বামপন্থীরা কি হিন্দু বিরোধী ?

কমিউনিস্ট পার্টির বিশেষ আলোচনায় কমিউনিস্ট নেতা শ্রী পূরণ চাঁদ যোশীর বক্তব্য তুলে ধরা কর্তব্য। মুসলিম লীগ এবং পাকিস্তান প্রস্তাব সম্পর্কে যিনি স্পষ্টতই স্বীকার করেছিলেন:

“আমরাই একমাত্র অমুসলিম সংগঠন, যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে মুসলিম জনগণের নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের দাবিকে মেনে নিয়েছি এবং তা জনগণের মধ্যে জনপ্রিয় করে তুলেছি। লীগ নেতৃত্ব আমাদের দলকে সন্দেহের চোখে দেখছে জেনেও, লীগের সংবাদপত্র আমাদের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালায় জেনেও আমরা এই কাজ করেছি।”¹

ডাইরেক্ট একশন দিবসে যখন হিন্দুরা আক্রান্ত হচ্ছেন, সেই সময়ে মুসলিম জনতা রক্ষা করে চলেছেন কমিউনিস্ট নেতাদের। স্মৃতিতে থাকুক প্রথম সারির কমিউনিস্ট নেত্রী মনিকুন্তলা সেনের বক্তব্যগুলি:

“....সুরাবর্দি ১৬ ই আগষ্ট ছুটি ঘােষণা করলেন এবং মুসলিমদের মিছিলে যােগ দেওয়ার নির্দেশ দিলেন।”²

 “...আমাদের দল সি.পি.আই মিছিলে সামিল হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।...”²

“...মুসলিমরা ধুতি কুর্তা পরিহিত হিন্দু কমরেডদের রক্ষা করেন। কারণ তাঁরা জানতেন পার্টির কমরেডরা লিগের পাকিস্তানের দাবীকে সমর্থন করেন।”² ³
১৯৬৪-তে কবি গোলাম মোস্তফা রচিত ‘ইসলাম ও কমিউনিজম’ শীর্ষক  বইটির ১০৪ নং পৃষ্ঠায় লেখক বলেছেন, “এ কথা দৃঢ়তার সহিতই বলা যায়, ইসলামের নিকট কমিউনিজমকে আত্মসমর্পণ করিতেই হইবে। ইসলামিজমই হইবে কমিউনিজমের শেষ পরিণতি।” ১১৩ নং পৃষ্ঠায় বলেছেন, “জ্ঞাতসারেই হোক আর অজ্ঞাতসারেই হোক কমিউনিজম ইসলামের পথেই অগ্রসর হইতেছে।”
ধ্বংসের পথে অবলম্বন করিতেছে কমিউনিজম এবং সেই পথের পথপ্রদর্শক হচ্ছে ইসলাম।( বিষ্ণু পদ সিংহ  সৌজন্যে)

Comments

Popular posts from this blog

বিশ্বে আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রাথ নাথ ঠাকুরের ১৬৫ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপিত

মহালয়ার পবিত্র তিথিতে" নয়া ঠাহর "শারদ সংখ্যা প্রকাশিত হল কান্দি থেকে

অসমের বিশিষ্ট সাংবাদিক কুন্তল চক্রবর্তী চলে গেলেন