তারাপীঠ পর কলকাতা হোটেলে আগুন মৃত্যু , মৃত্যু তদন্ত কমিটি, দুদিন বাদ আবার আগুন l
অমল গুপ্ত ,১৯ আগস্ট ,কান্দি জেল রোড ,মুর্শিদাবাদ : রবিবার শ্রাবণের শেষ সন্ধ্যা তারাপীঠ হোটেলে আগুন ,তিনদিন বাদ কলকাতা মির্জা স্ট্রীট হোটেলে আগুন বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসা করতে আসা দু জন সহ ৯ জনের প্রাণ গেল।। দু জায়গা তারাপীঠ হোটেল "বিদেশিনী" পর কলকাতার "শিখা ইন" পুলিশ "মদ্যপ" অবস্থায় কয়েকজনকে উদ্ধার করেছে। হোটেলে এলার্ম বাজেনি ,নামার অপরিসর রাস্তা ।একই বাড়িতে পাঁচটি হোটেল। বেরোবার একটি মাত্র রাস্তা , অগ্নি নির্বাপক ভাল কোনো ব্যবস্থা নেই। একই ফ্লোর চার পাঁচটি হোটেল। ফায়ার সেফটি নেই। কলকাতার হাজার হাজার বে আইনি হোটেল। অধিকাংশ অগ্নি নির্বাপক ব্যাবস্থা নেই। কলকাতায় হাজার হাজার বেআইনি হোটেল দালাল চক্র ,কমিশন রাজ ,পুলিশ রাজ সক্রিয় কলকাতা তারাপীঠ একই দুর্নীতি। এবার তদন্ত হবে।পুলিশ ছুটে আসবে। আবার দুদিন বাদ আগুন লাগব।অভিযুক্ত সব ছাড়া পেয়ে যাবে। কলকাতা বহুবার দেখছে। দমকলের সদর দপ্তর পাশেই হোটেল , হাজার অনিয়ম ,কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।প্রধান অভিযুক্ত সবাই ছাড়া পাওয়া যাবে। আগের দমকল মন্ত্রী চুরি করে জেলে বর্তমান দমকল মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী অভিযোগ করেন বেআইনি ভাবে হোটেল টি গড়ে উঠেছে। তিনি অকপটে মেনে নেন নিয়ম নীতি মানা হয়নি। ৮০ জন কে উদ্ধার করা হয়েছে। তিন জন মহিলা শিশু দহ ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবার আগুন লাগবে আবার তদন্ত হবে। অভিযুক্ত ছাড়া পেয়ে যাবে। কলকাতা এভাবেই থাকছে। মন্ত্রী তাপস রায় ,মন্ত্রী অগ্নি মিত্র পাল এলেন নানা আশ্বাস দিলেন। অভিযুক্ত ছাড়া পেয়ে যাবে।দমকল মন্ত্রী অভিযোগ করেন ট্রেড লই সেন্স ছিল না। ঘরে জানালা ছিল না। তার আশ্বাস প্রত্যেক জায়গায় অডিট করা হবে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কলকাতা হোটেলে সব জতু গৃহ প্রতিকার নেই। একশো বছরের হোটেল একটি মাত্র নামার সিঁড়ি। আবার লোহার ।আগুন লাগল লোহা আরো গরম হয়ে যায়।বিজেপি সরকার নীরব।কলকাতা বাঙালি বাবু সবাই চুপ।বিগত ১৫ বছর চুপ ছিল।
Comments
Post a Comment