববি হাকিম, ইন্দ্রনীল সেন, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, সুশান্ত ঘোষ—এই কয়েকটা নাম তো অনায়াসে বলে দেওয়া যায়। সুজিত অবশ্য সিপিএমে থাকার সময় থেকেই পুজোর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক গুরু সুভাষ চক্রবর্তীর প্রভাবে। তবে তৃণমূল জমানায় ফুলেফেঁপে উঠেছে তাঁর পুজোটি।

তৃণমূলের এক প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। তিনি সুজিতের সঙ্গেই সিপিএম করতেন। তিনি আবার বিশাল কালীপুজো করতেন।

এই সব তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে আবার কংগ্রেস-তৃণমূলের মধ্যে পাক খাওয়া সুব্রত মুখোপাধ্যায় কিংবা প্রদীপ ঘোষকে রাখা যাবে না। ওঁরা রাজনীতির জন্য পুজো করতেন না। পুজো ছিল তাঁদের নেশা। কখনো সেটা রাজনীতির পেশার সঙ্গে মেশাননি তাঁরা। তাই কংগ্রেস, সিপিএম, তৃণমূল এবং এই বিজেপির রাজত্বেও ওই পুজোর জৌলুস এতটুকুও কমেনি। লোকের ঢেউ এতটুকুও কমেনি।

সুব্রতবাবু এবং প্রদীপবাবু দু'জনেই প্রয়াত হয়েছেন। সুব্রতবাবুর সেই ট্র্যাডিশন এখনও চলছে একডালিয়া এভারগ্রিনে। আর প্রদীপবাবুর ছেলে সজল এখন বিজেপির হোমরাচোমরা বিধায়ক। যতই লোকে 'ঝুলন' বলে উপহাস করুক না কেন, বাবাকে মণ্ডপে 'অমর' করে রেখে দিয়েছেন ছেলে।

পুজোকে নিয়ে ব্যবসা করা যায়, তা প্রমাণ করে দিয়েছে তৃণমূল সরকারের শেষ পাঁচ বছর। ২০১১ থেকে ২০১৬ দল নেতারা পুজো দখলে ব্যস্ত ছিলেন। পরের পাঁচ বছর গিয়েছে পুজো থেকে কী করে নিজের প্রতিপত্তি আর ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ানো যায়, তা শিখতে। আর পরের পাঁচ বছর পুজোকে ব্যবসার পর্যায়ে নামিয়ে এনেছিলেন তৃণমূল নেত্রীর আস্থাভাজন কয়েকজন।

পুজো নিয়ে একদিন ইডি তদন্ত করবে, তা কি কেউ ভাবতে পেরেছিল? কলকাতার থিম পুজোয় যেসব শিল্পী লোকশিল্পের ফুল ফুটিয়েছিলেন, তাঁরা যন্ত্রের দাস হয়ে যাবেন। সরস্বতী থেকে বিশ্বকর্মার সেবক হবেন। এটাও কেউ ভাবতে পারেননি। পুজোর ওই সব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিল্পীদের পরিকল্পনায় পুজোর বাজেট পঞ্চাশ কোটি পেরিয়ে যাবে, সেটা দেখে অবাক হয়েছি। কে বলে বাঙালি ব্যবসা জানে না? রাজনীতির ছোঁয়ায় সবকিছু হয়।

পুজোর সঙ্গে রাজনীতির মিশ্রণ যদি সফলভাবে কেউ করে থাকেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষমতায় এসেই তিনি কলকাতার ক্লাবগুলিকে অনুদান দেন। নিজেদের বশংবদ করে ফেলেন। নির্বাচনে ভালো ফল পেতেই দ্বিতীয় দফার ক্ষমতা পেয়ে ২০১৮ সাল থেকে সব পুজো কমিটির জন্য অনুদান ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন থেকেই শুরু হয় পুজোয় তাঁর 'দিদিগিরি'।

পুজো উদ্যোক্তাদের সংগঠন 'ফোরাম ফর দুর্গোৎসব'-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। সম্পাদক পদে এক যুবক তৃণমূল নেতাকে বসিয়ে। আর তৃণমূল জমানায় ধীরে ধীরে রাজ্য সরকারেরই একটি সহযোগী সংগঠনের মতো চলতে শুরু করে তারা। ২০১৮ সালের পরে তো মনে হতে থাকে, এটা শাসক দলেরই শাখা সংগঠন। আর তাই কলকাতার অনেক নামকরা পুজোই ফোরামের বাইরে থেকে গিয়েছে। ফোরামের সব অনুষ্ঠানে মঞ্চে শুধু তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। অন্য দলের পুজোপ্রেমীরা সেখানে ব্রাত্য। তাই এই ফোরামও পুরোপুরি সর্বজনীন হয়ে উঠতে পারেনি।

পুজোয় কতটা 'দিদিগিরি' করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? পুজোর গান লিখেছেন। থিম লিখেছেন। প্রতিমার চোখ এঁকেছেন। এমনকী একবার প্রতিমা তৈরি হয়েছিল তাঁর নির্দেশেই। কিন্তু সেই প্রতিমাকে পুজো করার জন্য মণ্ডপে ঠাঁই দিতে পারেননি উদ্যোক্তারা—তৃণমূলের অতি বড় সমর্থক হওয়া সত্ত্বেও। তবে পুজোয় মমতার কর্তৃত্ব বা দখলদারি সম্পূর্ণ হল তখনই, যখন তিনি পিতৃপক্ষেই পুজোর উদ্বোধন করলেন। পুরোহিতদের কোনো সংগঠন প্রতিবাদ করেনি।

মমতা হেরে গিয়েছেন নির্বাচনে। তাঁর সরকার চলে গিয়েছে। কিন্তু দুর্গাপুজোয় শাসকের 'দাদাগিরি' রয়েই গিয়েছে। এই প্রথম তাই বাগবাজার সর্বজনীন ঠিক সময়ে মণ্ডপের কাজ শুরু করতেই পারেনি। বর্তমান শাসক দলের দাপটে উত্তর কলকাতার একটি বড় ক্লাবে দু'বার খুঁটি পুজো হয়েছে। দক্ষিণ শহরতলির একটি ক্লাবে ভাঙচুর হয়েছে। আর বিজেপি রাজ্য সভাপতির আপত্তি সত্ত্বেও মন্ত্রী, বিধায়ক, বিজেপির নেতারা বিভিন্ন পুজো কমিটির মাথায় বসেছেন।

দিদির সরকার বিদায় নেওয়ার পরে এবার পুজোর দখলদারি পরিবর্তনের ডাক ওঠা উচিত ছিল বিজেপির সর্বস্তর থেকে। যেখানে তাপস রায়, সজল ঘোষের মতো পুজো সংগঠক আছেন, সেই দল কেন পুজোকে ফের রাজনীতির পাকেচক্রে জড়িয়ে গেছে সবাই।।

Comments

Popular posts from this blog

বিশ্বে আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রাথ নাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত

কান্দি রেডক্রস সোসাইটি অরণ্য সপ্তাহ

কান্দিতে বাঙালি সংস্কৃতি ইতুর খন্ড চিত্র