মণিপুরে পপি হাব দেশকে মাদক পাচারের ভান্ডার : এন বীরেন্দ্র সিংহ
অমল গুপ্ত ,১৭ সেপ্টেম্বর ,গুয়াহাটি ,কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে পশ্চিমবঙ্গের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অসম উত্তরপূর্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ সিনিয়র ছাত্র ছাত্রী দের মধ্যে ব্যাপক হারে মাদক এর উৎস ভূমি উত্তর পূর্বের রাজ্যে মনিপুর। ,সেই রাজ্যে বিগত এক দশক থেকে ব্যাপক হারে পপি গাছের চাষ হচ্ছে।গাছগুলি সুন্দর ফল ফুল থেকে সংগ্রহ করা আঠাল নির্যাস থেকে মারাত্বক ধরনের নেশা সামগ্রী মাদক উৎপাদন করা হচ্ছে। এই পপি চাষ বিশাল আয়ের উৎস এমন কি সরকার বদলে ভূমিকা গ্রহণ করে মণিপুরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংহ তার অভিজ্ঞতা থেকে সোশ্যাল মিডিয়ার কাছে এই অভিযোগ করেন। তিনি ভিডিও প্রকাশ করে ছেন । অসমের অসমীয়া দৈনিক "সংবাদ প্রহরী" আজ এই খবর পরিবেশন করেছে। ," মণিপুরে আফিং খেতির ভয়ঙ্কর বিস্তার " শীর্ষক খবর দিয়ে প্রথম পৃষ্ঠায় এই খবর পরিবেশন করেছে অসমীয়া দৈনিক সংবাদ প্রহরী । মণিপুরে সোনালী ত্রিভুজ হয়ে এই মাদক ছড়িয়ে পড়ছে উত্তরপূর্ব সেখান থেকে পশ্চিম বঙ্গ,অসম , ত্রিপুরা ,উত্তর পূর্বের শহর গুলি তে। মণিপুরে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে এক সম্প্রদায় ব্যাপক হারে পাহাড় অঞ্চলে পপি ফুল চাষের ফলে সবুজ জঙ্গল পরিবেশ ধ্বংশ হচ্ছে বলে প্রাক্তন মূখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন। পপি গাছের ফল গুলি চিরে এক ধরনের আঠালো বস্তু থেকে মারাত্বক ধরনের সব মাদক তৈরি করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ তো বটেই সমগ্র অসম, ত্রিপুরা , উত্তর পূর্বের যুব সমাজ মারাত্বক নেশা সামগ্রী ব্যবহার করছে। কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।।তৃণমূল কংগ্রেস আমলে মাদক ব্যাপক হারে চালু ছিল। যুব সমাজের অবক্ষয় শেষ প্রান্তে পৌঁছিয়ে গেছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গন চুমু , অর্ন্তবাস পড়ে ড্যান্স , স্বাধীন ভারতে আজাদি আজাদি ,স্লোগান মাদক খেয়ে ,বিচিত্র সব ড্রেস পরে সিসি ক্যামেরা সরিয়ে উদ্দাম নাচ ঋষি অরবিন্দ স্মৃতি বিজরিত বিশ্ব বিদ্যালয়কে নরকে পৌঁছিয়ে দেওয়ার পথ সুগম করেছে। কলকাতার বাঙালি বুদ্ধিজীবী দের জন্যে বাংলার কয়েক লাখ কারখানার তালা বন্ধ।। বাংলাদেশে হিন্দুদের বাংলদেশে মুসলিমরা মেরে কেটে শেষ করছে।।কোনো প্রতিবাদ নেই।হিন্দু ধর্মগুরু কে জেল বন্দি করে অত্যাচার করা হচ্ছে কোনো প্রতিবাদ নেই। যাদবপুর ক্যাম্পাসে উত্তাল উলংগ নাচ। কলকাতার বাবুরা সব চুপ । ব্যাপক হারে মাদক ব্যাপক হারে মদ বীরভূম জেলার তারাপীঠ মন্দিরে কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে কয়েক কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে।মদ আর মাংস ছাড়া নাকি তারাপীঠ মায়ের ভোগ হয়না। মা কি মদ মাংস খান। কয়েক হাজার ছাগল জবাই হয়েছে ।ইনজেকশন দেওয়া ছাগল। ওজন বাড়াতে নাকি ন্যাপথলিন পেটে ভরে দেওয়া হয়। বিষ মাংস খেতে চায় সবাই।
Comments
Post a Comment